সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: কুসংস্কারে মজে শ্বশুরবাড়ির লোকজন। তার প্রতিবাদ করতেই স্ত্রীকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠল স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ময়নাগুড়ির খাগড়াবাড়ি-২ পঞ্চায়েতের নীরেন্দ্রপুর গ্রামে। ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন ওই পঞ্চায়েতের প্রধান তৃণমূলের বাবলু রায়। শনিবার জখম গৃহবধূ ময়নাগুড়ি থানায় স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিস।
Advertisement
অভিযোগ, নীরেন্দ্রপুর এলাকার একটি পরিবারের লোকজন কুসংস্কারে বিশ্বাসী। তান্ত্রিকের বাড়িতে তাঁদের যাওয়া আসা রয়েছে। স্বামী তান্ত্রিকের বাড়ি থেকে মাদুলি নিয়ে এসে প্রায়ই স্ত্রীকে দেন। এবং সেটি পরার জন্য শ্বশুরবাড়ির লোকজন চাপ সৃষ্টি করে। কেন এত মাদুলি নিয়ে এসে পরানো হচ্ছে তা জানার চেষ্টা করলে শ্বশুরবাড়ির লোকজন বধূর উপর অত্যাচার করে বলে অভিযোগ। এবার শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাবিজ কবজ নিয়ে আসতে শুরু করেছে বধূর শিশুকন্যার জন্য। শুক্রবার তিন বছরের শিশুকন্যার জন্য নিয়ে আসা মাদুলি পরাতে গেলে বাধা দেন ওই বধূ। অভিযোগ সেই সময় স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন লোহার পাইপ দিয়ে তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন। পরবর্তীতে তাঁকে ফাঁস লাগিয়ে খুনের চেষ্টা করে বলেও অভিযোগ।
যদিও অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন স্বামী। তিনি ফোনে বলেন, আমি অসুস্থ। জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছি। আমার স্ত্রী প্রায়ই বাড়িতে অত্যাচার করে। বাড়ির কল্যাণের জন্য ওঝা-কবিরাজের কাছে যাওয়া কি অপরাধ?
যদিও অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন স্বামী। তিনি ফোনে বলেন, আমি অসুস্থ। জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছি। আমার স্ত্রী প্রায়ই বাড়িতে অত্যাচার করে। বাড়ির কল্যাণের জন্য ওঝা-কবিরাজের কাছে যাওয়া কি অপরাধ?



