নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: মুরগির মাংসের দোকানের আড়ালে রমরমিয়ে চলছিল মাদক কারবার। প্যাডলার নিয়োগ করে উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন শহরে কখনও ব্রাউন সুগার, কখনও নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ, কখনও পাচার করা হচ্ছিল নেশার ট্যাবলেট। অবশেষে অভিযান চালিয়ে চক্রের মাথা, কুখ্যাত মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করল পুলিস। ধৃতের নাম রাজু ছেত্রী। শনিবার রাতে জলপাইগুড়ি শহরের অরবিন্দনগরের বাড়িতে হানা দিয়ে তাকে পাকড়াও করে পুলিস। তার বাড়ি থেকে বাজেয়াপ্ত হয়েছে লক্ষাধিক টাকার নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ। জেলার পুলিস সুপার খণ্ডবাহালে উমেশ গণপত বলেন, জলপাইগুড়ি শহর থেকে এক মাদক কারবারিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তার বাড়ি থেকে প্রচুর নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ মিলেছে। হেফাজতে নিয়ে ধৃতকে জেরা করা হবে।
Advertisement
পুলিস জানিয়েছে, রাজু ছেত্রীর আসল বাড়ি অসমে। কয়েক বছর ধরে সে জলপাইগুড়ির অরবিন্দনগরে থাকে। এর আগে ডাকাতির ঘটনায় জেলে ছিল। তার বিরুদ্ধে দার্জিলিং জেলার একাধিক থানায় মাদক পাচার ও কারবারের মামলা রয়েছে। সেসবের জন্য ধরা পড়ে জেলও খেটেছে। মাস খানেক আগে জেল থেকে ছাড়া পায় সে। তারপরই নতুন প্যাডলার নিয়োগ করে মাদকের কারবার শুরু করে।
জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার আইসি সঞ্জয় দত্ত বলেন, রাজু ছেত্রী নামে ধৃত ব্যক্তি মুরগির মাংসের দোকানের আড়ালে মাদকের কারবার চালাত। এই কারবারের জন্য জলপাইগুড়ি শহরে বেশকিছু প্যাডলার নিয়োগ করেছিল সে। যারা খদ্দেরদের কাছে ব্রাউন সুগার পৌঁছে দিত। কখনও আবার নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ বিক্রি করত।
কয়েকমাস ধরে জলপাইগুড়িতে মাদকের রমরমা বেড়েছে বলে অভিযোগ। মাদক বিক্রি ও নেশা করা নিয়ে কয়েকটি অশান্তি, মারধরের ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি এমন, দুর্গাপুজোর সময় জলপাইগুড়ি স্টেশন লাগোয়া এলাকায় মাদকাসক্তদের হাতে দু’জন সরকারি কর্মী আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। মাদক নিয়ে গণ্ডগোলের জেরে শহরে ছুরি নিয়ে আক্রমণের ঘটনাও ঘটে সম্প্রতি। পরিস্থিতি বুঝে শহরে কালীপুজোর সমস্ত মণ্ডপে মাদক বিরোধী প্রচারের নির্দেশ দেন জলপাইগুড়ি সদরের মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী।
যদিও পুলিস সুপারের দাবি, মাদকের বিরুদ্ধে জলপাইগুড়ি পুলিস বিশেষ সতর্ক। নিয়মিত অভিযান চলছে। রাতে নদীর পাড়ে, পার্কে হানা দিচ্ছে পুলিসের উইনার্স টিম ও পিঙ্ক পুলিস বাহিনী। পুলিস যে কাজ করছে, তার প্রমাণ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার।
জলপাইগুড়ি কোতোয়ালি থানার আইসি সঞ্জয় দত্ত বলেন, রাজু ছেত্রী নামে ধৃত ব্যক্তি মুরগির মাংসের দোকানের আড়ালে মাদকের কারবার চালাত। এই কারবারের জন্য জলপাইগুড়ি শহরে বেশকিছু প্যাডলার নিয়োগ করেছিল সে। যারা খদ্দেরদের কাছে ব্রাউন সুগার পৌঁছে দিত। কখনও আবার নিষিদ্ধ কাফ সিরাপ বিক্রি করত।
কয়েকমাস ধরে জলপাইগুড়িতে মাদকের রমরমা বেড়েছে বলে অভিযোগ। মাদক বিক্রি ও নেশা করা নিয়ে কয়েকটি অশান্তি, মারধরের ঘটনাও ঘটেছে। পরিস্থিতি এমন, দুর্গাপুজোর সময় জলপাইগুড়ি স্টেশন লাগোয়া এলাকায় মাদকাসক্তদের হাতে দু’জন সরকারি কর্মী আক্রান্ত হন বলে অভিযোগ। মাদক নিয়ে গণ্ডগোলের জেরে শহরে ছুরি নিয়ে আক্রমণের ঘটনাও ঘটে সম্প্রতি। পরিস্থিতি বুঝে শহরে কালীপুজোর সমস্ত মণ্ডপে মাদক বিরোধী প্রচারের নির্দেশ দেন জলপাইগুড়ি সদরের মহকুমা শাসক তমোজিৎ চক্রবর্তী।
যদিও পুলিস সুপারের দাবি, মাদকের বিরুদ্ধে জলপাইগুড়ি পুলিস বিশেষ সতর্ক। নিয়মিত অভিযান চলছে। রাতে নদীর পাড়ে, পার্কে হানা দিচ্ছে পুলিসের উইনার্স টিম ও পিঙ্ক পুলিস বাহিনী। পুলিস যে কাজ করছে, তার প্রমাণ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার।



