Bartaman Logo
১০ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘আমার নামে টাকা তোলা হচ্ছে’, এবার বিস্ফোরক অগ্নিমিত্রা

জিতেন্দ্র তেওয়ারির পর পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। বিজেপির অন্দরে গুন্ডামি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ ক্রমশ বাড়ছেই। এবার তোলাবাজি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন অগ্রিমিত্রা।

‘আমার নামে টাকা তোলা হচ্ছে’, এবার বিস্ফোরক অগ্নিমিত্রা
  • ১৯ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: জিতেন্দ্র তেওয়ারির পর পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। বিজেপির অন্দরে গুন্ডামি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে আওয়াজ ক্রমশ বাড়ছেই। এবার তোলাবাজি নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ তুললেন অগ্রিমিত্রা। শনিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়ার প্ল্যাটফর্মে সাধারণ মানুষকে সতর্ক করে বলেন, ‘আমার কাছে অভিযোগ আসছে, আমার নাম করে বাজার থেকে টাকা তোলা হচ্ছে। আপনারা এক্সটরশন বলতে পারেন, কাটমানি বলতে পারেন আবার সিন্ডিকেটও বলতে পারেন। আমার নাম করে বা মুখ্যমন্ত্রীর নাম করে এমনকি আমাদের মন্ত্রিসভার কোনো মন্ত্রীর নাম করে যদি কেউ টাকা তুলতে যান, সরাসরি আমাদের জানান। আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান স্পষ্ট। যদি কেউ কাটমানি, গুন্ডা ট্যাক্স, এক্সটরশন করে টাকা নেয়, কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’  

Advertisement

কীভাবে মন্ত্রীদের নামে টাকা তোলা হচ্ছে, তারও ইঙ্গিত দিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। তিনি বলেন, ‘আমরা রাজনৈতিক নেতা-নেত্রী। আমাদের সঙ্গে বহু মানুষের ছবি থাকে। আমার সঙ্গে কারো ছবি দেখে কেউ যদি বলে তিনি আমার খুব কাছের। এটা বিশ্বাস করবেন না।’ তবে ভিত্তিহীন অভিযোগ না করার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। অভিযোগ জানালে প্রমাণ মাস্ট! সাফ জানিয়ে দিয়েছেন পুরমন্ত্রী। 
রাজ্যে বিজেপি সরকারের বয়স মাত্র তিনমাস। এর মধ্যেই তোলাবাজি, দুর্নীতির বিস্তর অভিযোগ উঠছে। যা নিয়ে মন্ত্রী-বিধায়করা পর্যন্ত বিড়ম্বনায় পড়ছেন। পাণ্ডবেশ্বরের বিজেপি বিধায়ক জিতেন্দ্র তেওয়ারি দলীয় অনুষ্ঠান মঞ্চ থেকেই দলীয় নেতা কর্মীদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, ‘তোলাবাজি গুন্ডাগিরিতে তাঁরা তৃণমূলকেও ছাপিয়ে যাচ্ছে।’ জিতেন্দ্রর এহেন আত্মসমালোচনার সুর শোরগোল ফেলেছে রাজ্য-রাজনীতিতে। তারমধ্যেই অগ্নিমিত্রার অভিযোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। 
দলীয় সূত্রে খবর, একশ্রেণির লোক শাসকদলের নাম করে বেলাগাম টাকা তুলছেন। অভিযোগ, মন্ত্রীদের সঙ্গে সেলফি তুলে ঘনিষ্ঠ বলে পরিচয় দিয়ে এ ধরনের বেআইনি করছেন। ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজন দলীয় কর্মী ও সহযোগীকে এই অভিযোগে সরিয়ে দিয়েছেন নেতা-মন্ত্রীরা। তবু তোলাবাজি সংস্কৃতিতে রাশ টানা যাচ্ছে না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ