Bartaman Logo
২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

দায়ের আরও মামলা, ভোটের আগের দিন পর্যন্ত মিলন জেলেই, হাইকোর্টে নন্দীগ্রামের কং প্রার্থী

মমতার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার থেকে শুরু করে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেপ্তারি। ‘সামান্য’ উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করেও ফের লাইমলাইটে ‘নন্দীগ্রাম’। ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে ভোট।

দায়ের আরও মামলা, ভোটের আগের দিন পর্যন্ত মিলন জেলেই, হাইকোর্টে নন্দীগ্রামের কং প্রার্থী
  • ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা ও তমলুক: মমতার তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থীপদ প্রত্যাহার থেকে শুরু করে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের গ্রেপ্তারি। ‘সামান্য’ উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করেও ফের লাইমলাইটে ‘নন্দীগ্রাম’। ৬ অক্টোবর নন্দীগ্রামে ভোট। আর ঠিক তার আগের দিন, অর্থাৎ ৫ অক্টোবর পর্যন্ত মিলনের জেল হেপাজতের নির্দেশ দিল হলদিয়া এসিজেএম কোর্ট। সেইসঙ্গে সোমবারই ২০০৭ সালের পুরানো আরও একটি মামলা যুক্ত করে তাঁকে শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয়েছে। ফলে সব মিলিয়ে মোট পাঁচটি মামলায় এদিন তাঁকে জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। তবে এখানেই শেষ নয়। মিলনের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আরও পাঁচটি মামলা রয়েছে। তার কথা তিনি নির্বাচনি হলফনামায় উল্লেখও করেছেন। এবার সেই মামলাগুলিতে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হতে পারে। এই কারণেই তিনি সরাসরি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে রক্ষাকবচের আবেদন জানিয়েছেন। সোমবার বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্যর এজলাসে বিষয়টি নিয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করেন তাঁর আইনজীবী অয়ন ভট্টচার্য। আজ, মঙ্গলবার শুনানির সম্ভাবনা। 

Advertisement

এদিন হলদিয়া এসিজেএম কোর্টে জাফর আহমেদের এজলাসে মিলন প্রধানের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালে জানুয়ারি মাসের আরও একটি মামলা যুক্ত করা হয়। ওই মামলাতেও তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল বলে সরকারি আইনজীবী বিজয়কুমার রাম আদালতে দাবি করেন। উলটোদিকে, মিলনবাবুর পক্ষের আইনজীবী তাঁর জামিনের আরজি জানান। উভয়পক্ষের সওয়াল জবাব শেষে বিচারক আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত কংগ্রেস প্রার্থীর জেল হেপাজতের নির্দেশ দিয়েছেন।
এদিন হলদিয়া এবং কাঁথি দুই কোর্টেই মিলন প্রধানের কেসে আইনি লড়াই চলে। শুক্রবার রাতে মিলনকে মোট চারটি মামলায় পুলিশ গ্রেপ্তার করেছিল। তার মধ্যে তিনটি নন্দীগ্রাম এবং একটি খেজুরি থানার। শনিবার নন্দীগ্রামের তিনটি মামলায় হলদিয়া কোর্ট মিলনকে জেল হেপাজতে পাঠিয়েছিল। খেজুরি মামলায় সোমবার তাঁকে কাঁথি কোর্টে পেশ করার কথা ছিল। যদিও এদিন ওই কংগ্রেস প্রার্থীকে কাঁথি কোর্টে পেশ করা হয়নি। সওয়াল জবাব হয়েছে। আগামী কাল, বুধবার তাঁকে সশরীরে কাঁথি কোর্টে হাজির করাতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
ভোটের মুখে মিলনেরে গ্রেপ্তারি প্রসঙ্গে তাঁর স্ত্রী অর্পিতা প্রধান বলেন, ‘প্রার্থী হওয়ার জন্যই কি আমার স্বামীকে গ্রেপ্তার করা হল? এত বছর পুলিশ কী করছিল? তাছাড়া, ১৯ বছর আগের একই কেসে আরও অনেকে জড়িত। তাঁরা বাইরে কেন? আমি নন্দীগ্রামবাসীর কাছে আবেদন করছি, এই ভোটে আমার স্বামী জেলে থাকায় প্রচার করতে পারবেন না। আপনারা দলমত নির্বিশেষে তাঁর পাশে দাঁড়ান। এই লড়াইয়ে শামিল হোন।’ প্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক তথা জেলা পর্যবেক্ষক শুভাশিস ভট্টাচার্য বলেন, ‘বিজেপি নন্দীগ্রাম উপ নির্বাচন নিয়ে ভয় পেয়েছে। তাই পুলিশ লাগিয়ে আমাদের প্রার্থীকে গ্রেপ্তার করেছে।’ 
এদিকে, নিজেদের জেতা প্রতীক ছাড়তে নারাজ আইএসএফ। গত দুই নির্বাচনে ‘খাম’ প্রতীকে জয়লাভ করেছে নৌশাদের দল। এবার সেই ‘খাম’ ছিনিয়ে নিয়ে তাদের দেওয়া হয়েছে আলমারি। ঋতব্রত তৃণমূলকে দেওয়া হয়েছে ‘খাম’। কমিশনের এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে আইএসএফ। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ