সংবাদদাতা, আলিপুরদুয়ার: আগামী বছরের ৫ ও ৬ মার্চ জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানে গন্ডার গণনা হবে। তারজন্য এখন থেকেই সেই প্রস্ততির কাজ শুরু করে দিয়েছে বনদপ্তর। গত ২০২২ সালে জলদাপাড়ায় শেষবারের মতো গন্ডার গণনা হয়েছিল। সেই গণনায় জলদাপাড়ায় ২৯২টি গন্ডারের হদিশ মিলেছিল। এবারের গণনায় জলদাপাড়ায় গন্ডারের সংখ্যা ট্রিপল সেঞ্চুরি পেরিয়ে যাবে বলেই মনে করছেন বনদপ্তরের কর্তারা।
Advertisement
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের ডিএফও প্রবীণ কাসোয়ান মঙ্গলবার বলেন, আগামী ৫ ও ৬ মার্চ গন্ডার গণনা হবে। বনকর্মী, গন্ডার বিশেষজ্ঞ, প্রকৃতিপ্রেমী সংগঠনের সদস্যরা এই গণনার কাজে অংশ নেবেন। দুই শতাধিক লোককে এই কাজে যুক্ত করা হচ্ছে।
বনদপ্তর জানিয়েছে, এবার সরাসরি দেখার ভিত্তিতে গন্ডার গণনার কাজ হবে। গণনার কাজে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। যার মধ্যে থাকবে জিপিএস সক্ষম ডিভাইস, জিআইএস ভিত্তিক মানচিত্র এবং ডিজিটাল ডেটা রেকর্ডিং। এবারের গন্ডার গণনায় জাতীয় উদ্যানের একেবারে দুর্গম লম্বা লম্বা ঘাসে ঢাকা এলাকাগুলিকেও কভার করা হবে।গন্ডার গণনার আগে এবার গন্ডার গণনাকারীদের দু’দিনের প্রশিক্ষণও দেবে বনদপ্তর। এই প্রশিক্ষণ হবে আগামী ৩ এবং ৪ মার্চ। এবারের গণনায় জলদাপাড়ায় গন্ডারের সংখ্যা তিনশো ছাড়িয়ে যেতে পারে। ফলে দেশের এই জাতীয় উদ্যানে স্বাভাবিকভাবেই গন্ডারের চাপ যে আরও বেড়ে যাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বনকর্তারাও সেটা মানছেন।
জলদাপাড়ায় একশৃঙ্গ গন্ডারের এই চাপ কমাতেই কোচবিহারের পাতলাখাওয়ায় রসমতী বনাঞ্চলে গন্ডারের দ্বিতীয় আবাসস্থল গড়তে একটি পাইলট প্রজেক্টের কাজ শুরু করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে বনদপ্তরের সেই প্রজেক্ট মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। যদিও বনদপ্তর বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের নিমাতির জঙ্গলে গন্ডারের আবাসস্থল গড়তে উদ্যোগী হয়েছে। তারজন্য নিমাতির জঙ্গলে গত একবছর ধরে প্রায় ২৫ হেক্টর জমিতে বনদপ্তর গ্রাসল্যান্ড তৈরির কাজও শুরু করে দিয়েছে।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের সহকারী বন্যপ্রাণী সংরক্ষক নভোজিৎ দে বলেন, নিমাতির জঙ্গলে গ্রাসল্যান্ড তৈরির কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে প্রথম দিকে সেখানে তিন-চারটি গন্ডার ছাড়া হবে পরীক্ষামূলকভাবে। তারপর পরিস্থিতি বুঝে পরের ধাপে নিমাতির জঙ্গলে গন্ডার ছাড়া হতে পারে।
বনদপ্তর জানিয়েছে, এবার সরাসরি দেখার ভিত্তিতে গন্ডার গণনার কাজ হবে। গণনার কাজে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। যার মধ্যে থাকবে জিপিএস সক্ষম ডিভাইস, জিআইএস ভিত্তিক মানচিত্র এবং ডিজিটাল ডেটা রেকর্ডিং। এবারের গন্ডার গণনায় জাতীয় উদ্যানের একেবারে দুর্গম লম্বা লম্বা ঘাসে ঢাকা এলাকাগুলিকেও কভার করা হবে।গন্ডার গণনার আগে এবার গন্ডার গণনাকারীদের দু’দিনের প্রশিক্ষণও দেবে বনদপ্তর। এই প্রশিক্ষণ হবে আগামী ৩ এবং ৪ মার্চ। এবারের গণনায় জলদাপাড়ায় গন্ডারের সংখ্যা তিনশো ছাড়িয়ে যেতে পারে। ফলে দেশের এই জাতীয় উদ্যানে স্বাভাবিকভাবেই গন্ডারের চাপ যে আরও বেড়ে যাবে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। বনকর্তারাও সেটা মানছেন।
জলদাপাড়ায় একশৃঙ্গ গন্ডারের এই চাপ কমাতেই কোচবিহারের পাতলাখাওয়ায় রসমতী বনাঞ্চলে গন্ডারের দ্বিতীয় আবাসস্থল গড়তে একটি পাইলট প্রজেক্টের কাজ শুরু করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমানে বনদপ্তরের সেই প্রজেক্ট মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। যদিও বনদপ্তর বক্সা ব্যাঘ্র প্রকল্পের নিমাতির জঙ্গলে গন্ডারের আবাসস্থল গড়তে উদ্যোগী হয়েছে। তারজন্য নিমাতির জঙ্গলে গত একবছর ধরে প্রায় ২৫ হেক্টর জমিতে বনদপ্তর গ্রাসল্যান্ড তৈরির কাজও শুরু করে দিয়েছে।
জলদাপাড়া জাতীয় উদ্যানের সহকারী বন্যপ্রাণী সংরক্ষক নভোজিৎ দে বলেন, নিমাতির জঙ্গলে গ্রাসল্যান্ড তৈরির কাজ চলছে। কাজ শেষ হলে প্রথম দিকে সেখানে তিন-চারটি গন্ডার ছাড়া হবে পরীক্ষামূলকভাবে। তারপর পরিস্থিতি বুঝে পরের ধাপে নিমাতির জঙ্গলে গন্ডার ছাড়া হতে পারে।



