নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: ফিফার নির্দেশে একই সঙ্গে তিনটি ট্রান্সফার ব্যানের সম্মুখীন সাদা-কালো ব্রিগেড। গভীর সমস্যায় রেড রোডের পাশের ক্লাব। সূত্রের খবর, এখনও প্রাপ্য অর্থ পাননি আলেক্সিস, ফ্রাঙ্কা ও কাদেরি। এর মধ্যে প্রি-সিজন অনুশীলনে চোট পান কাদিরি। কিন্তু জোটেনি বেতন। বাধ্য হয়েই ফিফায় নালিশ ঠুকেছিলেন তাঁরা। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থার ই-মেলে কর্তাদের মাথায় বাজ। টাকা না মেটালে কোনও ফুটবলার সই করানো যাবে না। ক্লাব সচিব ইসতিয়াক আহমেদের মন্তব্য, ‘দেশের বাইরে যাচ্ছি। ফেরার পর বৈঠকে বসব। তাছাড়া এখন সবাই উৎসবে ব্যস্ত।’ মহমেডান স্পোর্টিংয়ে উৎসব আছে। ফুটবল নেই। এটাই বড় সত্যি।
আমিরুদ্দিন ববি, মহম্মদ কামারুদ্দিনদের সৌজন্যে মহমেডান স্পোর্টিংয়ের ঐতিহ্য ধূলিসাৎ। লক্ষ লক্ষ সমর্থকের আবেগের দাম নেই তাদের কাছে। চেয়ার আঁকড়ে ক্ষমতার রাজনীতিই সার। প্রতিশ্রুতিতে পিএইচডি করা ম্যানেজমেন্ট ইনভেস্টর জোগাড়ে ব্যর্থ। কোচ, ফুটবলারদের বকেয়ার পরিমাণ কয়েক কোটি। বহু টাকা বাকি ভেন্ডরদের। দলের পারফরম্যান্স তলানিতে। ঘরোয়া লিগে কোনওরকমে অবনমন বাঁচিয়েছে মেহরাজ ব্রিগেড। ডুরান্ডেও হতশ্রী দশা। ঐতিহ্যের আইএফএ শিল্ডে অংশ নিচ্ছে না রেড রোডের পাশের ক্লাব। কান পাতলে শোনা যাচ্ছে, খরচ বাঁচাতেই এমন সিদ্ধান্ত। সামনেই সুপার কাপ। তাতেও মহমেডান স্পোর্টিং অংশ নেবে না? সোশ্যাল সাইটে সমালোচনার ঝড় তুলেছেন সমর্থকরা। এমনকী ক্লাব তাঁবুর বাইরে জমায়েতও হয়েছে। তাতে লাভ হয়নি কিছুই। কোনও হেলদোল নেই কর্তাদের। আসলে লজ্জা শব্দটাই তাদের অভিধানে নেই।