Bartaman Logo
৯ জুন, ২০২৬

‘হারকিউলিস’ বিমানে অসমের জাতীয় সড়কে অবতরণ মোদির

মণিপুরের ইম্ফল থেকে অসমের বদরপুরের সংযোগকারী ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক। শনিবার সকালে মোরানে এই জাতীয় সড়কে তৈরি বিশেষ রানওয়েতে অবতরণ করল সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস।

‘হারকিউলিস’ বিমানে অসমের জাতীয় সড়কে অবতরণ মোদির
  • ১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নয়াদিল্লি: মণিপুরের ইম্ফল থেকে অসমের বদরপুরের সংযোগকারী ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়ক। শনিবার সকালে মোরানে এই জাতীয় সড়কে তৈরি বিশেষ রানওয়েতে অবতরণ করল সি-১৩০জে সুপার হারকিউলিস। ভারতীয় বায়ুসেনার দ্বিতীয় বৃহত্তম এই সামরিক পরিবহণ বিমানে সওয়ার হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এই প্রথম উত্তর-পূর্বের কোনো রাজ্যে ইমার্জেন্সি ল্যান্ডিং ফেসিলিটি (ইএলএফ) বা রাস্তায় বিমানের উড়ান ও অবতরণ ক্ষেত্র তৈরি হয়েছে। তাতে অবতরণ করল প্রধানমন্ত্রীর বিমান। তথ্যাভিজ্ঞ মহলের মতে, ভোটমুখী অসমের সুপার হারকিউলিস চেপে মোদি অবতরণ বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। প্রথমত, উত্তর-পূর্ব ও পূর্ব ভারতে সামরিক পরিকাঠামো উন্নয়নে জোর দিয়েছে ভারত। তারই অংশ হিসেবে ইএলএফ তৈরি করা হচ্ছে। এতে পড়শি দেশ চীনকে বড়ো বার্তা দেওয়া যাবে। পাশাপাশি, বিষয়টিকে রাজনৈতিক চমক হিসেবেও দেখা হচ্ছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক এই অবতরণকে ‘ঐতিহাসিক’ আখ্যা দিয়েছে। 

Advertisement

শনিবার একদিনের সফরে অসমে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন সকালে ডিব্রুগড়ে চাবুয়া বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে সি-১৩০জে’তে চাপেন মোদি। ৩৭ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর তৈরি ইএলএফে অবতরণ করে সুপার হারকিউলিস। সেখানে নামার পর প্রায় ৪০ মিনিট তেজস, সুখোই, রাফাল সহ অন্যান্য যুদ্ধবিমানের কসরত দেখেন তিনি। এদিন অসমের একগুচ্ছ উন্নয়নমূলক কাজকর্মের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। এরমধ্যে রয়েছে গুয়াহাটির সঙ্গে উত্তর গুয়াহাটির সংযোগকারী ব্রহ্মপুত্র নদীর উপর সেতু, গুয়াহাটির বনগোরাতে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্টের অস্থায়ী ক্যাম্পাস। 
পরে গুয়াহাটিতে বিজেপির জনসভায় ভাষণ দিতে গিয়ে কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন মোদি। তাঁর অভিযোগ, কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে উত্তর-পূর্বকে আবহেলা করেছে। তাদের আমলেই অসমে বিচ্ছিন্নতাবাদ মাথা চাড়া দিয়েছিল। প্রধানমন্ত্রীর কথায়, ‘ভোট ব্যাংকের জন্য কংগ্রেস মেরুকরণের রাজনীতি করত। মুসলিম লিগের জন্য দেশ ভাগ হয়েছিল। এখন কংগ্রেস হয়েছে মুসলিম লিগ-মাওবাদী কংগ্রেস। এজন্য দেশবাসীকে সতর্ক থাকতে হবে।’
অনুপ্রবেশ নিয়েও এদিন হাতশিবিরকে নিশানা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর বক্তব্য, কংগ্রেস অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে তৎপর। কিন্তু, বিজেপি তা হতে দেবে না। মোদির দাবি, বিগত ১০ বছর অসমে ক্ষমতার বাইরে রয়েছে কংগ্রেস। কিন্তু, সরকারের থাকার সময় থেকেও তারা এখন বেশি ক্ষতিকারক। 

সম্পর্কিত সংবাদ