সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ময়নাগুড়ির তিনটি এলাকায় তিনটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। রামসাই, চূড়াভাণ্ডার এবং উল্লাডাবরিতে এই ঘটনাগুলি ঘটেছে। শুক্রবার সকালে উল্লাডাবরি এলাকায় ঘরের দরজা ভেঙে একব্যক্তির ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুলিস জানিয়েছে, মৃতের নাম কানাই দাস (৫৬)। এদিন সকালে বাড়ির লোকজন তাঁকে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া পাননি। এরপর ভাই রবীন দাস দরজা ভেঙে দেখেন, দাদা গলায় গামছা দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে ঝুলে রয়েছেন। এরপর খবর দেওয়া হয় থানায়। পুলিস এসে দেহটি ময়নাগুড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক কানাই দাসকে মৃত ঘোষণা করেন। মৃতের ভাই বলেন, কয়েক বছর আগে জয়পুরে দাদার দুর্ঘটনা ঘটে। কোমর ভেঙে যাওয়ায় আর কাজে ফিরতে পারেননি। বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে অর্থের সমস্যায় পড়েন। তাই মানসিকভাবে তিনি ভেঙে পড়েছিলেন।
Advertisement
অপর ঘটনাটি ঘটেছে রামসাইয়ে। মৃত যুবকের নাম দিলীপ রায় (৩৫)। তিনি কৃষিকাজ করতেন। শুক্রবার ঘর থেকে তাঁর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার হয়। কী কারণে তিনি আত্মঘাতী হলেন তা পরিবারের লোকেরা জানাতে পারেননি। পুলিস ঘটনাটি খতিয়ে দেখছে। ভাইপো প্রণয় রায় বলেন, কাকা কেন এমনটা করলেন বুঝতে পারছি না।
অপর ঘটনাটি ঘটেছে চূড়াভাণ্ডারে। এদিন সকালে শোবার ঘর থেকে ননীবালা রায় (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর নাতি অনুপ রায় জানান, ঠাকুমা বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। সকালে তাঁর দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। পুলিস জানিয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে।
অপর ঘটনাটি ঘটেছে চূড়াভাণ্ডারে। এদিন সকালে শোবার ঘর থেকে ননীবালা রায় (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর নাতি অনুপ রায় জানান, ঠাকুমা বেশ কিছুদিন ধরে অসুস্থ ছিলেন। সকালে তাঁর দেহ ঝুলন্ত অবস্থায় দেখা যায়। পুলিস জানিয়েছে, অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করা হয়েছে।



