নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গ্রেপ্তার হলেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ শিক্ষক নেতা মইদুল ইসলাম। তাঁকে ডায়মন্ডহারবার থানার নেতড়া থেকে প্রথমে আটক করা হয়। পরে থানায় এনে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে ২০২২ সালে মামলা দায়ের ছিল। সেই প্রেক্ষিতেই ধরা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। এসআইআর নিয়ে সিইও অফিসের বাইরে আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন মইদুল। মঙ্গলবার সকালে মগরাহাট থেকে কলকাতা যাচ্ছিলেন ওই শিক্ষক নেতা। নেতড়া স্টেশনের কাছে তাঁর গাড়ি আটকায় পুলিশ। এরপরই ডায়মন্ডহারবার থানায় নিয়ে যাওয়া হয়। কয়েকটি বিষয় জিজ্ঞাসাবাদের পর গ্রেপ্তার করা হয় তাঁকে। জানা গিয়েছে, বছর চারেক আগে এক পঞ্চায়েত উপপ্রধান আত্মহত্যা করেন। তিনি যে সুইসাইড নোট লিখে গিয়েছিলেন, তাতে নাম ছিল মইদুলের। সেই ঘটনার পুনরায় তদন্ত শুরু হতেই পাকড়াও করা হল তাঁকে। মইদুল বলেন, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমায় ধরা হয়েছে। যে সময়ের কথা বলা হচ্ছে, তখন এলাকায় ছিলাম না। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশে আমায় গ্রেপ্তার করা হয়েছে, কারণ সবাই জানে, আমি কি ধরনের আন্দোলন করি। যদিও গ্রেপ্তারের আশঙ্কা করছিলেন এই নেতা। সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভ করে তিনি জানিয়েছিলেন, তাঁকে ধরার জন্য এসটিএফ’কে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এদিন সকালে সেই আশঙ্কা সত্যি হল। যদিও এসটিএফ নয়, ডায়মন্ডহারবার থানার পুলিশই ওই নেতাকে গ্রেপ্তার করে। অন্যদিকে, ফের ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করলেন বিজেপি নেতা অভিজিৎ দাস। এবার ৩০০ কোটি টাকার মাটি কেটে বিক্রির অভিযোগ আনা হয়েছে অভিষেক সহ ২৩ জনের বিরুদ্ধে। সোমবার রাতে ঠাকুরপুকুর মহেশতলা ব্লকের কালিতলা আশুতি থানায় এই অভিযোগ করেছেন ওই বিজেপি নেতা। তাঁর দাবি, ২০১৭ সাল থেকে বিষ্ণুপুর এলাকায় ধাপে ধাপে মাটি কাটা হচ্ছিল। সেটা ২০২২ ও ২০২৩ সালে বেড়ে যায়। তখন থানায় অভিযোগ করা হলেও গুরুত্ব দেওয়া হয়নি। তাই আবার অভিযোগ করা হল।



