নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে যুদ্ধের আবহের মধ্যেই বড়সড় সিদ্ধান্ত নিল কেন্দ্র। জরুরি পরিস্থিতির সৃষ্টি হলে আমজনতা কী করে রেহাই পাবে? কোন কোন পদ্ধতিতে রক্ষা পাবে সাধারণ মানুষ, সেই প্রস্তুতিই সেরে রাখতে দেশজুড়ে মক-ড্রিলের সিদ্ধান্ত নিল সরকার। তালিকাতে রয়েছে বাংলাও।
যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে কী করণীয়, আর কী করা চলবে না, তা নিয়ে পাঠ দিতেই এই অসমারিক মহড়া অনুষ্ঠিত করা হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, দেশের ২৭টি রাজ্য ও ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মোট ২৫৯টি জায়গায় এই মহড়া হবে। বিশেষ বিষয় হল, ১৯৭১ সালের পর এই প্রথম দেশজুড়ে এত বৃহত্তর আকারে কোনও অসামরিক মহড়া হতে চলেছে।
এরাজ্যে অসামরিক প্রতিরক্ষা জেলায় এই মহড়া চলবে। তালিকায় রয়েছে ১৭টি জেলার নাম। সেগুলি হল- কোচবিহার, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, মালদহ, পশ্চিম বর্ধমান, পূর্ব মেদিনীপুর, আলিপুরদুয়ার, পশ্চিম মেদিনীপুর, মুর্শিদাবাদ, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, কালিম্পং, কলকাতা, বর্ধমান, বীরভূম, হাওড়া এবং হুগলিরও। সূত্রের খবরে জানা গিয়েছে, হোমগার্ড, সিভিল ডিফেন্স, এনসিসি ও স্কুল-কলেজের ছাত্র-ছাত্রীরাও এই মহড়ায় অংশ নেবেন।
পশ্চিমবঙ্গের ১৭টি জেলার মধ্যে ৩১টি জায়গায় অনুষ্ঠিত হবে এই অসামরিক মহড়া। এই জায়গাগুলি হল- কোচবিহার, দার্জিলিং, জলপাইগুড়ি, মালদহ, শিলিগুড়ি, গ্রেটার কলকাতা, দুর্গাপুর, হলদিয়া, হাসিমারা, খড়্গপুর, বার্নপুর-আসানসোল, ফরাক্কা-খেজুরিয়াঘাট, চিত্তরঞ্জন, বালুরঘাট, আলিপুরদুয়ার, রায়গঞ্জ, ইসলামপুর, দিনহাটা, মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙা, কালিম্পং, জলঢাকা, কার্শিয়াং, কোলাঘাট, বর্ধমান, বীরভূম, পূর্ব-পশ্চিম মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি এবং মুর্শিদাবাদ।