Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সারের দাম বাড়িয়ে চাষিদের বিপাকে ফেলেছে মোদি সরকার: অভিষেক

সিমলনের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, তৃণমূল সরকার বাংলার আলুচাষিদের বরবাদ করে দিয়েছে। তার জবাবে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সারের দাম বাড়িয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারই চাষিদের ক্ষতি করেছে।

সারের দাম বাড়িয়ে চাষিদের বিপাকে ফেলেছে মোদি সরকার: অভিষেক
  • ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, মেমারি: সিমলনের সভা থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দাবি করেছেন, তৃণমূল সরকার বাংলার আলুচাষিদের বরবাদ করে দিয়েছে। তার জবাবে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সারের দাম বাড়িয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারই চাষিদের ক্ষতি করেছে। মেমারির সভা থেকে তিনি বলেন, আলু চাষের জন্য সব থেকে বেশি দরকার হয় ১০.২৬.২৬ সার। সেই সারের দাম কেন্দ্রীয় সরকার অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছে। এখন চাষিদের নিয়ে বিজেপি’র কুম্ভীরাশ্রু ঝরাচ্ছে। ক্ষমতায় এলে ওরা নাকি চাষিদের জন্য অনেক কিছুই করবে। চাষিদের মঙ্গল করার ইচ্ছা থাকলে সারের দাম বাড়িয়ে চলছে কেন? চাষিদের কথা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারই ভাবে। তাই কৃষকবন্ধু চালু করেছে।

Advertisement

প্রধানমন্ত্রী নির্বাচনি প্রচারে এসে সারের দাম নিয়ে একটি শব্দ খরচ না করায় কটাক্ষ করতে ছাড়েনি তৃণমূল। তাদের দাবি, গোটা দেশের এবার আলুর উৎপাদন বেশি হয়েছে। ‘ডবল ইঞ্জিন’ রা঩জ্যে চাষিদের হাল আরও করুণ। সেখানে আরও কম দামে আলু বিক্রি হচ্ছে। অভিষেক বলেন, বাজেটে রাজ্যজুড়ে ৫০টি হিমঘর তৈরির কথা ঘোষণা করা হয়েছে। এবার বেশি শীত পড়ায় আলুর ফলন অনেক বেশি হয়েছে। যে জমিতে ৬০ বস্তা আলু হওয়ার কথা সেখানে ১০০ বস্তা আলু হয়েছে। অতিরিক্ত আলু অন্য রাজ্যে পাঠানো হবে।
প্রধানমন্ত্রী এদিন সিমলনে বলেছেন, বর্ধমানের সীতাভোগ এবং মিহিদানা সারা দেশে জনপ্রিয়। বিজেপি ক্ষমতায় এলে চাষিরা ডবল ইঞ্জিন রাজ্যের সুবিধা পাবে। আর আলু পচছে। এটা চলবে না। বাংলা চুপ থাকবে না। কয়েক দিন আগে রায়নার সভা থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় সরকারকে তোপ দেগে বলেন, এই জেলায় প্রচুর পরিমাণে গোবিন্দভোগ ধান চাষ হয়। এই চালের বেশির ভাগ‌ই ঩বিদেশে যায়। কেন্দ্রীয় সরকার মাঝেমধ্যেই চাল রপ্তানি বন্ধ করে দেয়। তাতে চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়েন। শাসক দলের নেতারা কটাক্ষ করে বলেন, চাষিদের নিয়ে কেন্দ্রের অভিযোগ মানায় না। তারা কৃষকদের জন্য কোনো কিছুই করেনি। রাজ্য সরকার কৃষকবন্ধু প্রকল্প এবং শস্যবিমা চালু করে চাষিদের পাশে দাঁড়িয়েছে। গত দু’বছর অতি বৃষ্টির জন্য আলু চাষ ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। রাজ্য সরকার ক্ষতিগ্রস্তদের চাষিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা দেয়। এছাড়া কৃষকবন্ধু প্রকল্পে চাষিদের দুটি মরশুমে টাকা দেওয়া হয়। কেন্দ্রীয় সরকার পিএম কিষাণ যোজনা চালু করলেও সেই প্রকল্পের সুবিধা সব চাষি পান না। অভিষেক বলেন, কুম্ভীরাশ্রু ঝরিয়ে কৃষকদের মন জয় করা যাবে না। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ