নিজস্ব প্রতিনিধি রায়গঞ্জ ও সংবাদদাতা ইটাহার: দুষ্কৃতীদের টার্গেট এবার জাতীয় সড়ক লাগোয়া রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের এটিএম কাউন্টারগুলি। শুক্রবার মধ্যরাতে জাতীয় সড়কের ধারে থাকা ইটাহার ও রায়গঞ্জের দুটি ব্যাঙ্কের এটিএম কাউন্টারে নগদ লুটের ঘটনায় তেমনটাই অনুমান পুলিসের। একটি ঘটনা ঘটে ইটাহার শহরের প্রাণকেন্দ্র শ্যামাপল্লী এলাকার এটিএমে। দ্বিতীয় ঘটনাটি রায়গঞ্জের জেলখানা মোড় চত্বরের। সব মিলিয়ে নগদ ২০ লক্ষ টাকা চুরি গিয়েছে বলে অনুমান। কারণ শুক্রবার রাতেই ওই এটিএম দুটিতে টাকা ঢুকিয়েছিল সংশ্লিষ্ট এজেন্সি।
সূত্রের খবর, এক রাতে দু’জায়গায় এটিএম কাউন্টারের ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরায় কালো রং স্প্রে করে অপারেশন চালিয়েছে দুষ্কৃতীরা। এ নিয়ে ব্যাপক সতর্কতা জারি করেছে রায়গঞ্জ পুলিস। পুলিস সুপার সানা আখতার বলেন, শনিবার রাতে দুই থানা এলাকায় দুটি এটিএমে লুটের ঘটনা ঘটে। কত টাকা চুরি গিয়েছে এবং কীভাবে ঘটনাটি ঘটল জানতে তদন্তে নেমেছে রায়গঞ্জ ও ইটাহার থানার পুলিস। পাশাপাশি, দুষ্কৃতীদের ধরতে শুরু হয়েছে ব্যাপক তল্লাশি অভিযান। ব্যাঙ্কের সঙ্গে সমন্বয় রেখে চলছে তদন্ত।
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে খবর, শনিবার ভোরে স্থানীয়দেরই নজরে আসে রায়গঞ্জ ও ইটাহারের দুটি এটিএম লুটের ঘটনা। গ্যাস কাটার দিয়ে দু’টি এটিএমের লকার ভাঙার পর নগদ লুট করে চম্পট দিয়েছে চার থেকে পাঁচজনের একটি দুষ্কৃতী দল। সূত্রের খবর, ইটাহার ও রায়গঞ্জের দুটি ঘটনার সঙ্গে একটি গ্যাং জড়িত থাকতে পারে। সাদা রঙের একটি গাড়িতে চেপে একদল দুষ্কৃতী আসে। সকলের মুখ ঢাকা ছিল।
দুই এলাকাতেই বাসিন্দাদের অভিযোগ, এটিএমের নিরাপত্তার বিষয়ে পুলিস বা ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষের তৎপরতা চোখে পড়ে না। এটিএমগুলি নিরাপত্তাবিহীন পড়ে থাকে। পুলিসের উচিত জাতীয় সড়কের ধারে এসব এলাকায় নজরদারি বাড়ানো।