নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: সোনা পাচারের অন্যতম মাস্টারমাইন্ড গ্রেপ্তার শিলিগুড়িতে। ধৃতের নাম হরেকৃষ্ণ সাহা। জলপাইগুড়ি জেলার ময়নাগুড়িতে তার বাড়ি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করে কেন্দ্রীয় রাজস্ব গোয়েন্দা বিভাগ (ডিআরআই)। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, ধৃত সোনা পাচার সিন্ডিকটের ‘সাপ্লায়ার’। এর সঙ্গে বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে থাকা সোনা পাচার সিন্ডিকেটের যোগাযোগ রয়েছে বলে সন্দেহ। বাংলাদেশ থেকে দিনহাটা হয়ে সে একাধিকবার সোনার বিস্কুট রাজ্যে এনেছে বলে খবর। সমগ্র বিষয় গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখেছেন ডিআরআই। শহরে এনিয়ে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।
Advertisement
সোনা পাচারের অন্যতম করিডর শিলিগুড়ি। মাঝেমধ্যেই এখান থেকে সোনা পাচারের ক্যারিয়ারকে পাকড়াও করে ডিআরআই। এই প্রথম তাদের জালে ফেঁসেছে পাচার সিন্ডিকেরে অন্যতম চাঁই। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, গত ২১ অক্টোবর ১৯ পিস সোনার বিস্কুট সহ গৌরব সাহা নামে ক্যারিয়ারকে ডিআরআই গ্রেপ্তার করে। সেই সোনার দাম ছিল ১ কোটি ৭৫ লক্ষ টাকা। ধৃতের বাড়ি ময়নাগুড়ি। গৌরবকে জেরা করেই হরেকৃষ্ণর নাগাল পেয়েছে ডিআরআই। বাংলাদেশ হয়ে উত্তরবঙ্গে আসা সোনার কনসাইনমেন্ট তার কাছেই মজুত হতো। সে তা ক্যারিয়ারের মাধ্যমে শিলিগুড়ি, জলপাইগুড়ি, কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় চালান করত।
ডিআরআই সূত্রের খবর, গৌরবের দেওয়া তথ্য অনুসারে হরেকৃষ্ণের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তাকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। এরপর তিনবার নোটিস পাঠানো হলেও সে সারা দেয়নি। অবশেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিলিগুড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। জেরার পর সন্তোষজনক উত্তর না মেলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিআরআইয়ের আইনজীবী রতন বণিক বলেন, ধৃত সোনা পাচারের অন্যতম সাপলায়ার। ধৃতের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
বিদেশি সোনা বিভিন্ন রুট দিয়ে এদেশে ঢুকছে। যারমধ্যে বাংলাদেশ থেকে দিনহাটা হয়ে শিলিগুড়িতে সোনা পাচারের রুট অন্যতম। ইদানিং সংশ্লিষ্ট রুটে পাচারকারীরা সক্রিয়। হরেকৃষ্ণ সংশ্লিষ্ট রুটের অন্যতম নিয়ন্ত্রক ছিল বলেই সন্দেহ। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, সম্ভবত স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে ময়নাগুড়ির দেবীনগরে বসে সে সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটে জাল বিস্তার করে। কমিশনের টোপ দিয়ে সে সোনার পাচারের ক্যারিয়ার বাহিনী গড়ে। এর সঙ্গে বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে থাকা আন্তর্জাতিক সোনা পাচার সিন্ডিকেটের যোগাযোগ রয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। ডিআরআইয়ের আইনজীবী বলেন, সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি গোয়েন্দারা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখচ্ছে। ইতিমধ্যে ধৃতের বাড়িতে গোয়েন্দারা অভিযান চালায়। ধৃতের স্ত্রী’র বয়ান লিপিবদ্ধ করা হয়।
শুক্রবার ধৃতকে শিলিগুড়ির এসিজেএম আদালতে তোলা হয়। ডিআরআইয়ের আইনজীবী বলেন, জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়ে ধৃতকে জেল হেফাজতে রখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।
ডিআরআই সূত্রের খবর, গৌরবের দেওয়া তথ্য অনুসারে হরেকৃষ্ণের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। তাকে বাড়িতে পাওয়া যায়নি। এরপর তিনবার নোটিস পাঠানো হলেও সে সারা দেয়নি। অবশেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিলিগুড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। জেরার পর সন্তোষজনক উত্তর না মেলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিআরআইয়ের আইনজীবী রতন বণিক বলেন, ধৃত সোনা পাচারের অন্যতম সাপলায়ার। ধৃতের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
বিদেশি সোনা বিভিন্ন রুট দিয়ে এদেশে ঢুকছে। যারমধ্যে বাংলাদেশ থেকে দিনহাটা হয়ে শিলিগুড়িতে সোনা পাচারের রুট অন্যতম। ইদানিং সংশ্লিষ্ট রুটে পাচারকারীরা সক্রিয়। হরেকৃষ্ণ সংশ্লিষ্ট রুটের অন্যতম নিয়ন্ত্রক ছিল বলেই সন্দেহ। গোয়েন্দা সূত্রের খবর, সম্ভবত স্বর্ণ ব্যবসার আড়ালে ময়নাগুড়ির দেবীনগরে বসে সে সংশ্লিষ্ট সিন্ডিকেটে জাল বিস্তার করে। কমিশনের টোপ দিয়ে সে সোনার পাচারের ক্যারিয়ার বাহিনী গড়ে। এর সঙ্গে বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে থাকা আন্তর্জাতিক সোনা পাচার সিন্ডিকেটের যোগাযোগ রয়েছে বলেই মনে হচ্ছে। ডিআরআইয়ের আইনজীবী বলেন, সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলি গোয়েন্দারা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখচ্ছে। ইতিমধ্যে ধৃতের বাড়িতে গোয়েন্দারা অভিযান চালায়। ধৃতের স্ত্রী’র বয়ান লিপিবদ্ধ করা হয়।
শুক্রবার ধৃতকে শিলিগুড়ির এসিজেএম আদালতে তোলা হয়। ডিআরআইয়ের আইনজীবী বলেন, জামিনের আবেদন খারিজ করে দিয়ে ধৃতকে জেল হেফাজতে রখার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।



