নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: মানুষের কাছে সিপিএমের বিশ্বাসযোগ্যতা নেই। অকপটে স্বীকার করলেন রাজ্যের বাম-কংগ্রেস জোটের অন্যতম নেতা তথা প্রাক্তন কংগ্রেস সাংসদ অধীর চৌধুরী। শনিবার বহরমপুরে সাংবাদিক সম্মেলনে বিস্ফোরক অভিযোগ করেন প্রাক্তন সাংসদ। তিনি বলেন, সিপিএম একটি সংগঠিত দল। সিপিএমের সংগঠন আছে। কিন্তু, মানুষের কাছে সিপিএমের বিশ্বাসযোগ্যতার ঘাটতি আছে। উল্টোদিকে কংগ্রেসের সংগঠন ছিল না, কিন্তু মানুষের কাছে বিশ্বাসযোগ্যতার ক্ষেত্রে এগিয়েছিল। এখনও এগিয়ে আছে। ওদের সংগঠন এবং আমাদের বিশ্বাসযোগ্যতা, এই দুইয়ের সমন্বয় করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু, সেটা আমরা পারিনি। কারণ এখানে যে নির্বাচন হয়েছে সেখানে সাম্প্রদায়িক মেরুকরণ হয়েছে।
Advertisement
সিপিএমের জেলা সম্পাদক জামির মোল্লা বলেন, সংগঠন এবং মানুষের বিশ্বাস যোগ্যতা একে অপরের পরিপূরক। মানুষের বিশ্বাস যোগ্যতা ছাড়া সংগঠন হয় না। অধীরবাবু অত্যন্ত বিদগ্ধ রাজনৈতিক ব্যক্তি, তাঁর প্রতি সম্মান ও আস্থা রেখেই একথা বলছি।
তবে মহারাষ্ট্রের নির্বাচনের ফলাফলে রীতিমতো হতাশ অধীরবাবু। তিনি বলেন, এত খারাপ ফলাফল হবে আশা করিনি। তিনি বলেন, তৃণমূল এখনও অধীর চৌধুরীর ভূত দেখছে, এটা দেখে আমি আনন্দ পাচ্ছি। তৃণমূল জানে, নৈতিকতার নিরিখে আমি এখানে হারিনি। গত নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের খেলা হয়েছে। তাই আমি হেরেছি।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, অধীরবাবু এখন এত কথা বলছেন, কিন্তু তাঁর স্ট্যাটাস কী? বিজেপির দেওয়া সিকিউরিটি নিয়ে তিনি জেলায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এই জেলা, এমনকী গোটা রাজ্য থেকে অনেক আগেই মানুষ সিপিএম এবং কংগ্রেসকে ব্রাত্য করে দিয়েছে। তবে এর আগে বিজেপি এবং সিপিএমের ঘাড়ে চেপে অধীরবাবু ভোটে জেতার চেষ্টা করেছিলেন। এবারও তিনি সাম্প্রদায়িক কার্ড খেলার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু পারেননি। আর তৃণমূল কারও ভূত দেখে না, এই বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করে।
তবে মহারাষ্ট্রের নির্বাচনের ফলাফলে রীতিমতো হতাশ অধীরবাবু। তিনি বলেন, এত খারাপ ফলাফল হবে আশা করিনি। তিনি বলেন, তৃণমূল এখনও অধীর চৌধুরীর ভূত দেখছে, এটা দেখে আমি আনন্দ পাচ্ছি। তৃণমূল জানে, নৈতিকতার নিরিখে আমি এখানে হারিনি। গত নির্বাচনে সাম্প্রদায়িক বিভাজনের খেলা হয়েছে। তাই আমি হেরেছি।
তৃণমূলের জেলা সভাপতি অপূর্ব সরকার বলেন, অধীরবাবু এখন এত কথা বলছেন, কিন্তু তাঁর স্ট্যাটাস কী? বিজেপির দেওয়া সিকিউরিটি নিয়ে তিনি জেলায় ঘুরে বেড়াচ্ছেন। এই জেলা, এমনকী গোটা রাজ্য থেকে অনেক আগেই মানুষ সিপিএম এবং কংগ্রেসকে ব্রাত্য করে দিয়েছে। তবে এর আগে বিজেপি এবং সিপিএমের ঘাড়ে চেপে অধীরবাবু ভোটে জেতার চেষ্টা করেছিলেন। এবারও তিনি সাম্প্রদায়িক কার্ড খেলার চেষ্টা করেছেন, কিন্তু পারেননি। আর তৃণমূল কারও ভূত দেখে না, এই বাংলার ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করে।



