সংবাদদাতা, মানকর: উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা দিতে পড়ুয়ারা আসছে বাইক চালিয়ে। অনেক অবার হেলমেট না পরে বাইক চালাচ্ছে। তার উপর বাইক ছুটছে বেপরোয়া গতিতে। সোমবার উচ্চ মাধ্যমিকের বাংলা পরীক্ষা ছিল। প্রথম দিনেই মানকর উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে এমনই একাধিক ছবি দেখা গেল। তাই পরীক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছে পুলিস থেকে শিক্ষকরা।
Advertisement
মানকর উচ্চ বিদ্যালয়ে পরীক্ষা দিতে আসছে আসে পাশের সাতটি বিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা। এই পরীক্ষাকেন্দ্রের সামনে দাঁড়ালেই হেলমেট না পরে পরীক্ষার্থীদের বাইক চালিয়ে আসার ছবি দেখা যাচ্ছে। তাদের মধ্যে অনেকের মাথায় হেলমেটও নেই। বিদ্যালয়ে পথ নিরাপত্তা নিয়ে পুলিসের পক্ষ থেকে পাঠ দিলেও তা অনেকেই মানছে না। স্থানীয়দের দাবি, জীবনের এই বড় পরীক্ষার কারণে পুলিসও সেভাবে পদক্ষেপ করতে পারে না। আর সেই সুযোগ পুরোপুরি কাজে লাগাচ্ছে এক শ্রেণির পড়ুয়া থেকে অভিভাবকরা।
এক অভিভাবক বলেন, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষায় অনেকেই একা বা অনেককে নিয়ে বাইক চালিয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে আসছে। যারা বাইক চালিয়ে আসছে, তাদের মাথায় হেলমেট নেই কেন? এই সব প্রশ্ন করলে পরীক্ষার্থীরা বিরক্ত হচ্ছে। নানা অজুহাতও দিচ্ছে। পরীক্ষার শেষেও দ্রুত গতিতে গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছে। দেখলেই ভয় লাগে। যদিও এই পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়া জরুরি।
মানকর উচ্চ বিদ্যালয়ের সেন্টার সেক্রেটারি সায়ন্তন গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, অনেক পড়ুয়াই বাইক নিয়ে স্কুলে আসছে। অনেকে হেলমেট ব্যবহার করছে না। এটা খুবই উদ্বেগের বিষয়। পরীক্ষার সময় এই ছবি দেখা যাচ্ছে। এমনিতেই স্কুলের সময় আমরা চিন্তিত থাকি। পাশেই মানকর-গুসকরা রাজ্য সড়ক। এখন চিন্তা আরও বেড়েছে। বুদবুদ মহাকালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিক্রমাদিত্য মণ্ডল বলেন, এটা কখনওই উচিৎ নয়। গত বছর আমাদের পরীক্ষাকেন্দ্রে এক পড়ুয়া বাইক নিয়ে আসার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
বুদবুদ থানার ওসি(ট্রাফিক) চিরঞ্জীব গুহরায় বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ও একই ছবি দেখা গিয়েছিল। তবে, নিয়মিত সচেতনতা শিবির করা হচ্ছে। অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে।
এক অভিভাবক বলেন, জীবনের গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষায় অনেকেই একা বা অনেককে নিয়ে বাইক চালিয়ে ঊর্ধ্বশ্বাসে আসছে। যারা বাইক চালিয়ে আসছে, তাদের মাথায় হেলমেট নেই কেন? এই সব প্রশ্ন করলে পরীক্ষার্থীরা বিরক্ত হচ্ছে। নানা অজুহাতও দিচ্ছে। পরীক্ষার শেষেও দ্রুত গতিতে গাড়ি নিয়ে বাড়ি ফিরছে। দেখলেই ভয় লাগে। যদিও এই পরিস্থিতিতে অভিভাবকদের সচেতন হওয়া জরুরি।
মানকর উচ্চ বিদ্যালয়ের সেন্টার সেক্রেটারি সায়ন্তন গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, অনেক পড়ুয়াই বাইক নিয়ে স্কুলে আসছে। অনেকে হেলমেট ব্যবহার করছে না। এটা খুবই উদ্বেগের বিষয়। পরীক্ষার সময় এই ছবি দেখা যাচ্ছে। এমনিতেই স্কুলের সময় আমরা চিন্তিত থাকি। পাশেই মানকর-গুসকরা রাজ্য সড়ক। এখন চিন্তা আরও বেড়েছে। বুদবুদ মহাকালী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বিক্রমাদিত্য মণ্ডল বলেন, এটা কখনওই উচিৎ নয়। গত বছর আমাদের পরীক্ষাকেন্দ্রে এক পড়ুয়া বাইক নিয়ে আসার সময় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। তাকে উদ্ধার করে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
বুদবুদ থানার ওসি(ট্রাফিক) চিরঞ্জীব গুহরায় বলেন, বিষয়টি নজরে এসেছে। মাধ্যমিক পরীক্ষার সময়ও একই ছবি দেখা গিয়েছিল। তবে, নিয়মিত সচেতনতা শিবির করা হচ্ছে। অভিভাবকদেরও সচেতন হতে হবে।



