Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

পাঠানখালিতে ৪ হাজারের বেশি ভুয়ো সার্টিফিকেট ইস্যু, আদালতে স্বীকার রাজ্যের

ভুয়ো জন্ম মৃত্যু সার্টিফিকেট চক্র নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট পেশ করল রাজ্য সরকার। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাঠানখালি গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে চার হাজারের বেশি ভুয়ো জন্ম মৃত্যু শংসাপত্র ইস্যু করা হয়েছে।

পাঠানখালিতে ৪ হাজারের বেশি ভুয়ো সার্টিফিকেট ইস্যু, আদালতে স্বীকার রাজ্যের
  • ১৫ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ভুয়ো জন্ম মৃত্যু সার্টিফিকেট চক্র নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট পেশ করল রাজ্য সরকার। দক্ষিণ ২৪ পরগনার পাঠানখালি গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে চার হাজারের বেশি ভুয়ো জন্ম মৃত্যু শংসাপত্র ইস্যু করা হয়েছে। 

Advertisement

দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা থানা এলাকার পাঠানখালি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা নিত্যরঞ্জন ঘোষ নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু সংশাপত্র বা ডেথ সার্টিফিকেট চ্যালেঞ্জ করে দায়ের হওয়া মামলায় পুলিসি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। সোমবার সেই মামলায় চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট পেশ করেছে রাজ্য। বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে রিপোর্টে রাজ্য উল্লেখ করেছে, শুধু মাত্র পাঠানখালি গ্রাম পঞ্চায়েত থেকেই ৩৫৫৮টি ভুয়ো বার্থ সার্টিফিকেট ইস্যু হয়েছে। এছাড়াও ৫১০টি ভুয়ো ডেথ সার্টিফিকেট ইস্যু করা হয়েছে। সবটাই হয়েছে সরকারি জন্ম মৃত্যু তথ্য পোর্টালের মাধ্যমে। এদিন রাজ্যের তরফে আইনজীবী জানান, এই ঘটনার পিছনে একটি চক্র রয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে বাবা-মায়ের নামের জায়গায় বাংলাদেশি নাগরিকের নাম ব্যবহার করা। এর সঙ্গে মানব পাচার চক্রও যুক্ত রয়েছে। গত ৯ জুলাই এই ঘটনায় ১০ জন অভিযুক্তর বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ করা হয়েছে। দু’জনকে ইতিমধ্যেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। 
সূত্রের খবর, পাঠানখালি গ্রাম পঞ্চায়েতে চুক্তিভিত্তিক কর্মী গৌতম সর্দার এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত। ওই ব্যক্তি গ্রাম পঞ্চায়েতের তরফে জন্ম মৃত্যু পোর্টল থেকে সার্টিফিকেট ইস্যুর কাজে নিযুক্ত ছিল। সেই সুযোগে ওই ভুয়ো জন্ম মৃত্যু সংশাপত্রগুলি ইস্যুর কাজ করত ওই ব্যক্তি। এর পিছনে আরও বড় চক্র রয়েছে বলে মনে করছে পুলিস। ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে বলে জানা গিয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ