Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মানুষকে বোঝাতে জেলায় এবার প্রচারে নামার নির্দেশ তৃণমূলের

মানুষকে বোঝাতে জেলায় এবার প্রচারে নামার নির্দেশ তৃণমূলের
  • ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, রামপুরহাট: কেন্দ্র নয়। আপনার বাড়ি নির্মাণের টাকা দিয়েছে রাজ্য সরকার। ২০২৬ লোকসভা নির্বাচনের আগে বিরোধীদের ‘আবাস তাস’ ব্যর্থ করতে এবার বীরভূম জেলার জনপ্রতিনিধিদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে বোঝানোর নির্দেশ দিল তৃণমূল। এই পর্যায়ে যারা বঞ্চিত হয়েছেন তাঁরা দ্বিতীয় পর্যায়ে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের সুবিধা পাবেন, তা স্পষ্ট করতেই মাঠে নামতে বলা হয়েছে নেতৃত্বদেরও। একশো দিনের কাজের মতোই আবাস যোজনার টাকা আটকে রেখেছে কেন্দ্র। রাজ্যের গরির মানুষগুলিকে শাস্তি দেওয়ার নৈতিক বা আইনি বৈধতা কেন্দ্রের আছে কি না সেই প্রশ্নও উঠেছে। তবুও কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যবাসীকে বঞ্চিত করেই চলেছে। বিজেপি নেতারা সেই পদক্ষেপের সমর্থনে প্রচারও করছেন। যদিও রাজ্যের তৃণমূল সরকার একশো দিনের কাজের বকেয়া নিজেদের কোষাগার থেকে মিটিয়েছে। এবার গরিব মানুষদের কথা চিন্তা করে বাড়ি বানানোর টাকা দিচ্ছে। যদিও তালিকার সার্ভে চলাকালীন বিভিন্ন বিডিও অফিসে ক্ষোভ-বিক্ষোভ দেখানো হয়েছিল। বঞ্চিতদের সেই ক্ষোভ-বিক্ষোভকে কাজে লাগিয়ে ২০২৬এর নির্বাচনকে পাখির চোখ করে এলাকাভিত্তিক মাটি শক্ত করতে ময়দানে নেমেছে বিরোধীরা। 
Advertisement
বৃহস্পতিবার রামপুরহাট বিধানসভার ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচনে জয়ী সদস্য–সদস্যাদের নিয়ে ও পরাজিত প্রার্থীদের নিয়ে সম্মেলনের আয়োজন করে তৃণমূল। রামপুরহাট গার্লস স্কুলে আয়োজিত সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন দলের জেলা চেয়ারম্যান আশিস বন্দ্যোপাধ্যায়, জেলার সহ সভাপতি সৌমেন ভকত, আইএনটিটিইউসির জেলা সভাপতি ত্রিদিব ভট্টাচার্য, রামপুরহাট-১ ব্লক সভাপতি নীহার মুখোপাধ্যায়, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি মহুয়া সাহা প্রমুখ। সেখানেই সরকারি বাড়ি নিয়ে বিরোধীদের পাল্টা প্রচারে দলের নির্বাচিত সদস্যদের খামতি রয়েছে বলে অভিযোগ তোলে নেতৃত্ব।
রামপুরহাট-১ ব্লকের কার্যকরী সভাপতি মইনুদ্দিন হোসেন বলেন, যারা ঘর পেয়েছেন তাঁদের বোঝাতে হবে এই ঘর বাংলার মুখ্যমন্ত্রী দিয়েছেন। কিন্তু বিরোধীরা বঞ্চিতদের বাড়ি গিয়ে ভুল বুঝিয়ে আমাদের প্রতি মানুষকে ক্ষিপ্ত করে তুলছে। অথচ এখানে কেন্দ্রের কোনও ভূমিকা নেই। কিন্তু আমাদের জনপ্রতিনিধি ও নেতৃত্বদের পাল্টা প্রচারে খামতি থেকে যাচ্ছে। বাড়ি বাড়ি গিয়ে আমাদের বোঝাতে হবে, ২০১৭ সালের তালিকা অনুযায়ী এখন ঘরের টাকা দেওয়া হচ্ছে। তার পরে যাঁরা আবেদন করেছেন তাঁদের এখন তালিকায় নাম নেই। মানুষকে বোঝাতে হবে আপনি নিয়ম অনুযায়ী বাদ গিয়েছেন। এখানে জনপ্রতিনিধি বা তৃণমূলের কেউ আপনাদের নাম কাটেনি। একইভাবে আবাস যোজনা নিয়ে মানুষের কাছে সঠিক প্রচারের উপর জোর দিতে জনপ্রতিনিধিদের নির্দেশ দেন ত্রিদিব ভট্টাচার্য। 
আশিসবাবু বলেন, এই পর্যায়ে ১২ লক্ষ পরিবার সরকারি বাড়ি পেয়েছেন। এরপর আরও ১৬ লক্ষ পরিবার বাড়ি পাবে। মানুষের মধ্যে এই কথাগুলি তুলে ধরে সংশয় কাটানোর কাজ করতে হবে মেম্বার ও দলীয় কর্মীদের। এবং জোরকদমে সেই প্রচার করতে হবে।
সম্পর্কিত সংবাদ