১ মার্চ, নয়াদিল্লি: মণিপুর নিয়ে ঘোর অস্বস্তিতে মোদি সরকার। উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যের আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থা ভেঙে পড়েছে। রাস্তায় রাস্তায় ব্যারিকেড করে রেখেছে বিবাদমান দুই গোষ্ঠী। দীর্ঘদিন ধরে অশান্তি চলছে মণিপুরে। কিছুদিন আগেই মুখ্যমন্ত্রীর পদে পদত্যাগ করেছেন বীরেন সিং। আপাতত এই রাজ্যে জারি রয়েছে রাষ্ট্রপতি শাসন। এই পরিস্থিতিতে আজ, শনিবার নয়াদিল্লিতে মণিপুর নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আগামী ৮ মার্চের মধ্যে মণিপুরের সমস্ত রাস্তায় সাধারণ মানুষের অবাধ যাতায়াত নিশ্চিত করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। কাজে বাধা দিলে কড়া পদক্ষেপ নেওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সমস্ত রাস্তা যাতে খোলা থাকে সেই বিষয়েও কড়া নির্দেশ দিয়েছেন শাহ।
Advertisement
এদিনের বৈঠকে সীমান্তে বেড়া দেওয়ার কাজে গতি আনার উপরেও জোর দিয়েছেন শাহ। তিনি বলেন, ‘তোলাবাজির কোনও ঘটনা সামনে এলে সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নিতে হবে। মাদক চোরাচালান চক্র ভেঙে দিতে হবে। সেইসঙ্গে দ্রুত শেষ করে ফেলতে হবে মণিপুর লাগোয়া আন্তর্জাতিক সীমান্তে বেড়া দেওয়ার কাজ।’
২০২৩ সালের মে থেকে অশান্তির আগুনে জ্বলছে মণিপুর। ১৩ ফ্রেব্রুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন এন বীরেন সিং। তারপরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। তারপরেই এই প্রথম নিরাপত্তা পর্যালোচনায় বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল অজয় ভাল্লা সহ মণিপুর সরকারের পদস্থ আধিকারিকরা। এছাড়াও বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন সেনা ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্তারা।
২০২৩ সালের মে থেকে অশান্তির আগুনে জ্বলছে মণিপুর। ১৩ ফ্রেব্রুয়ারি মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দেন এন বীরেন সিং। তারপরে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়েছে উত্তর-পূর্বের এই রাজ্যে। তারপরেই এই প্রথম নিরাপত্তা পর্যালোচনায় বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল অজয় ভাল্লা সহ মণিপুর সরকারের পদস্থ আধিকারিকরা। এছাড়াও বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন সেনা ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর উচ্চপদস্থ কর্তারা।



