


ঢাকা: নির্বাচনের সময়ই প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন। ক্ষমতায় আসতেই পুরোহিত, ইমাম, যাজক ও বৌদ্ধ ধর্মগুরুদের আর্থিক সহায়তা প্রকল্পের উদ্বোধন করলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার ঢাকায় এই ‘সম্মানী’ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন তিনি। এই প্রকল্পে মসজিদের ইমামরা মাসে ৫ হাজার টাকা করে পাবেন। এছাড়া মুয়াজ্জিনদের ৩ হাজার এবং খাদেমদের ২ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। মন্দিরের পুরোহিতরাও মাসিক ৫ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন। সেবাইতদের জন্য ৩ হাজার টাকা। গির্জার ক্ষেত্রে যাজকরাও ৫ হাজার এবং সহকারী যাজকরা ৩ হাজার টাকা করে পাবেন। বৌদ্ধমঠের অধ্যক্ষ ও উপাধ্যক্ষদেরও একই পরিমাণ ভাতা দেওয়া হবে। প্রকল্পের প্রথম ধাপে ৪ হাজার ৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের ১৬ হাজার ৯৯২ জনের জন্য এই মাসিক সম্মানী চালু করা হল। এদিনের অনুষ্ঠানে তারেক বলেন, ‘আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি, এটিই আমাদের বাংলাদেশের আবহমানকালের ঐতিহ্য। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান—সবাই মিলে শান্তিপূর্ণ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। যা প্রতিটি শ্রেণি-পেশার মানুষের কাম্য।’ এদিন সরকারের তরফে উৎসব বোনাসের কথাও ঘোষণা করা হয়।
এদিকে, বাংলাদেশের সংসদে মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত ৫০টি আসনের বেশিরভাগই বিএনপির দখলে যেতে চলেছে। আনুপাতিক প্রতিনিধিত্বের ভিত্তিতে এই আসনগুলি বণ্টন হয়। প্রতি ছয় আসনের জন্য একটি আসন মহিলাদের জন্য বরাদ্দ থাকে। সেই আইন অনুযায়ী, বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোট ৫০টির মধ্যে ৩৬টি আসন পাবে। জামাত ও এনসিপির জোট পাবে ১৩টি আসন। সাত নির্দল সাংসদ জোট বাঁধলে তাঁদের প্রতিনিধি হিসাবে একজন মহিলা সাংসদ হতে পারবেন। আর তা না হলে সেই আসনটিও বিএনপির দখলে যাবে।