দেবজিৎ ঘোষ: প্রয়াত সুভাষ ভৌমিক বলতেন, ‘চললে পঞ্চানন আর না চললে পাঁচু।’ শুক্রবার মোহন বাগান বনাম মুম্বই ম্যাচ দেখতে দেখতে ভৌমিকদার কথাই মনে পড়ছিল। হয়তো ঘরের মাঠে ওড়িশা ও মহমেডান স্পোর্টিংকে গোলের মালা পরিয়ে অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়েছিল লোবেরা ব্রিগেড। কিন্তু মুম্বইয়ের কাছে হারের পর সমালোচনায় বিদ্ধ পেত্রাতোসরা। এটাই ফুটবল। বেঙ্গালুরুতে গুরপ্রীতদের বিরুদ্ধে আটকে গিয়েছিল সবুজ-মেরুন ব্রিগেড। শুক্রবার যুবভারতীতে ১ পয়েন্টও জুটল না। দু’ম্যাচে ৫ পয়েন্ট হারিয়ে প্রবল চাপে কামিংসরা। এবারই সের্গিও লোবেরার আসল পরীক্ষা। স্প্যানিশ কোচের পারফরম্যান্স নিয়ে কাটাছেঁড়া শুরু। মিস্টার লোবেরা, ট্র্যাপিজের সরু সুতোয় হাঁটছেন আপনি। অবিলম্বে সতর্ক না হলে মুশকিল। কান্তিরাভায় ম্যাকলারেনদের জন্য জাল পেতেছিল কোচ রেনেডি সিং। সেই ফাঁদে জড়িয়ে গোলের জন্য রীতিমতো মাথা কুটতে হয় মোহন বাগানকে। লাভ হয়নি। লোবেরা হয়তো ভেবেছিলেন, যুবভারতীতে তুড়ি মেরে মুম্বইকে উড়িয়ে দেবেন। বাস্তবে ঘটল তার উলটো। নিপুণ চালে সবুজ-মেরুন ব্রিগেডকে ‘চেক মেট’ করলেন পিটার ক্র্যাটকি। সবচেয়ে বড় কথা, শক্তিশালী আপফ্রন্ট নিয়েও শেষ দু’ম্যাচে গোলের দরজা খুলতে ব্যর্থ লোবেরা ব্রিগেড। মাঝমাঠে প্লে-মেকারের অভাব বোঝা যাচ্ছে বারবার।



