সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে থমকে ছিল জমি চিহ্নিতকরণের কাজ। চিঠিপত্র থেকে শুরু করে বারবার অফিসে গিয়েও সুরাহা হয়নি। পঞ্চায়েত মন্ত্রী এবং সচিবকে অভিযোগ জানাতেই টনক নড়ল দপ্তরের। কয়েক ঘণ্টার মধ্যে জমি চিহ্নিত করে দিল ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর। কাজও শুরু হল পুরোদমে।
Advertisement
পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর-২ ব্লকের মঙ্গলদা-মৌতড় গ্রাম পঞ্চায়েত। দু’বছরেরও বেশি সময় ধরে ওই গ্রাম পঞ্চায়েতে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের কাজ বিন্দুমাত্র হয়নি। ওই প্রকল্পের জন্য জমি না পাওয়াতেই নাকি কাজ হচ্ছে না। তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের অভিযোগ ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে বারবার জানিয়েও কাজ হয়নি। সরকারি জমি চিহ্নিত করে দেওয়ার জন্য একাধিকবার চিঠি দেওয়ার পরেও ওই দপ্তরের আধিকারিকরা কোনও কর্ণপাতই করেননি বলে অভিযোগ। সম্প্রতি পঞ্চায়েত মন্ত্রী এবং দপ্তরের সচিব পুরুলিয়া জেলায় আসেন। মন্ত্রী এবং সচিবকে কাছে পেয়ে রঘুনাথপুর-২ ব্লকের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন মঙ্গলদা-মৌতোড় গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান গোপেশকুমার ঘোষাল। গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে অভিযোগ পাওয়ার পরই সত্যতা যাচাই করতে বিষয়টি নিয়ে রঘুনাথপুর-২ বিডিওর কাছে জানতে চান পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দপ্তরের সচিব এবং মন্ত্রী।
ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভূমি এবং ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিওর কথাও শোনেন না বলে সচিবকে জানিয়েছিলেন বিডিও। ওই অভিযোগ জানানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাতেনাতে ফল পান গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। গোপেশবাবু বলেন, সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের জন্য সরকারি জমির প্রয়োজন ছিল। ওই জমি চিহ্নিত করে দেওয়ার জন্য ব্লকের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে বারবার চিঠি দিয়েও কাজ হয়নি। নিজে অফিসে গিয়ে কথাও বলেছিলাম। তাতেও আধিকারিকরা কোনও পাত্তা দিতে চাননি।
সরকারি প্রকল্পের কাজের জন্যেও হন্যে হয়ে ঘুরতে হয়েছিল। প্রায় দু’বছর ধরে কাজটাই করতে পারিনি। পঞ্চায়েত মন্ত্রী এবং সচিবকে কাছে পেয়ে তাদের গোটা বিষয়টি জানিয়েছিলাম। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কাজ হল।
গোপেশবাবু আরও বলেন, পুরুলিয়া শহরে মন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম গত ৩০ জানুয়ারি। ওইদিনই বিকেলে যখন গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ফিরি সেই সময়ই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরা নিজেরাই পঞ্চায়েত অফিসে চলে এসেছিলেন। দেখে সকলেই হতবাক। ওইদিন আলোচনার পর পরের দিনই মৌতোড় মৌজায় সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের জন্য জমি চিহ্নিত করে দেন দপ্তরের আধিকারিক ও কর্মীরা। ওইদিনই পঞ্চায়েতের তরফে কাজ শুরু করা হয়। ইতিমধ্যে ভিত খোঁড়ার কাজ হয়ে গিয়েছে। মন্ত্রী এবং সচিবকে জানাতে পারলাম বলেই হয়তো কাজটা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হয়ে গেল।
রঘুনাথপুর-২ বিএলএলআরও নির্মলকুমার দে বলেন, আগে কী সমস্যা ছিল সেটা বলতে পারব না। তবে কাজটা হয়ে গিয়েছে।
ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ভূমি এবং ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিক সংশ্লিষ্ট ব্লকের বিডিওর কথাও শোনেন না বলে সচিবকে জানিয়েছিলেন বিডিও। ওই অভিযোগ জানানোর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই হাতেনাতে ফল পান গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান। গোপেশবাবু বলেন, সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের জন্য সরকারি জমির প্রয়োজন ছিল। ওই জমি চিহ্নিত করে দেওয়ার জন্য ব্লকের ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে বারবার চিঠি দিয়েও কাজ হয়নি। নিজে অফিসে গিয়ে কথাও বলেছিলাম। তাতেও আধিকারিকরা কোনও পাত্তা দিতে চাননি।
সরকারি প্রকল্পের কাজের জন্যেও হন্যে হয়ে ঘুরতে হয়েছিল। প্রায় দু’বছর ধরে কাজটাই করতে পারিনি। পঞ্চায়েত মন্ত্রী এবং সচিবকে কাছে পেয়ে তাদের গোটা বিষয়টি জানিয়েছিলাম। তার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই কাজ হল।
গোপেশবাবু আরও বলেন, পুরুলিয়া শহরে মন্ত্রীকে জানিয়েছিলাম গত ৩০ জানুয়ারি। ওইদিনই বিকেলে যখন গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসে ফিরি সেই সময়ই ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরের আধিকারিকরা নিজেরাই পঞ্চায়েত অফিসে চলে এসেছিলেন। দেখে সকলেই হতবাক। ওইদিন আলোচনার পর পরের দিনই মৌতোড় মৌজায় সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট প্রকল্পের জন্য জমি চিহ্নিত করে দেন দপ্তরের আধিকারিক ও কর্মীরা। ওইদিনই পঞ্চায়েতের তরফে কাজ শুরু করা হয়। ইতিমধ্যে ভিত খোঁড়ার কাজ হয়ে গিয়েছে। মন্ত্রী এবং সচিবকে জানাতে পারলাম বলেই হয়তো কাজটা কয়েক ঘণ্টার মধ্যে হয়ে গেল।
রঘুনাথপুর-২ বিএলএলআরও নির্মলকুমার দে বলেন, আগে কী সমস্যা ছিল সেটা বলতে পারব না। তবে কাজটা হয়ে গিয়েছে।



