সুকান্ত বেরা, কলকাতা: প্র: মঙ্গলবার ৫৩-তে পা দিচ্ছেন। স্পেশ্যাল কিছু?
সুকান্ত বেরা, কলকাতা: প্র: মঙ্গলবার ৫৩-তে পা দিচ্ছেন। স্পেশ্যাল কিছু?
সৌরভ: স্পেশ্যাল কিছু নেই। গতবার ইংল্যান্ডে ছিলাম সানার সঙ্গে। এবার জন্মদিনে নিজের শহরে থাকতে পেরে ভালোই লাগছে। সকলের সঙ্গে কাটাব। খাওয়াদাওয়ায় এখন অনেক বিধিনেষধ। মায়ের হাতে পায়েসই সেরা উপহার।
প্র: টিম ইন্ডিয়ার এই ঐতিহাসিক জয় নিয়ে কী বলবেন?
সৌরভ: অবিশ্বাস্য। ব্যাটিং, বোলিং— সব বিভাগেই ইংল্যান্ডকে টেক্কা দিল ভারত। পিছিয়ে পড়েও প্রতিপক্ষকে দুরমুশ করার তৃপ্তি অন্যরকম।
প্র: প্রথম ইনিংসে ২৬৯। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৬১। গিলকে নিয়ে কী বলবেন?
সৌরভ: তিন দশকের বেশি সময় ধরে খেলেছি, খেলা দেখেছি। ইংল্যান্ডের মাটিতে আমার দেখা সেরা অন্যতম ইনিংস। কোনও খুঁত খুঁজে পাইনি। শট চয়ন, টেম্পারামেন্ট অসধারণ। দেখে মনে হচ্ছিল, শুভমান বড় রান করার জন্য সংকল্পবদ্ধ। এটা ভাবতে অবাক লাগে, গিলের ব্যাটিং গড় পঞ্চাশের নীচে। এই ইনিংসগুলো ওর খুবই দরকার ছিল।
প্র: আকাশদীপ তো আপনারই প্রকল্প সিএবি’র ভিশন টোয়েন্টি-২০’র প্রোডাক্ট?
সৌরভ: শুধু আকাশ কেন, ঈশ্বরণ, মুকেশ ভিশনের প্রোডাক্ট। তবে আকাশ অনবদ্য বোলিং করেছে এজবাস্টনে। চোট সমস্যা সামলে নিতে পারলে অনেকদিন খেলবে। হাতে খুব ভালো সুইং আছে। পিচটাও দারুণভাবে ব্যবহার করে। দ্বিতীয় ইনিংসে জো রুটকে ও যে বলে বোল্ড করেছে, তা এক কথায় অনবদ্য। বিশ্বের যে কোনও ব্যাটার আউট হতে পারত।
প্র: ভারত-ইংল্যান্ড সিরিজের ফল কী হবে মনে হচ্ছে?
সৌরভ: এতক্ষণে তো ভারতের ২-০ লিড নেওয়া উচিত ছিল। হেডিংলেতে আমরা জয়ের সামনে থেকে ফিরে এসেছি। তবে এজবাস্টনে গিলদের কামব্যাক চাপে রাখবে ইংল্যান্ডকে। এখান থেকে স্টোকসদের ঘুরে দাঁড়ানো কঠিন। লর্ডসে বুমরাহ ফিরবে। যে ছন্দ দরকার ছিল, সেটা পেয়ে গিয়েছে টিম ইন্ডিয়া। সিরিজ জেতা উচিত গিলদেরই।
প্র: কোহলি-রোহিতের ভবিষ্যৎ নিয়ে কী বলবেন?
সৌরভ: কোহলি, রোহিতের অবদান ভোলার নয়। কিন্তু সব্বাইকে থামতে হয় একদিন। এটাই নিয়ম। আমাদের সময়ও তাই হয়েছে। গিল, ঋষভরা ওদের অভাব খুব দ্রুত পূরণ করে দিতে সফল।
প্র: আগামী সেপ্টেম্বরে সিএবি’র নির্বাচন। শোনা যাচ্ছে, সভাপতি পদে দাঁড়াবেন?
সৌরভ: এখনও কিছু ঠিক করিনি। সময় আছে। সকলের সঙ্গে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেব।