সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ময়নাগুড়িতে এক তৃণমূল যুব কংগ্রেস কর্মীর ঘাড়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপ মারার অভিযোগ উঠেছে তিনজনের বিরুদ্ধে। ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বার্নিশ গ্রাম পঞ্চায়েতে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার রাত ১২টা নাগাদ। ঘটনায় আহত জয়ন্ত রায়ের স্ত্রী করিশমা রায় ময়নাগুড়ি থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে ঘটনার তদন্তে নেমেছে ময়নাগুড়ি থানার পুলিস। ঘটনার নিন্দা করেছেন টিএমওয়াইসি’র ময়নাগুড়ি-২ সাংগঠনিক ব্লকের সভাপতি মনোজ দেবনাথ, সংগঠনের জলপাইগুড়ি জেলা সাধারণ সম্পাদক পাপন চাকলাদার।
Advertisement
বৃহস্পতিবার ময়নাগুড়ি থানায় জয়ন্ত রায় সহ দু’জনের নামে বার্নিশ এলাকার ললিত কুমার সরকার একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। সেই অভিযোগে তিনি জানিয়েছিলেন ২৫ তারিখ রাতে জয়ন্ত সরকার, পাপন চাকলাদার ও বিদ্যুৎ চাকলাদার তাঁর বাড়িতে হামলা চালাযন। যদিও ঘটনার কথা অস্বীকার করেছিলেন পাপন চাকলাদার সহ বাকি দু’জন। ২৬ তারিখ রাতে ললিত যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন এবার সেই জয়ন্ত রায়কে জখম করার অভিযোগ উঠল। ললিত সরকার ছাড়াও তাঁর এক দাদা এবং এক জামাইবাবুর বিরুদ্ধে জয়ন্ত রায়ের স্ত্রী লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।
জয়ন্ত রায় বলেন, আমি রাতে একটি অনুষ্ঠান বাড়ি থেকে ফিরেছিলাম। সেই সময় রাস্তায় তিনজন আমাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘাড়ে আঘাত করে। রাস্তায় লুটিয়ে পড়ি। আমার আর্তনাদ শুনে লোকজন আসতেই অভিযুক্তরা চম্পট দেয়। যাওয়ার সময় ওরা বলে যায় বাড়িতে এসে আমাকে খুন করবে। আতঙ্কে রয়েছি।
ললিত সরকারের স্ত্রী বীণা সরকার বলেন, স্বামী বাড়িতে নেই। ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে। আরএক অভিযুক্ত বাপ্পা দাসকে ফোন করা হলে তিনিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। বলেন, আমি ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে যাই না। আমার বাড়ি খাগড়াবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে। ভিত্তিহীন অভিযোগ এসব।
জয়ন্ত রায় বলেন, আমি রাতে একটি অনুষ্ঠান বাড়ি থেকে ফিরেছিলাম। সেই সময় রাস্তায় তিনজন আমাকে প্রাণে মারার চেষ্টা করে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘাড়ে আঘাত করে। রাস্তায় লুটিয়ে পড়ি। আমার আর্তনাদ শুনে লোকজন আসতেই অভিযুক্তরা চম্পট দেয়। যাওয়ার সময় ওরা বলে যায় বাড়িতে এসে আমাকে খুন করবে। আতঙ্কে রয়েছি।
ললিত সরকারের স্ত্রী বীণা সরকার বলেন, স্বামী বাড়িতে নেই। ভিত্তিহীন অভিযোগ করা হচ্ছে। আরএক অভিযুক্ত বাপ্পা দাসকে ফোন করা হলে তিনিও সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। বলেন, আমি ওই এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে যাই না। আমার বাড়ি খাগড়াবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতে। ভিত্তিহীন অভিযোগ এসব।



