সংবাদদাতা, রামপুরহাট: মহাকুম্ভে শাহিস্নানে গিয়ে পদপিষ্ট হয়ে মৃত রামপুরহাটের প্রৌঢ়া গায়ত্রী দের দেহ শনাক্ত করল পরিবার। শনিবার রাতে পুরসভার ব্যবস্থাপনায় গাড়ি নিয়ে প্রয়াগরাজের উদ্দেশে রওনা দেন প্রৌঢ়ার ছেলে ও এলাকার দুই যুবক। দুপুরে তাঁরা মতিলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজে পৌঁছন। সেখানকার মর্গে থাকা মায়ের দেহ শনাক্ত করে কান্নায় ভেঙে পড়েন ছেলে প্রতাপ দে। তিনি বলেন, মর্গের ঠান্ডা ঘরে এখনও সাতটি দেহ রয়েছে।
Advertisement
উল্লেখ্য, গায়ত্রীদেবী রামপুরহাট পুরসভার ১১নম্বর ওয়ার্ডের বাউরিপাড়ার বাসিন্দা। গত সোমবার তিনি বাপেরবাড়ি মুর্শিদাবাদের ধুলিয়ানের বাসিন্দা ৩১জনের দলের সঙ্গে ফরাক্কা স্টেশন থেকে ট্রেনে প্রয়াগরাজের উদ্দেশে রওনা দেন। মঙ্গলবার রাত থেকে তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছিল না পরিবার। শুক্রবার বিকেলে এলাকার একজনের মোবাইলে কুম্ভমেলায় মৃতদের ছবি দেখে প্রৌঢ়াকে চিনতে পারে পরিবার। তাঁরা দাবি করেন, পদপিষ্ট হয়েই গায়ত্রীদেবীর মৃত্যু হয়েছে। এলাকার বিধায়ক আশিস বন্দ্যোপাধ্যায় ও পুরসভার চেয়ারম্যান সৌমেন ভকত ওই পরিবারের পাশে দাঁড়ান। অবশেষে পুরসভার চেয়ারম্যানের ব্যবস্থাপনায় শনিবার রাতে গাড়ি নিয়ে প্রয়াগরাজে যায় পরিবার। সেখানকার মতিলাল নেহরু মেডিক্যাল কলেজের মর্গে মায়ের দেহ শনাক্ত করেন ছেলে। প্রতাপ ফোনে বলেন, কর্তৃপক্ষ জানায়, ময়নাতদন্ত ছাড়াই ওদেরই অ্যাম্বুলেন্সে দেহ পৌঁছে দেবে। স্থানীয় হাসপাতালে ময়নাতদন্ত করে নিতে বলে। সেইমতো ওরা কাগজপত্র তৈরি করে দেবে। আমরা এখানেই ময়নাতদন্ত করার অনুরোধ জানাই। সুপারের কাছেও যাই। কিন্তু আমাদের কথা শোনেনি। এখন কী করব! মায়ের দেহ নিয়ে বাড়ি ফিরে রামপুরহাট মেডিক্যালে ময়নাতদন্ত করব।



