Bartaman Logo
৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

ক্যাম্প থেকে এমএসএমইতে অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন আটশোর বেশি

হাওড়া জেলার বাসিন্দারা ক্ষুদ্র শিল্পের দিকে আরও বেশি করে ঝুঁকছেন। বিভাগের কর্তাদের দাবি, এমএসএমই ক্যাম্পের তথ্যই সেদিকে ইঙ্গিত করছে। ১০ নভেম্বর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে শিল্পের সমাধানে এমএসএমই ক্যাম্প।

ক্যাম্প থেকে এমএসএমইতে অন্তর্ভুক্তির জন্য আবেদন আটশোর বেশি
  • ১৮ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:১১
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, উলুবেড়িয়া: হাওড়া জেলার বাসিন্দারা ক্ষুদ্র শিল্পের দিকে আরও বেশি করে ঝুঁকছেন। বিভাগের কর্তাদের দাবি, এমএসএমই ক্যাম্পের তথ্যই সেদিকে ইঙ্গিত করছে। ১০ নভেম্বর থেকে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে শুরু হয়েছে শিল্পের সমাধানে এমএসএমই ক্যাম্প। হাওড়া জেলায় এখনও পর্যন্ত ক্যাম্পগুলি থেকে এমএসএমই-তে অন্তর্ভুক্তির জন্য ৮০০ জন আবেদন করেছেন। এর মধ্যে গত সপ্তাহে, ১০ থেকে ১৩ তারিখ পর্যন্ত, আমতা ২, বাগনান ১ ও ২, উলুবেড়িয়া ২ ব্লক ছাড়াও হাওড়া মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশন পাঁচটি এমন ক্যাম্প হয়েছে। এই ক্যাম্পগুলিতে ঋণের আবেদন জমা পড়েছে আড়াইশোর বেশি। এছাড়া দ্বিতীয় দফায় ১৪ তারিখ থেকে সাঁকরাইল, পাঁচলা, উলুবেড়িয়া ১ ব্লক ও উলুবেড়িয়া পুরসভা এলাকায় ক্যাম্প শুরু হয়েছে। সেই ক্যাম্পগুলিতে এখনও পর্যন্ত দেড়শোর বেশি ঋণের আবেদন জমা পড়েছে। সব মিলিয়ে এখনও পর্যন্ত ক্যাম্পগুলি থেকে প্রায় চারশো ঋণের আবেদন জমা পড়েছে। দপ্তরের আধিকারিকরা মনে করছেন, ২৮ তারিখের মধ্যে এই ঋণের আবেদন কয়েক হাজারে গিয়ে দাঁড়াবে।

Advertisement

কর্তাদের দাবি, গত দেড় বছরে ভবিষ্যৎ ক্রেডিট কার্ড প্রকল্পের মাধ্যমে প্রায় তিন হাজার ব্যক্তিকে ঋণ দেওয়া হযেছে। এমনকী ঋণ পাওয়ার পর তাঁদের অনেকে ব্যবসাও শুরু করে দিয়েছেন। শুধু তাই নয়, ব্যবসা শুরু করার পর যে ভর্তুকি পাওয়ার কথা, সেটাও তাঁরা পেয়ে গিয়েছেন। জেলা ক্ষুদ্র ও ছোট শিল্প দপ্তর সূত্রে খবর, মহিলারাও ঋণ নিয়ে জ্যাম, জেলি, আচার তৈরি থেকে শুরু করে বিউটিশিয়ান এবং ছোটখাট হস্তশিল্পের কারখানা করেছেন। এই ক্যাম্পগুলি থেকে আর্টিজেন কার্ড ছাড়াও উদ্যোগপতিদের প্যান কার্ড করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করা হচ্ছে। পাশাপাশি যাঁরা কারখানা তৈরি করে উৎপাদন করছেন, গভর্নমেন্ট ই মার্কেট প্লেসের মাধ্যমে তাঁদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রির ক্ষেত্রেও সহায়তা করা হচ্ছে।  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ