সংবাদদাতা, কাঁথি: জন্ম থেকেই মানসিক প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। সেই প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছে কাঁথির দেশপ্রাণ ব্লকের ফরিদপুরের নারী ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ দপ্তর পরিচালিত ‘বোধোদয়’ হোমের দুই আবাসিক। তাদের নাম সৌরভ রাই ও শম্ভু দাস। তারা স্থানীয় দেশদত্তবাড় ইউনাইটেড হাই স্কুলের ছাত্র। তাদের সিট পড়েছে বিচুনিয়া জগন্নাথ বিদ্যামন্দিরে। সৌরভ ও শম্ভুর পরিবারের কেউ নেই। হোমই তাদের পরিবার।
Advertisement
হোম সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৩ সালে ছোট্ট সৌরভকে তার মা ট্রেনে ফেলে রেখে চলে যায়। খড়্গপুর রেল পুলিস শিশুটিকে উদ্ধার করেছিল। তারপর এই হোমে ঠাঁই হয় সৌরভের। তখন তার বয়স ছিল ছ’বছর। হোমে আসার পর সকলের কাউন্সেলিং ও পরিচর্যায় বড় হয়েছে সৌরভ। মানসিক সুস্থতার জন্য ওষুধপত্র খাওয়ানো হতো। ক্রমশ মানসিক বিকাশ হয় তার। তাকে লেখাপড়া শেখানো হয়। এখন তার বয়স ১৪ বছর ১০ মাস।
শম্ভু যখন এই হোমে আসে, তার বয়স ছিল ১৪ বছর। তার আগে সে কলকাতায় চায়ের দোকানে কাজ করত। কলকাতার রাজপথে ফুটপাতে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরতে দেখে তাকে উদ্ধার করেছিল পুলিস। শম্ভু আগে পড়তে-লিখতে পারত না। পরবর্তীকালে হোমের স্পেশাল এডুকেটর ও কর্মীদের সহায়তায় পড়াশোনা করতে শেখে। তারপর একটু একটু করে তৈরি হয়েছে সে। এখন তার বয়স ১৯ বছর ১০ মাস। এর আগে দু’জনেই ফরিদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে চতুর্থ শ্রেণি পাশ করে। ২০২২ সালে আলাদারপুট জুনিয়র হাইস্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়। ২০২৩ সালে নবম শ্রেণিতে দেশদত্তবাড় হাইস্কুলে ভর্তি হয়।
বোধোদয় হোমের অধীক্ষক তাপস জানা বলেন, এদের দু’জনের আই কিউ লেভেল স্বাভাবিকের তুলনায় কম। তবে একটু একটু করে তা বাড়ছে। প্রতিবন্ধকতা জয় করে যে এরা মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে পেরেছে, সেটাই অনেক। তারজন্য আমরা গর্ব অনুভব করছি। এই হোমটি ফরিদপুর বিবেকানন্দ লোকশিক্ষা নিকেতন পরিচালিত। সংস্থার কর্ণধার ব্রজগোপাল সাহু বলেন, আমরা দুই পরীক্ষার্থীর সাফল্য কামনা করেছি।
শম্ভু যখন এই হোমে আসে, তার বয়স ছিল ১৪ বছর। তার আগে সে কলকাতায় চায়ের দোকানে কাজ করত। কলকাতার রাজপথে ফুটপাতে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরতে দেখে তাকে উদ্ধার করেছিল পুলিস। শম্ভু আগে পড়তে-লিখতে পারত না। পরবর্তীকালে হোমের স্পেশাল এডুকেটর ও কর্মীদের সহায়তায় পড়াশোনা করতে শেখে। তারপর একটু একটু করে তৈরি হয়েছে সে। এখন তার বয়স ১৯ বছর ১০ মাস। এর আগে দু’জনেই ফরিদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ২০১৮ সালে চতুর্থ শ্রেণি পাশ করে। ২০২২ সালে আলাদারপুট জুনিয়র হাইস্কুল থেকে অষ্টম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হয়। ২০২৩ সালে নবম শ্রেণিতে দেশদত্তবাড় হাইস্কুলে ভর্তি হয়।
বোধোদয় হোমের অধীক্ষক তাপস জানা বলেন, এদের দু’জনের আই কিউ লেভেল স্বাভাবিকের তুলনায় কম। তবে একটু একটু করে তা বাড়ছে। প্রতিবন্ধকতা জয় করে যে এরা মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসতে পেরেছে, সেটাই অনেক। তারজন্য আমরা গর্ব অনুভব করছি। এই হোমটি ফরিদপুর বিবেকানন্দ লোকশিক্ষা নিকেতন পরিচালিত। সংস্থার কর্ণধার ব্রজগোপাল সাহু বলেন, আমরা দুই পরীক্ষার্থীর সাফল্য কামনা করেছি।



