সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: স্বনির্ভর গোষ্ঠীর বৈঠক চলাকালীনই গোষ্ঠীর ক্যাশিয়ারকে ডেকে এনে মারধর করার অভিযোগ উঠল এক যুবকের বিরুদ্ধে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক চাঞ্চল ছড়িয়েছে ময়নাগুড়ির মরিচবাড়িতে। ঘটনাটি ঘটেছে রবিবার রাতে। সেদিনই ময়নাগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন জখম ক্যাশিয়ার কবিতা দাস। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিস। যদিও অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি অভিযুক্তর।
Advertisement
রবিবার সন্ধ্যায় মরিচবাড়িতে কবিতা দাসের বাড়িতে গোষ্ঠীর বৈঠক চলছিল। অভিযোগ, সেই সময় মিঠুন অধিকারী নামে এক যুবক ওই বাড়িতে ঢুকে পড়ে। কবিতা দাসকে ডাকলে তিনি ঘরের বাইরে বের হতেই তাঁর চুলের মুঠি ধরে চড়-থাপ্পর মারতে থাকে। ঠাকুমাকে মারধর করতে দেখে তাঁর নাতি চিৎকার করে। তখনই অভিযুক্ত যুবক পালিয়ে যায়।
কবিতা দাস বলেন, আমাদের গোষ্ঠীতে ১০ জন সদস্য। আমরা ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ব্যাঙ্ক থেকে লোন তুলেছি। আমাদের নিয়ম, যাঁরা ভালো করে আগের লোনের টাকা বুঝিয়ে দেবেন তাঁদের একটু বেশি টাকা দেওয়া। অভিযুক্তর স্ত্রীর আমাদেরই গোষ্ঠীর সদস্য। তাঁর কাছ থেকে আগের কিস্তির তিন হাজার টাকা পাওয়া যাবে। তাই অভিযুক্তর স্ত্রী অঞ্জলি অধিকারীকে বলেছিলাম ১২ হাজার টাকা নিতে। অর্ধেক টাকা শোধ করা হলে আরও কিছু টাকা তুলে দেওয়া হবে। অঞ্জলি হয়তো বাড়ি গিয়ে এ কথা জানানোয় তাঁর স্বামী এসে টাকার জন্য আমাকে মারধর করে। এ ব্যাপারে থানায় জানিয়েছি।
এ বিষয়ে অঞ্জলি অধিকারী বলেন, আমার কাছে আগের কোনও টাকা গোষ্ঠী পাবে না। আমাদের গোষ্ঠী যে টাকা ব্যাঙ্ক থেকে পেয়েছে সেটা সকলকে ভাগ করার দেওয়ার কথা। কিন্তু কবিতা দাস সেটা দিতে চাইছেন না। আমার স্বামী একথা জিজ্ঞাসা করতে গেলে উনি উল্টো স্বামীকে মারধর করতে উদ্যত হন। অভিযুক্ত মিঠুন অধিকারীর দাবি, কাউকে মারধর করা হয়নি। ওই মহিলা মিথ্যে কথা বলছেন। অন্যদিকে, ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, অভিযোগ জমা পড়েছে। ঘটনার তদন্তে নামা হয়েছে।
কবিতা দাস বলেন, আমাদের গোষ্ঠীতে ১০ জন সদস্য। আমরা ২ লক্ষ ৮০ হাজার টাকা ব্যাঙ্ক থেকে লোন তুলেছি। আমাদের নিয়ম, যাঁরা ভালো করে আগের লোনের টাকা বুঝিয়ে দেবেন তাঁদের একটু বেশি টাকা দেওয়া। অভিযুক্তর স্ত্রীর আমাদেরই গোষ্ঠীর সদস্য। তাঁর কাছ থেকে আগের কিস্তির তিন হাজার টাকা পাওয়া যাবে। তাই অভিযুক্তর স্ত্রী অঞ্জলি অধিকারীকে বলেছিলাম ১২ হাজার টাকা নিতে। অর্ধেক টাকা শোধ করা হলে আরও কিছু টাকা তুলে দেওয়া হবে। অঞ্জলি হয়তো বাড়ি গিয়ে এ কথা জানানোয় তাঁর স্বামী এসে টাকার জন্য আমাকে মারধর করে। এ ব্যাপারে থানায় জানিয়েছি।
এ বিষয়ে অঞ্জলি অধিকারী বলেন, আমার কাছে আগের কোনও টাকা গোষ্ঠী পাবে না। আমাদের গোষ্ঠী যে টাকা ব্যাঙ্ক থেকে পেয়েছে সেটা সকলকে ভাগ করার দেওয়ার কথা। কিন্তু কবিতা দাস সেটা দিতে চাইছেন না। আমার স্বামী একথা জিজ্ঞাসা করতে গেলে উনি উল্টো স্বামীকে মারধর করতে উদ্যত হন। অভিযুক্ত মিঠুন অধিকারীর দাবি, কাউকে মারধর করা হয়নি। ওই মহিলা মিথ্যে কথা বলছেন। অন্যদিকে, ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, অভিযোগ জমা পড়েছে। ঘটনার তদন্তে নামা হয়েছে।



