সংবাদদাতা, নবদ্বীপ: মায়াপুরে পর্যটকদের সুলভে সুখাদ্যের জোগান দিয়ে নাম কিনেছে মহিলা পরিচালিত হোটেল ‘খাদ্য ছায়া’। হোটেলটি চালান স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর মহিলারা। ‘খাদ্য ছায়া’ আজ রাজ্যের নারী প্রগতির এক অনন্য উদাহরণ।
Advertisement
২০২৩ সালে মায়াপুর-বামুনপুকুর ২ নম্বর পঞ্চায়েতের হুলোর ঘাটে ‘খাদ্য ছায়া’-র ভার্চুয়াল উদ্বোধন করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সরকার থেকে স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের থালা, গ্লাস, কড়াই, বাসনপত্র, এমনকী গ্যাস ওভেন, মাইক্রোওয়েভ ওভেন, ফ্রিজ, চেয়ার টেবিল দেওয়া হয়। নবদ্বীপ পঞ্চায়েত সমিতি থেকে নির্মাণ করে দেওয়া হয় হোটেলের ঘর। বর্তমানে ১৩ জন মহিলা এই গোষ্ঠীটি চালান। তাঁদের স্বামীরা কেউ শ্রমজীবী, কেউ টোটো চালক, কেউবা রিকশ চালান, কেউ রাস্তায় পাশে ফুটপাতে দোকান পেতে পুতুল বিক্রি করেন, কারও স্বামী অসুস্থ। সেইসব দুঃস্থ মহিলারাই এই স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীর সঙ্গে যুক্ত হয়ে স্বনির্ভর হয়ে উঠেছেন। সেইসঙ্গে স্থানীয় কিছু মহিলাকেও কাজে নেওয়া হয়েছে।
প্রাতরাশে রুটি-সব্জি থেকে দুপুর ও রাতে ভাত, ডাল, সব্জি, মাছ ও মাংস। সারা বছর কম বেশি বিক্রিবাটা চললেও শীতে পর্যটনের ভরা মরশুমে ক্রেতার ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় গোষ্ঠীর মহিলাদের। এছাড়াও ঝুলনযাত্রা, দোল উৎসব সহ বিভিন্ন উৎসবের সময় খাবারের জন্য লাইন পড়ে যায়। তার অন্যতম কারণ, মায়াপুরের অন্যান্য হোটেলের থেকে ‘খাদ্য ছায়া’-তে খাবারের দাম অনেকটাই কম। মায়াপুরের বেশ কিছু আবাসিক হোটেল থেকেও খাদ্য ছায়ায় প্রতিদিন অর্ডার আসে। প্রতিদিন রাতে মহিলারা প্রাপ্য মজুরি নিজেদের মধ্যে বন্টন করে নেন।
ওই গোষ্ঠীর কোষাধ্যক্ষ সুলতা বর্মন বলেন, আমাদের মল্লিকা স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীটি এই খাবারের হোটেল চালাচ্ছি ২০২৩ সাল থেকে। তিনবেলা আমিষ, নিরামিষ খাবার সুলভে বিক্রি করে থাকি। খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য শুধুমাত্র একজন পুরুষ কর্মীকে রাখা হয়েছে। এখানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মহিলারা শিফটিং ডিউটি করি। এখানে আমরা খাওয়া-দাওয়া করি, তারপরে যা পারিশ্রমিক পাই তাতে সংসার চলে যায়। গোষ্ঠীর এক সদস্যা স্বরূপগঞ্জের বাসিন্দা চন্দনা দেবনাথ বলেন, আমরা মহিলারাই এখানে সব ধরনের কাজ করি। রান্না করা, বাজার করা, খাবার পরিবেশন হিসেব-নিকেশ সব। কৃষ্ণনগর সদরের মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী বলেন, এটা আনন্দধারার একটা ভালো উদ্যোগ। মহিলারা স্বনির্ভর হচ্ছেন। সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষও সুলভে সুখাদ্য পাচ্ছেন।
প্রাতরাশে রুটি-সব্জি থেকে দুপুর ও রাতে ভাত, ডাল, সব্জি, মাছ ও মাংস। সারা বছর কম বেশি বিক্রিবাটা চললেও শীতে পর্যটনের ভরা মরশুমে ক্রেতার ভিড় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হয় গোষ্ঠীর মহিলাদের। এছাড়াও ঝুলনযাত্রা, দোল উৎসব সহ বিভিন্ন উৎসবের সময় খাবারের জন্য লাইন পড়ে যায়। তার অন্যতম কারণ, মায়াপুরের অন্যান্য হোটেলের থেকে ‘খাদ্য ছায়া’-তে খাবারের দাম অনেকটাই কম। মায়াপুরের বেশ কিছু আবাসিক হোটেল থেকেও খাদ্য ছায়ায় প্রতিদিন অর্ডার আসে। প্রতিদিন রাতে মহিলারা প্রাপ্য মজুরি নিজেদের মধ্যে বন্টন করে নেন।
ওই গোষ্ঠীর কোষাধ্যক্ষ সুলতা বর্মন বলেন, আমাদের মল্লিকা স্বয়ম্ভর গোষ্ঠীটি এই খাবারের হোটেল চালাচ্ছি ২০২৩ সাল থেকে। তিনবেলা আমিষ, নিরামিষ খাবার সুলভে বিক্রি করে থাকি। খাবার পৌঁছে দেওয়ার জন্য শুধুমাত্র একজন পুরুষ কর্মীকে রাখা হয়েছে। এখানে সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মহিলারা শিফটিং ডিউটি করি। এখানে আমরা খাওয়া-দাওয়া করি, তারপরে যা পারিশ্রমিক পাই তাতে সংসার চলে যায়। গোষ্ঠীর এক সদস্যা স্বরূপগঞ্জের বাসিন্দা চন্দনা দেবনাথ বলেন, আমরা মহিলারাই এখানে সব ধরনের কাজ করি। রান্না করা, বাজার করা, খাবার পরিবেশন হিসেব-নিকেশ সব। কৃষ্ণনগর সদরের মহকুমা শাসক শারদ্বতী চৌধুরী বলেন, এটা আনন্দধারার একটা ভালো উদ্যোগ। মহিলারা স্বনির্ভর হচ্ছেন। সরকারি প্রকল্পের মাধ্যমে সাধারণ মানুষও সুলভে সুখাদ্য পাচ্ছেন।



