তিরুবনন্তপুরম: খেতের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয়েছিল শিশুকন্যার দেহ। কিন্তু, নামধাম জানা যায়নি। তদন্তে নামে কেরল পুলিশ। কেটে গিয়েছে তিনবছর। অবশেষে শিশু-মৃত্যুর রহস্যভেদ। তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন, ঘুমের মধ্যে হঠাৎই কেঁদে ওঠায় আটমাসের শিশুকে খুন করে মায়ের সঙ্গী। তারপর দেহ ফেলে দিয়ে পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় মৃতের মা’কে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ধৃতের নাম মঞ্জু। আরও দু’জনের খোঁজে তল্লাশি চলছে। ২০২৩ সালে দাম্পত্য কলহের কারণে স্বামীকে ছেড়ে শিশুকন্যাকে নিয়ে আলাপুঝায় চলে যান মঞ্জু। সেখানে শিবান নামে এক যুবকের সঙ্গে তাঁর আলাপ হয়। সন্তান সহ ওই যুবকের সঙ্গে চাঙ্গানাসেরিতে থাকতে শুরু করেন মহিলা। ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে এক রাতে ঘুমের মধ্যেই কাঁদতে শুরু করে শিশুটি। রেগে গিয়ে ঘাড় টিপে ধরেন শিবান। এর জেরে শিশুটির মৃত্যু হয়। দেহ লোপাট করতে ভাইকে ডেকে পাঠায় শিবান। সম্প্রতি পালাক্কাডে নিজের বাড়িতে ফিরে আসেন মঞ্জু। সকলেই মেয়ের ব্যাপারে জানতে চায়। কিন্তু, যথাযথ কোনো জবাব দিতে পারেননি। সন্দেহ হওয়ায় পুলিশে খবর দেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি। তদন্তকারীদের জেরায় ভেঙে পড়েন মহিলা। বিস্তারিতভাবে সবটা জানান। শিবান ও তাঁর ভাই শক্তির খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।



