Bartaman Logo
৩০ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পুরসভায় ‘দুর্নীতির পাহাড়’! সিবিআই তদন্ত দাবি বিধায়কের

তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত বারাসত পুরসভায় ‘পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি’র অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়।

পুরসভায় ‘দুর্নীতির পাহাড়’!  সিবিআই তদন্ত দাবি বিধায়কের
  • ৩০ মে, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত বারাসত পুরসভায় ‘পাহাড়প্রমাণ দুর্নীতি’র অভিযোগ তুলে সিবিআই তদন্তের দাবি জানালেন বিজেপি বিধায়ক শংকর চট্টোপাধ্যায়। তাঁর অভিযোগ, পুরসভার প্রতিটি স্তরেই অনিয়মের জাল ছড়িয়ে আছে। শুক্রবার দুপুরে আচমকাই তিনি বারাসত পুরসভায় উপস্থিত হন। পুরসভার চেয়ারম্যানের সাক্ষাৎ না করেই তিনি এগজিকিউটিভ অফিসারের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। প্রায় দেড় ঘণ্টা ধরে চলে সেই বৈঠক। নাগরিক পরিষেবা, বিল্ডিং প্ল্যান অনুমোদন, বিভিন্ন বিভাগের কাজকর্ম এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতা নিয়ে একাধিক প্রশ্ন ওঠে। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিধায়ক বলেন, ‘পুরসভা এখন দুর্নীতির পাহাড়চূড়ায় বসে আছে। কোনো ক্ষেত্রেই নিয়ম মানা হচ্ছে না। বিল্ডিং প্ল্যান থেকে শুরু করে প্রতিটি বিভাগে অনিয়ম চলছে। এই দুর্নীতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। পরিকল্পিত ও সুসংগঠিত। দুর্নীতির জাল এতটাই গভীর যে নিরপেক্ষ তদন্ত ছাড়া সত্য বেরিয়ে আসবে না। তাই প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতির শিকড়ে পৌঁছতে সিবিআই তদন্ত প্রয়োজন।’ বিধায়ক আসার আগে থেকেই চেয়ারম্যান সুনীল মুখোপাধ্যায় পুরসভায় তাঁর অফিসে হাজির ছিলেন। কিন্তু তাঁর সঙ্গে বিধায়কের কোনো বৈঠক হয়নি। চেয়ারম্যান সুনীলবাবু বলেন, ‘উনি এলে সরাসরি কথা বলা যেত। কোথায় কী অনিয়ম হয়েছে, সেটা আলোচনা করে বোঝা যেত।’ বারাসত পুরসভার নিজস্ব ডাম্পিং গ্রাউন্ড প্রকল্প সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ কাজ আটকে রয়েছে বলেও জানান তিনি। 

Advertisement

এদিকে, পুরসভার ভিতরের পরিস্থিতি নিয়েও বাড়ছে চাপ। একাধিক কাউন্সিলার ও চেয়ারম্যান-ইন-কাউন্সিল দীর্ঘদিন ধরে গরহাজির। তার উপর পূর্ত বিভাগের সিআইসি অরুণ ভৌমিক গ্রেপ্তার হয়েছেন। তারপর থেকে পুরসভার অভ্যন্তরীণ কাজকর্মে একপ্রকার অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। ধাক্কা খাচ্ছে নাগরিক পরিষেবাও। শহরের বিভিন্ন এলাকায় আবর্জনা জমে থাকা, রাস্তাঘাটে পরিচ্ছন্নতার অভাব প্রকট হচ্ছে। এই বিষয়গুলি নিয়েও পুরসভার এগজিকিউটিভ অফিসারের সঙ্গে আলোচনা করেন বিধায়ক। 

সম্পর্কিত সংবাদ