নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: দুর্গাপুরের লিঙ্ক রোড যেন মরণফাঁদ! পিচ উঠে পাথর বেরিয়ে গিয়েছে। বাইক ও ছোট গাড়ির পাশাপাশি ছুটছে ট্রাক্টর থেকে বড় পণ্যবাহী গাড়ি। একের পর এক দুর্ঘটনায় আতঙ্কিত সাধারণ মানুষ ও ডিএসপির শ্রমিকরা। কয়েক দশক ধরে লিঙ্ক রোডের দু’পাশে বাইপাস রাস্তা করার দাবি জানানো হচ্ছে ডিএসপির কাছে। যাতে কারখানার শ্রমিকদের জন্য পৃথক রাস্তার ব্যবস্থা করা যায়। বাসিন্দাদের পাশাপাশি দুর্গাপুর পুরসভা থেকেও একাধিকবার এই দাবি জানানো হলেও নির্বিকার কেন্দ্রীয় সরকার। ডিএসপি নিজেদের রাস্তা সংস্কার করছে না, বাইপাস রাস্তা করা নিয়ে টালবাহানা চলছে। কেন্দ্রীয় ইস্পাত মন্ত্রকের অধীনে থাকা এই কারখানা কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় ক্ষোভে ফুঁসছে শ্রমিক মহল থেকে স্টিল সিটির বাসিন্দারা। ডিএসপির জনসংযোগ আধিকারিক বেদবন্ধু রায়কে ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি। মেসেজেরও জবাব দেননি।
Advertisement
দুর্গাপুর পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর সদস্য ধর্মেন্দ্র যাদব বলেন, বেশ কয়েক দশক ধরে লিঙ্ক রোডের সমান্তরাল দু’টি বাইপাস রাস্তার দাবি জানানো হচ্ছে। আমি যতদূর জানি, সাধারণ মানুষ ডিএসপি কর্মীদের যাতায়াতের জন্য লিঙ্ক রোড বানাতে জমি দিয়েছিল। সেই সময়েই ডিএসপি জানিয়েছিল এলাকাবাসীর যাতায়াতের জন্য দু’পাশে রাস্তা করে দেওয়া হবে। সেই রাস্তা আজও হয়নি। পুজোর পরই পুরসভার পক্ষ থেকে ফের সেই রাস্তা করার আর্জি জানানো হয়েছে। কর্তৃপক্ষ কোনও কর্ণপাত করেনি।
শনিবার লিঙ্ক রোডে দুর্ঘটনায় এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর স্বামী ও সন্তান গুরুতর জখম হয়েছেন। দুর্ঘটনার পরই এলাকা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। বারবার দুর্ঘটনার পিছনে কেন্দ্রীয় সংস্থার বাইপাস তৈরি নিয়ে টালবাহানাকে দায়ী করেছেন অনেকে। উল্লেখ্য, ডিএসপি মেন রোড থেকে কনিষ্ক মোড় পর্যন্ত রাস্তাটিই লিঙ্ক রোড নামে পরিচিত। সেখানে টাউনশিপের সমস্ত রাস্তা মিশেছে। সেই রাস্তা দিয়ে শ্রমিকরা কারখানায় ঢোকেন। লিঙ্করোডের দু’পাশজুড়ে গজিয়ে উঠছে ফ্ল্যাট, বিশাল অট্টালিকা। তাই ডিএসপির শ্রমিকদের জন্য শুধু লিঙ্ক রোড ব্যবহার করতে চাইলে এলাকাবাসীর জন্য বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে। শুধু বাসিন্দারাই নয়, এই রাস্তার উপর দিয়ে বহু কারখানার সামগ্রী পরিবহণ হয়। তাই ডিএসপি কর্তৃপক্ষ চাইলেও বিকল্প রাস্তা না থাকায় ভারী যান চলাচল নিষিদ্ধ করতে পারছে না প্রশাসন। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষ থেকে শ্রমিকদের প্রাণ হাতে নিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুলিসকর্মীদের একাংশ পণ্যবাহী গাড়ি থেকে টাকা তুলছে। তা ফাঁকি দিয়ে ট্রাক্টর ও লরি পালানোর চেষ্টা করায় দুর্ঘটনা ঘটছে।
আইএনটিইউসি নেতা রজত দীক্ষিত বলেন, ডিএসপি টাউনশিপের প্রতিটি রাস্তা ভেঙে চৌচির হয়ে গিয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্করোড দিয়ে হাজার হাজার শ্রমিক যাতায়াত করেন। আমরা বাইপাস রাস্তা করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আর্জি জানালেও তারা জেলা প্রশাসনের উপর দায়িত্ব ঠেলে দিচ্ছে। সিটু নেতা বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু হওয়ায় শ্রমিকরা পড়িমরি করে লিঙ্করোড ধরে কারখানায় আসেন। রাস্তা অত্যন্ত খারাপ থাকায় প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটছে। বাইপাস রাস্তা নির্মাণ নিয়েও কর্তৃপক্ষ উদাসীন।
দুর্গাপুরের এসিপি(ট্রাফিক) রাজকুমার মালাকার বলেন, যে অভিযোগ উঠেছে তা নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। বিকল্প রাস্তা না থাকায় আমরা এই রাস্তার উপর পণ্য পরিবহণ বন্ধ করতে পারছি না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই রাস্তার উপর শুধুমাত্র রাতে ট্রাক্টর যাতায়াত করবে।
শনিবার লিঙ্ক রোডে দুর্ঘটনায় এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। তাঁর স্বামী ও সন্তান গুরুতর জখম হয়েছেন। দুর্ঘটনার পরই এলাকা অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। বারবার দুর্ঘটনার পিছনে কেন্দ্রীয় সংস্থার বাইপাস তৈরি নিয়ে টালবাহানাকে দায়ী করেছেন অনেকে। উল্লেখ্য, ডিএসপি মেন রোড থেকে কনিষ্ক মোড় পর্যন্ত রাস্তাটিই লিঙ্ক রোড নামে পরিচিত। সেখানে টাউনশিপের সমস্ত রাস্তা মিশেছে। সেই রাস্তা দিয়ে শ্রমিকরা কারখানায় ঢোকেন। লিঙ্করোডের দু’পাশজুড়ে গজিয়ে উঠছে ফ্ল্যাট, বিশাল অট্টালিকা। তাই ডিএসপির শ্রমিকদের জন্য শুধু লিঙ্ক রোড ব্যবহার করতে চাইলে এলাকাবাসীর জন্য বিকল্প রাস্তার ব্যবস্থা করতে হবে। শুধু বাসিন্দারাই নয়, এই রাস্তার উপর দিয়ে বহু কারখানার সামগ্রী পরিবহণ হয়। তাই ডিএসপি কর্তৃপক্ষ চাইলেও বিকল্প রাস্তা না থাকায় ভারী যান চলাচল নিষিদ্ধ করতে পারছে না প্রশাসন। এই অবস্থায় সাধারণ মানুষ থেকে শ্রমিকদের প্রাণ হাতে নিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, পুলিসকর্মীদের একাংশ পণ্যবাহী গাড়ি থেকে টাকা তুলছে। তা ফাঁকি দিয়ে ট্রাক্টর ও লরি পালানোর চেষ্টা করায় দুর্ঘটনা ঘটছে।
আইএনটিইউসি নেতা রজত দীক্ষিত বলেন, ডিএসপি টাউনশিপের প্রতিটি রাস্তা ভেঙে চৌচির হয়ে গিয়েছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লিঙ্করোড দিয়ে হাজার হাজার শ্রমিক যাতায়াত করেন। আমরা বাইপাস রাস্তা করার জন্য কর্তৃপক্ষের কাছে আর্জি জানালেও তারা জেলা প্রশাসনের উপর দায়িত্ব ঠেলে দিচ্ছে। সিটু নেতা বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, বায়োমেট্রিক হাজিরা চালু হওয়ায় শ্রমিকরা পড়িমরি করে লিঙ্করোড ধরে কারখানায় আসেন। রাস্তা অত্যন্ত খারাপ থাকায় প্রায়শই দুর্ঘটনা ঘটছে। বাইপাস রাস্তা নির্মাণ নিয়েও কর্তৃপক্ষ উদাসীন।
দুর্গাপুরের এসিপি(ট্রাফিক) রাজকুমার মালাকার বলেন, যে অভিযোগ উঠেছে তা নিয়ে আমরা তদন্ত করছি। বিকল্প রাস্তা না থাকায় আমরা এই রাস্তার উপর পণ্য পরিবহণ বন্ধ করতে পারছি না। আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই রাস্তার উপর শুধুমাত্র রাতে ট্রাক্টর যাতায়াত করবে।



