সংবাদদাতা, মানিকচক: শিবরাত্রি উপলক্ষে মঙ্গলবার থেকেই পুণ্যার্থীদের উপচে পড়া ভিড় মানিকচক ঘাটে। বুধবার মানিকচকে পাঁচ লক্ষের বেশি পুণ্যার্থী আসার সম্ভাবনা। তাই আয়োজন ও নিরাপত্তা নিয়ে তৎপর প্রশাসন। তবে,ঘাটের ভাঙাচোরা জায়গা সংস্কার না হওয়ায় গঙ্গায় নামতে সমস্যায় পড়ছেন পুণ্যার্থীরা। দ্রুত সংস্কার এবং স্থায়ী ঘাটের দাবি তুলছেন তাঁরা।
Advertisement
শিবরাত্রিতে গঙ্গার মানিকচক ঘাট থেকে জল নিতে এবং স্নান করতে প্রতিবছর ভিড় জমান পুণ্যার্থীরা। এখান থেকে জল নিয়ে নিজ নিজ এলাকার মন্দিরের উদ্দেশে হেঁটে রওনা হন তাঁরা। কিন্তু এবছর ভিড়ের মাত্রা বেশি। পূর্ণকুম্ভের রেশ আছড়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। বুধবার শিবরাত্রি থাকলেও মঙ্গলবার থেকেই মালদহ জেলা এমনকী পার্শ্ববর্তী দক্ষিণ দিনাজপুরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে পুণ্যার্থীরা আসতে শুরু করেছেন মানিকচক ঘাটে।
নদীতে নজরদারির জন্য মোতায়েন করা হয়েছে সিভিল ডিফেন্সের দল। রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে পুলিস এবং মেডিকেল ক্যাম্প। মহিলাদের পোশাক পরিবর্তনের জন্য রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। নদীতে স্নানের নির্দিষ্ট জায়গা বাঁশের ব্যারিকেড করে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বড় যান চলাচল। তারপরেও মানিকচক ঘাটে পৌঁছে নদীতে নামতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পুণ্যার্থীদের। বিডিও অনুপ চক্রবর্তী বলেন, সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। সিভিল ডিফেন্স ও পুলিসকর্মী পর্যাপ্ত রয়েছেন। বুধবারের ভিড় সামলাতে অতিরিক্ত ব্যবস্থা থাকবে। পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য আমরা সব আয়োজন করেছি। গত দু’মাস আগে হঠাৎ ভাঙনের ফলে ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে নদী তীরবর্তী এলাকার স্থায়ী ঘাট। সেদিক দিয়েই এদিন নামতে দেখা গিয়েছে পুণ্যার্থীদের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঁশের ব্যারিকেড করা হলেও আজকেই পুণ্যার্থীদের চাপে তা ভেঙে পড়েছে। তার মধ্যেই নদীতে নেমে স্নান করে জল নিচ্ছেন পুণ্যার্থীরা। এবিষয়ে মালদহের বাচমারীর বাসিন্দা স্নেহাংশু ভট্টাচার্য বলেন, কুড়ি বছর ধরে মানিকচকে আসি। প্রতিবছর ব্যবস্থাপনা ভালো হয়। এবছরও আছে। কিন্তু নদী তীরবর্তী ভাঙা অংশে স্নানে অসুবিধে হচ্ছে। আর একটি ঘাট থাকলেও তা অনেক ছোট। প্রশাসনের উচিত সংস্কার করে স্থায়ী ঘাটের ব্যবস্থা করা। মঙ্গলবার মানিকচক ঘাটের ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করতে এসে পুণ্যার্থীদের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন মালদহ জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ মণ্ডল। তিনি বলেন, প্রশাসনের হাতে সময় কম থাকায় ভাঙা ঘাট সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। তবে পরবর্তীতে দ্রুত কাজ করা হবে। সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অন্যদিকে দক্ষিণ মালদহের জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক গৌরচন্দ্র মণ্ডলের অভিযোগ, ঘাট সংস্কারের জন্য কিছুদিন আগে মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপির বিরোধী দলনেতা ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছিলেন। তারপরেও কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। শিবরাত্রি উপলক্ষে উপচে পড়া ভিড় হয় এখানে। দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় প্রশাসনের।
নদীতে নজরদারির জন্য মোতায়েন করা হয়েছে সিভিল ডিফেন্সের দল। রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় রয়েছে পুলিস এবং মেডিকেল ক্যাম্প। মহিলাদের পোশাক পরিবর্তনের জন্য রয়েছে আলাদা ব্যবস্থা। নদীতে স্নানের নির্দিষ্ট জায়গা বাঁশের ব্যারিকেড করে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। যানজট এড়াতে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বড় যান চলাচল। তারপরেও মানিকচক ঘাটে পৌঁছে নদীতে নামতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পুণ্যার্থীদের। বিডিও অনুপ চক্রবর্তী বলেন, সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে। সিভিল ডিফেন্স ও পুলিসকর্মী পর্যাপ্ত রয়েছেন। বুধবারের ভিড় সামলাতে অতিরিক্ত ব্যবস্থা থাকবে। পুণ্যার্থীদের সুবিধার জন্য আমরা সব আয়োজন করেছি। গত দু’মাস আগে হঠাৎ ভাঙনের ফলে ভাঙাচোরা অবস্থায় রয়েছে নদী তীরবর্তী এলাকার স্থায়ী ঘাট। সেদিক দিয়েই এদিন নামতে দেখা গিয়েছে পুণ্যার্থীদের। প্রশাসনের পক্ষ থেকে বাঁশের ব্যারিকেড করা হলেও আজকেই পুণ্যার্থীদের চাপে তা ভেঙে পড়েছে। তার মধ্যেই নদীতে নেমে স্নান করে জল নিচ্ছেন পুণ্যার্থীরা। এবিষয়ে মালদহের বাচমারীর বাসিন্দা স্নেহাংশু ভট্টাচার্য বলেন, কুড়ি বছর ধরে মানিকচকে আসি। প্রতিবছর ব্যবস্থাপনা ভালো হয়। এবছরও আছে। কিন্তু নদী তীরবর্তী ভাঙা অংশে স্নানে অসুবিধে হচ্ছে। আর একটি ঘাট থাকলেও তা অনেক ছোট। প্রশাসনের উচিত সংস্কার করে স্থায়ী ঘাটের ব্যবস্থা করা। মঙ্গলবার মানিকচক ঘাটের ব্যবস্থাপনা পরিদর্শন করতে এসে পুণ্যার্থীদের দাবিকে সমর্থন জানিয়েছেন মালদহ জেলা যুব তৃণমূল সভাপতি বিশ্বজিৎ মণ্ডল। তিনি বলেন, প্রশাসনের হাতে সময় কম থাকায় ভাঙা ঘাট সংস্কার করা সম্ভব হয়নি। তবে পরবর্তীতে দ্রুত কাজ করা হবে। সবরকম ব্যবস্থা করা হয়েছে।
অন্যদিকে দক্ষিণ মালদহের জেলা বিজেপির সাধারণ সম্পাদক গৌরচন্দ্র মণ্ডলের অভিযোগ, ঘাট সংস্কারের জন্য কিছুদিন আগে মানিকচক পঞ্চায়েত সমিতির বিজেপির বিরোধী দলনেতা ব্লক প্রশাসনকে জানিয়েছিলেন। তারপরেও কোনও উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। শিবরাত্রি উপলক্ষে উপচে পড়া ভিড় হয় এখানে। দুর্ঘটনা ঘটলে তার দায় প্রশাসনের।



