সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: মোরগ লড়াইকে কেন্দ্র করে পুরুলিয়া জেলাজুড়ে বসছে জুয়ার আসর। লড়াইয়ে নামানো মোরগকে নিয়ে বাজি ধরছেন দর্শকরা। কয়েক মিনিটের মধ্যেই কেউ লাভের মুখ দেখছেন। কেউ আবার সর্বস্বান্ত হয়ে বাড়ি ফিরছে। কোথাও কোথাও আবার জুয়াকে কেন্দ্র করে ঝামেলাও হচ্ছে বলে অভিযোগ।
Advertisement
শীতের মরশুমে পুরুলিয়া জেলার শহর লাগোয়া এলাকা থেকে শুরু করে দূর দূরান্তের গ্রামাঞ্চল এলাকায় বসছে একের পর এক মোরগ লড়াইয়ের আসর। আশপাশের এলাকা ছাড়িয়ে গাড়ি ভাড়া করেও অনেকেই মোরগ লড়াইয়ের আসরে আসছেন। তবে মোরগ লড়াইয়ের নেশায় আসার পাশাপাশি সম্প্রতি জুয়ার নেশাতেও লড়াইয়ের আসরগুলিতে ভিড় জমাচ্ছেন বহু মানুষ। কেউ মোরগ লড়াই শুরুর আগেই নির্দিষ্ট মোরগে বাজি ধরছেন। কোথাও বাজির পরিমাণ ৫০০০ টাকা, কোথাও আবার ৫০ হাজারও ছাড়িয়ে যায়। পুরুলিয়া শহর লাগোয়া একটি লড়াইয়ের আসরে বাজির পরিমাণ লাখ টাকা ছাড়িয়ে ছিল।
মোরগ নিয়ে নিয়মিত লড়াইয়ে যাওয়া পুরুলিয়া শহরের এক বাসিন্দা বলেন, প্রায় দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে মোরগ লড়াইয়ের আসরে যাচ্ছি। আগে শুধুমাত্র মোরগ নিয়ে গিয়ে লড়াইয়ে নামিয়ে হারজিত নিয়ে সকলে মজা পেতেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পাল্টে গিয়েছে। মোরগ আসরে নামতেই ঘেরার বাইরের দর্শকেরা বাজি লাগাতে শুরু করে। একদম কম পরিমাণে টাকা থেকে শুরু করে কয়েক হাজার টাকারও বাজি ধরে তাঁরা। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দর্শকরাই বাজি ধরে। এক্ষেত্রে আয়োজক কমিটির বিশেষ কোনও ভূমিকা থাকে না।
পুরুলিয়া শহর লাগোয়া একটি বড় মোরগ লড়াই কমিটির সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি জানান, দর্শকরাই বাজি ধরেন। কোন রঙের মোরগ জিতবে তা নিয়ে বাজি ধরা হয়। প্রথমদিকে ৫০ থেকে ১০০ টাকার বাজি ধরা হতো। তবে এখন মোরগ লড়াইয়ের আসরে কয়েক হাজার টাকার বাজি ধরা হয়। তবে সব মিলিয়ে বাজির পরিমাণ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যায়। অনেকেই শুধুমাত্র বাজি লাগানোর নেশায় মোরগ লড়াই দেখতে আসেন। গোটা প্রক্রিয়ায় কমিটির বিশেষ কোনও ভূমিকাই থাকে না। দর্শকরা কে-কার সঙ্গে বাজি ধরলেন তা বোঝা মুশকিল। তিনি আরও বলেন, মোরগ লড়াইয়ের আসর থেকে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়ে বাড়ি ফিরছে। লড়াইয়ের আসরগুলিতে জুয়ার পরিমাণ দিনদিন বাড়ছে।
জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, কোনও কমিটি জুয়ার আয়োজন করলে তা বন্ধ করা অনেক সহজ। কিন্তু মোরগ লড়াইয়ের আসরে কে-কার সঙ্গে বাজি ধরছে তা পুলিশের পক্ষে জানা সম্ভব নয়। তাছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনও অনুমতি ছাড়াই মোরগ লড়াইয়ের আয়োজন করা হয়।
মোরগ নিয়ে নিয়মিত লড়াইয়ে যাওয়া পুরুলিয়া শহরের এক বাসিন্দা বলেন, প্রায় দু’দশকেরও বেশি সময় ধরে মোরগ লড়াইয়ের আসরে যাচ্ছি। আগে শুধুমাত্র মোরগ নিয়ে গিয়ে লড়াইয়ে নামিয়ে হারজিত নিয়ে সকলে মজা পেতেন। কিন্তু এখন পরিস্থিতি পাল্টে গিয়েছে। মোরগ আসরে নামতেই ঘেরার বাইরের দর্শকেরা বাজি লাগাতে শুরু করে। একদম কম পরিমাণে টাকা থেকে শুরু করে কয়েক হাজার টাকারও বাজি ধরে তাঁরা। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে দর্শকরাই বাজি ধরে। এক্ষেত্রে আয়োজক কমিটির বিশেষ কোনও ভূমিকা থাকে না।
পুরুলিয়া শহর লাগোয়া একটি বড় মোরগ লড়াই কমিটির সঙ্গে যুক্ত এক ব্যক্তি জানান, দর্শকরাই বাজি ধরেন। কোন রঙের মোরগ জিতবে তা নিয়ে বাজি ধরা হয়। প্রথমদিকে ৫০ থেকে ১০০ টাকার বাজি ধরা হতো। তবে এখন মোরগ লড়াইয়ের আসরে কয়েক হাজার টাকার বাজি ধরা হয়। তবে সব মিলিয়ে বাজির পরিমাণ লক্ষ টাকা ছাড়িয়ে যায়। অনেকেই শুধুমাত্র বাজি লাগানোর নেশায় মোরগ লড়াই দেখতে আসেন। গোটা প্রক্রিয়ায় কমিটির বিশেষ কোনও ভূমিকাই থাকে না। দর্শকরা কে-কার সঙ্গে বাজি ধরলেন তা বোঝা মুশকিল। তিনি আরও বলেন, মোরগ লড়াইয়ের আসর থেকে অনেকেই সর্বস্বান্ত হয়ে বাড়ি ফিরছে। লড়াইয়ের আসরগুলিতে জুয়ার পরিমাণ দিনদিন বাড়ছে।
জেলা পুলিশের এক আধিকারিক জানান, কোনও কমিটি জুয়ার আয়োজন করলে তা বন্ধ করা অনেক সহজ। কিন্তু মোরগ লড়াইয়ের আসরে কে-কার সঙ্গে বাজি ধরছে তা পুলিশের পক্ষে জানা সম্ভব নয়। তাছাড়া অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কোনও অনুমতি ছাড়াই মোরগ লড়াইয়ের আয়োজন করা হয়।



