ইম্ফল ও নয়াদিল্লি: হিংসাদীর্ণ মণিপুরে শান্তি ফেরাতে ব্যর্থ প্রশাসন। দু’বছরের বেশি সময় ধরে চলা গোষ্ঠী সংঘর্ষের প্রেক্ষাপটে সম্প্রতি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এন বীরেন সিংকে সরিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছে বিজেপি নেতৃত্ব। তার জেরে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে জারি হয়েছে রাষ্ট্রপতি শাসন। বিরোধীদের অভিযোগ, হিংসা মোকাবিলায় ব্যর্থতা নয়, রাজ্য বিজেপির অন্দরে বিক্ষোভ ও বিধানসভায় বিরোধীদের অনাস্থা প্রস্তাবের ভয়েই রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছে। এরইমধ্যে মণিপুরে ফের সরকার গঠনে দলের তৎপরতার কথা স্বীকার করে নিয়েছেন রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা ইয়ামনাম খেমচাঁদ।
Advertisement
প্রাক্তন মন্ত্রী বলেছেন, ‘খুব শীঘ্রই বিজেপি বিধায়করা বৈঠকে বসবেন। সেখানেই মণিপুরে নয়া সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা হবে।’ তবে সেই বৈঠকে ৭জন কুকি বিজেপি বিধায়ক হাজির থাকবেন কি না, কৌশলে সে প্রশ্নের স্পষ্ট জবাব এড়িয়েছেন ইয়ামনাম। তিনি বলেন, ‘মনে হচ্ছে না। কারণ, গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে তাঁদের ইম্ফল পৌঁছনো বেশ কঠিন।’ এদিকে, বিজেপি বিধায়কদের মধ্যেই তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে। অনেকেই নতুন দল গড়ার কথা ভাবছেন বলেও খবর। যদিও এই ধরনের জল্পনা উড়িয়ে দিয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী।
এই আবহে রাজ্যে শান্তি স্থাপনে সশস্ত্র গোষ্ঠী ও ব্যক্তিকে সাতদিনে সময়সীমা বেঁধে দিলেন মণিপুরের রাজ্যপাল অজয়কুমার ভাল্লা। তিনি জানিয়েছেন, এই সময়সীমার মধ্যে লুট করা বা বেআইনিভাবে রাখা অস্ত্রসস্ত্র ও বিস্ফোরক জমা দিতে হবে। এই নির্দেশ মতো হাতিয়ার জমা দিলে কোনও শাস্তির মুখে পড়তে হবে না। কিন্তু, অন্যথা হলেই কড়া পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন।
এই আবহে রাজ্যে শান্তি স্থাপনে সশস্ত্র গোষ্ঠী ও ব্যক্তিকে সাতদিনে সময়সীমা বেঁধে দিলেন মণিপুরের রাজ্যপাল অজয়কুমার ভাল্লা। তিনি জানিয়েছেন, এই সময়সীমার মধ্যে লুট করা বা বেআইনিভাবে রাখা অস্ত্রসস্ত্র ও বিস্ফোরক জমা দিতে হবে। এই নির্দেশ মতো হাতিয়ার জমা দিলে কোনও শাস্তির মুখে পড়তে হবে না। কিন্তু, অন্যথা হলেই কড়া পদক্ষেপ নেবে প্রশাসন।



