সংবাদদাতা, মানকর: ইংরেজদের প্রতিষ্ঠিত চার্চ বড়দিন উপলক্ষে সেজে উঠেছে। মানকরের হাসপাতাল লাগোয়া সেন্ট লুক’স চার্চ ও সাহেবডাঙা চার্চে খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের পাশাপাশি বহু সাধারণ মানুষ ভিড় জমিয়েছেন। প্রার্থনাকক্ষের পাশাপাশি চার্চ প্রাঙ্গণ সাজিয়ে তোলা হয়েছে।
Advertisement
দু’টি চার্চ ঘুরে দেখা গেল, কয়েক হাজার মানুষ প্রার্থনায় শামিল হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকালে প্রার্থনা হয়েছে। চার্চে আসা শিশু ও ভক্তদের মধ্যে কেক, চকোলেট বিতরণের ব্যবস্থা থাকছে। এছাড়া, নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান রয়েছে। চার্চের বাইরে সুন্দর খড়ের ঘর তৈরি করে প্রভু যীশুখ্রীস্টের জন্ম ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। চার্চের বাইরে বিভিন্ন ব্যবসায়ীরা স্টল সাজিয়েছেন।
সেন্ট লুক’স চার্চ ১৯৩৯ সালে তৈরি। ক্রিশ্চান মিশনারি জেনেনা সোসাইটি মানকরের তৎকালীন জমিদার হিতলাল মিশ্রকে প্রস্তাব দিয়েছিল, তারা একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করতে ইচ্ছুক। তবে সেজন্য চার্চ তৈরির অনুমতি দিতে হবে। জমিদার সেই অনুমতি দেন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জায়গায় পরবর্তীকালে তৈরি হয় মানকর গ্রামীণ হাসপাতাল। হাসপাতালের পাশে এই প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চে বহু মানুষ প্রার্থনা করতে আসেন। দুর্গাপুর ডায়োসিস থেকে এই চার্চ রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। একসময় টালির ছাদের চার্চ ছিল। তবে ২০০৪ সালে ভবনটি সংস্কার করা হয়েছে।প্রতিবছর দু’টি চার্চেই বহু মানুষ ভিড় করেন।
সেন্ট লুক’স চার্চ ১৯৩৯ সালে তৈরি। ক্রিশ্চান মিশনারি জেনেনা সোসাইটি মানকরের তৎকালীন জমিদার হিতলাল মিশ্রকে প্রস্তাব দিয়েছিল, তারা একটি স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করতে ইচ্ছুক। তবে সেজন্য চার্চ তৈরির অনুমতি দিতে হবে। জমিদার সেই অনুমতি দেন। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের জায়গায় পরবর্তীকালে তৈরি হয় মানকর গ্রামীণ হাসপাতাল। হাসপাতালের পাশে এই প্রোটেস্ট্যান্ট চার্চে বহু মানুষ প্রার্থনা করতে আসেন। দুর্গাপুর ডায়োসিস থেকে এই চার্চ রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়। একসময় টালির ছাদের চার্চ ছিল। তবে ২০০৪ সালে ভবনটি সংস্কার করা হয়েছে।প্রতিবছর দু’টি চার্চেই বহু মানুষ ভিড় করেন।



