সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: বেআইনি জলের প্লান্ট নিয়ে ময়নাগুড়িতে অভিযান জারি। বুধবার ময়নাগুড়ির রোডে এমনই দুটি প্লান্টে অভিযান করে চক্ষু চড়কগাছ ফুডসেফ্টি দপ্তর এবং পুলিসের। অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে চলছে জলের প্লান্ট। সেটি চালানোর জন্য যা যা সরকারি অনুমতি দরকার, কোনটাই ব্যবসায়ীরা প্রশাসনকে দেখাতে পারেনি। এমনকী, জলের গুণমান খতিয়ে না দেখে জারে ভরে বিক্রির কথা স্বীকার করেছেন এক ব্যবসায়ী। এই অনিয়ম দেখে বুধবার থেকে সেই প্লান্ট থেকে জল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দিয়েছে প্রশাসন। জল্পেশ এলাকাতেও একটি জলের প্লান্টে তালা ঝুলিয়ে দিয়েছে প্রশাসন। এদিন মোট চারটি প্লান্ট বন্ধ করা হয়েছে। ব্যবসায়ীদের দ্রুত সরকারি অনুমতি সংগ্রহের নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
Advertisement
কিছুদিন ধরে ময়নাগুড়ি শহর ও গ্রামীণ এলাকাজুড়ে পানীয় জলের অবৈধ প্লান্ট চালানোর অভিযোগ উঠেছিল। এর আগে শহর এলাকায় এবং কিছু গ্রামীণ এলাকায় ময়নাগুড়ি থানার পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হয়েছিল। সেই অভিযানেও একাধিক ব্যবসায়ীর নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল জলের প্লান্ট।
ময়নাগুড়ি রোড এলাকায় কয়েক বছর ধরে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন প্রাণতোষ সরকার। সেই খবর পেয়ে ফুডসেফ্টি ডিপার্টমেন্ট এবং পুলিস যৌথ অভিযান করে। প্রশাসনের কর্তারা এলে এদিন তিনি কোনও কাগজই দেখাতে পারেননি। তার কাছে জল বিক্রি এবং গুণগতমান পরীক্ষার কোনও অনুমতিই নেই। তাঁকে জল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, জল্পেশ এলাকায় উত্তম চক্রবর্তী, বাবলু চৌধুরীর জলের প্লান্টেও হানা দেয় প্রশাসন। সেই ব্যবসায়ীরাও সরকারি কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
এদিনের অভিযান ঘিরে ফুডসেফ্টি দপ্তরের আধিকারিক মীনাক্ষী খারকা বলেন, এদের যে ব্যবসার জন্য স্টেট লাইসেন্স করতে হবে। যেহেতু বড় ব্যবসা, সে কারণে স্টেট লাইসেন্স প্রয়োজন। অনলাইনে সেটার জন্য আবেদন করা যাবে। জলের গুণগতমান পরীক্ষা করাতে হবে। ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে। এছাড়াও যে সমস্ত বিভিন্ন কাগজপত্র প্রয়োজন, সেগুলি প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিনিয়ত এই অভিযান হবে। আইসি সুবল ঘোষ বলেন, কিছুদিন ধরে আমাদের অভিযান চলছে। কাগজ ছাড়া জল বিক্রি বরদাস্ত হবে না।
ময়নাগুড়ি রোড এলাকায় কয়েক বছর ধরে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিলেন প্রাণতোষ সরকার। সেই খবর পেয়ে ফুডসেফ্টি ডিপার্টমেন্ট এবং পুলিস যৌথ অভিযান করে। প্রশাসনের কর্তারা এলে এদিন তিনি কোনও কাগজই দেখাতে পারেননি। তার কাছে জল বিক্রি এবং গুণগতমান পরীক্ষার কোনও অনুমতিই নেই। তাঁকে জল বিক্রি বন্ধের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। অপরদিকে, জল্পেশ এলাকায় উত্তম চক্রবর্তী, বাবলু চৌধুরীর জলের প্লান্টেও হানা দেয় প্রশাসন। সেই ব্যবসায়ীরাও সরকারি কাগজপত্র দেখাতে পারেননি।
এদিনের অভিযান ঘিরে ফুডসেফ্টি দপ্তরের আধিকারিক মীনাক্ষী খারকা বলেন, এদের যে ব্যবসার জন্য স্টেট লাইসেন্স করতে হবে। যেহেতু বড় ব্যবসা, সে কারণে স্টেট লাইসেন্স প্রয়োজন। অনলাইনে সেটার জন্য আবেদন করা যাবে। জলের গুণগতমান পরীক্ষা করাতে হবে। ট্রেড লাইসেন্স থাকতে হবে। এছাড়াও যে সমস্ত বিভিন্ন কাগজপত্র প্রয়োজন, সেগুলি প্রত্যেক ব্যবসায়ীকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিনিয়ত এই অভিযান হবে। আইসি সুবল ঘোষ বলেন, কিছুদিন ধরে আমাদের অভিযান চলছে। কাগজ ছাড়া জল বিক্রি বরদাস্ত হবে না।



