সংবাদদাতা, মানিকচক: মানিকচকের উত্তর হুকুমতটোলা গ্রামে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। পরপর চারটি বাড়িতে আগুন লাগার পর গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে ভয়াবহ বিস্ফোরণ। আগুনে পুড়ে গুরুতর জখম পুলিসকর্মী সহ কমপক্ষে দশজন। তাঁদের ভর্তি করা হয়েছে মালদহ জেলা হাসপাতালে। আগুনে পুড়ে ছাই সমস্ত আসবাবপত্র সহ দুটি বাইক। আশ্রয় হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে দিন কাটাচ্ছে চারটি পরিবার।
Advertisement
পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মানিকচকের গোপালপুর পঞ্চায়েতের উত্তর হুকুমতটোলার বাসিন্দা মুনচেহার শেখ কৃষিকাজ করে সংসার চালান। মঙ্গলবার রাতে তাঁর বাড়িতে প্রথমে আগুন লাগে। খুব অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পার্শ্ববর্তী চারটি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। লেলিহান শিখা দেখে ছুটে আসেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। আগুন নেভাতে গিয়ে অগ্নিদগ্ধ হন পরিবারের ছ’জন। আগুনের তাপে ঘরে রাখা গ্যাস সিলিন্ডার ফেটে যায়। তখন আরও কয়েকজন আহত হন। তাঁদের মধ্যে ছিলেন মানিকচক থানার আধিকারিক বিকাশ চন্দ্র রায়। শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছিল বলে প্রাথমিক অনুমান।
গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, কৃষিকাজে ব্যবহারের জন্য বাড়িতে ডিজেল ও পেট্রল মজুদ থাকত। দাহ্য পদার্থ থাকার কারণে অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতা ও ক্ষতির পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে নেভানো দূরের কথা, স্থানীয়রা চেষ্টা করেও তাপের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটির কাছাকাছি পৌঁছতে পারেনি। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল মানিকচক থানা ও মিল্কি ফাঁড়ির পুলিস। খবর দেওয়া হয়েছিল দমকল বিভাগকেও। তবে শিবরাত্রির জন্য যানজট থাকায় আসতে দেরি হয়। পরে দমকলের দুটি ইঞ্জিন দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডের অনেক পরে দমকলের ইঞ্জিন আসায় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন মানিকচকের বিডিও অনুপ চক্রবর্তী সহ ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। তড়িঘড়ি ছুটে যান মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র, মালদহ জেলা তৃণমূল যুব সভাপতি বিশ্বজিত মণ্ডল সহ জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা।
বুধবার সকালে উত্তর হুকুমতটোলায় গিয়ে দেখা যায় অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে রয়েছে পরিবারগুলি। ঘরের দেওয়ালে সর্বত্র পোড়া ছাপ। মুনচেহার বলেন, শর্ট সার্কিটের জন্যই এই অগ্নিকাণ্ড। বাড়িতে তেল মজুত ছিল না। আগুন লাগার পর কোনওরকমে সন্তানদের নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে প্রাণে বেঁচেছি। তবে আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী বাঁচাতে পারিনি। খোলা আকাশের নিচে রয়েছি আমরা।
এদিন ব্লক প্রশাসন বেশকিছু ত্রাণ সামগ্রী দিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে। সাবিত্রী মিত্র ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সমস্ত কিছু হারিয়ে সকলে আতঙ্কে রয়েছেন। মানিকচক ব্লক প্রশাসন সহায়তা করবে। পরবর্তীতে কিছু সরকারি সাহায্য দেওয়ার চেষ্টা করব।
গ্রামবাসীদের একাংশের দাবি, কৃষিকাজে ব্যবহারের জন্য বাড়িতে ডিজেল ও পেট্রল মজুদ থাকত। দাহ্য পদার্থ থাকার কারণে অগ্নিকাণ্ডের ভয়াবহতা ও ক্ষতির পরিমাণ কয়েক গুণ বেড়ে যায়। আগুনের তীব্রতা এতটাই ছিল যে নেভানো দূরের কথা, স্থানীয়রা চেষ্টা করেও তাপের জন্য ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িটির কাছাকাছি পৌঁছতে পারেনি। সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিল মানিকচক থানা ও মিল্কি ফাঁড়ির পুলিস। খবর দেওয়া হয়েছিল দমকল বিভাগকেও। তবে শিবরাত্রির জন্য যানজট থাকায় আসতে দেরি হয়। পরে দমকলের দুটি ইঞ্জিন দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। অগ্নিকাণ্ডের অনেক পরে দমকলের ইঞ্জিন আসায় বাসিন্দারা ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে আসেন মানিকচকের বিডিও অনুপ চক্রবর্তী সহ ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা। তড়িঘড়ি ছুটে যান মানিকচকের বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র, মালদহ জেলা তৃণমূল যুব সভাপতি বিশ্বজিত মণ্ডল সহ জনপ্রতিনিধি ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা।
বুধবার সকালে উত্তর হুকুমতটোলায় গিয়ে দেখা যায় অগ্নিকাণ্ডে সর্বস্ব হারিয়ে খোলা আকাশের নীচে রয়েছে পরিবারগুলি। ঘরের দেওয়ালে সর্বত্র পোড়া ছাপ। মুনচেহার বলেন, শর্ট সার্কিটের জন্যই এই অগ্নিকাণ্ড। বাড়িতে তেল মজুত ছিল না। আগুন লাগার পর কোনওরকমে সন্তানদের নিয়ে বাড়ি থেকে পালিয়ে প্রাণে বেঁচেছি। তবে আসবাবপত্র ও অন্যান্য সামগ্রী বাঁচাতে পারিনি। খোলা আকাশের নিচে রয়েছি আমরা।
এদিন ব্লক প্রশাসন বেশকিছু ত্রাণ সামগ্রী দিয়েছে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে। সাবিত্রী মিত্র ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা সমস্ত কিছু হারিয়ে সকলে আতঙ্কে রয়েছেন। মানিকচক ব্লক প্রশাসন সহায়তা করবে। পরবর্তীতে কিছু সরকারি সাহায্য দেওয়ার চেষ্টা করব।



