Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মার্কেট কমপ্লেক্সের স্টলের ভাড়া বকেয়া কয়েক লক্ষ টাকা

মার্কেট কমপ্লেক্সের স্টলের ভাড়া বকেয়া কয়েক লক্ষ টাকা
  • ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: মার্কেট কমপ্লেক্সের ভাড়া বকেয়া কয়েক লক্ষ টাকা। আয়ে ঘাটতি হওয়ায় এবার ৩১ মার্চের মধ্যে স্টলের ভাড়া মেটাতে ব্যবসায়ীদের নোটিস দিল দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা পরিষদ। 
Advertisement
জেলার কুশমণ্ডি ওল্ড মার্কেট, কুমারগঞ্জ, করদহ, হিলি বালুপাড়া ট্রাক টার্মিনাস, পতিরাম, কুশমণ্ডি, মহিপাল, গঙ্গারামপুর ও হরিরামপুর মার্কেট কমপ্লেক্সের অধিকাংশ ব্যবসায়ীরা ভাড়া দিচ্ছে না বলে অভিযোগ। বকেয়া ভাড়ার পরিমাণ প্রায় ৫০ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। কুশমণ্ডি জেলা পরিষদ মার্কেটে প্রত্যেকটি স্টলে নোটিস দিলেও সেসব ছিঁড়ে দেওয়া হচ্ছে। ওই মার্কেটে কিছু প্রভাবশালীর মদতেই একাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ। জেলা পরিষদের অধিকাংশ মার্কেটের স্টল বন্ধ থাকে। কোথাও আবার জেলা পরিষদকে অন্ধকারে রেখে স্টল  হস্তান্তর পর্যন্ত হয়ে গিয়েছে। এক কথায় ভাড়া না দিয়ে জবরদখল করে রাখা হয়েছে স্টলগুলি। একাধিকবার নোটিস জারি করেও বকেয়া আদায় করতে পারছে না জেলা পরিষদ। জেলা পরিষদের সহকারি সভাধিপতি অম্বরীষ সরকার বলেন, আমাদের স্থায়ী সমিতির মিটিং করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বকেয়া আদায় করা হবে। যেসব ব্যবসায়ীরা দীর্ঘদিন জেলা পরিষদের স্টল আটকে রেখে ভাড়া দিচ্ছেন না, তাঁদের নোটিস দিয়ে ৩১ মার্চের মধ্যে ভাড়া মেটাতে বলা হয়েছে। অবশ্য কিছু স্টলের মালিক নিয়মিত ভাড়া দেন। জেলা পরিষদের আয়ের একটা বড় অংশ মার্কেটের ভাড়া থেকে আসে। বকেয়া আদায় হলে উন্নয়নের কাজ করতে পারব।
মার্কেটের ঘর বন্ধ করে রাখা ও হস্তান্তরের বিষয়টি মার্চের পর দেখা হবে বলে জানিয়েছেন অম্বরীষ। পরিকাঠামো নিয়ে সমস্যা থাকলে স্টল মালিকরা জেলা পরিষদে জানাতে পারবেন। তবে তার আগে ভাড়া পরিশোধ করতে হবে। কুশমণ্ডির জেলা পরিষদ মার্কেটের হোটেল ব্যবসায়ী অনিল ভৌমিকের কথায়,  আমার স্টলের মাসিক ভাড়া ২১০ টাকা। এখন বকেয়া হয়ে গিয়েছে প্রায় ৯ হাজার টাকা। মার্কেটের পরিকাঠামোর অনেক সমস্যা থাকায় ভাড়া দিইনি। ঠিক হলে কিস্তিতে ভাড়া মিটিয়ে দেব।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ