নিজস্ব প্রতিনিধি, বর্ধমান: রাজ্যে মুঙ্গের থেকে ফের প্রচুর সংখ্যায় আগ্নেয়াস্ত্র ঢুকছে। মুর্শিদাবাদ ছাড়াও আসানসোল এবং বীরভূমের ঝাড়খণ্ডের সীমানা দিয়ে নাইন এমএম এবং ওয়ানশটার ঢুকছে। এমন ইনপুট পাওয়ার পর গোয়েন্দাদের উদ্বেগ বেড়েছে।
Advertisement
গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, অস্ত্র কারবারিরা আগে নির্দিষ্ট কয়েকটি রুট ব্যবহার করত। বিশেষ করে মুর্শিদাবাদ হয়েই বেশি আগ্নেয়াস্ত্র ঢুকত। এখন তারা বীরভূমের রুটগুলি ব্যবহার করছে। এই জেলার বিভিন্ন এলাকা দিয়ে ঝাড়খণ্ডে যাওয়া যায়। সেই পথগুলি তারা ব্যবহার করছে। এক গোয়েন্দা আধিকারিক বলেন, অস্ত্র কারবারিরা অনেক বেশি সংখ্যায় ক্যারিয়ার নিয়োগ করেছে। তারা তিন-চারটি করে সেভেন এমএম বা নাইনএমএম পিস্তল নিয়ে আসছে। এর মূল কারণ অল্প সংখ্যায় পিস্তল আনা হলে অনেক সময় বোঝা যায় না। ছোট ব্যাগে তা আনা যায়। কখনও কখনও তারা শরীরের মধ্যে লুকিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসছে। কলকাতা, নদীয়া এবং মুর্শিদাবাদের বিভিন্ন এলাকায় আগ্নেয়াস্ত্রগুলি যাচ্ছে। মাঝে বেশ কিছুদিন এই কারবারে ভাটা নেমেছিল। কয়েকজন কুখ্যাত অস্ত্র কারবারি গ্রেপ্তার হওয়ার পর তারা কিছুটা ধাক্কা খায়। এখন এই কারবার আবার রমরমিয়ে শুরু হয়েছে।
গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ক্যারিয়াররা রেলপথও ব্যবহার করছে। জিআরপিকেও সতর্ক করা হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রাজ্যে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের বড় নেটওয়ার্কের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। তারা প্রতিটি জেলাতেই সংগঠন বিস্তারের টার্গেট নিয়েছে। এই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র তাদের হাতে গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। সেই কারণেই গোয়েন্দাদের নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এক আধিকারিক বলেন, শুধু মুঙ্গের নয়, ভাগলপুর থেকেও প্রচুর সংখ্যায় আগ্নেয়াস্ত্র এরাজ্যে ঢুকছে। সম্প্রতি গোয়েন্দাদের কাছে ইনপুট এসেছে মুঙ্গেরে মাটির নীচে আন্ডারগ্রাউন্ড করে বিভিন্ন ধরনের পিস্তল তৈরি করা হচ্ছে। আগ্নেয়াস্ত্রর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মুঙ্গেরের কারবারিদের রমরমা বেড়ে গিয়েছে। ক্যারিয়ারা কখনও বাসে, আবার কখনও ছোট গাড়িতে চড়ে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসছে। তারা পিস্তলের বিভিন্ন অংশ আলাদা করে আনছে। সেই কারণে পাশের সহযাত্রীরা অনেক সময় টের পাচ্ছেন না।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সব জেলাতেই দুষ্কৃতীদের ধরপাকড় চলছে। বাংলাদেশ থেকে সম্প্রতি কারা এসে ডেরা বাঁধছে সেদিকেও নজরদারি চলছে। পাশাপাশি রাজ্যের সীমানাতেও গোয়েন্দারা ডেরা বেঁধেছে। অস্ত্র কারবারিরাও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। নাইন এমএম এবং সেভেন এমএম পিস্তলের দাম আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। কিন্তু, চাহিদা কমেনি। অস্ত্র কারবারিদের পাকড়াও করায় গোয়েন্দাদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। ক্যারিয়াররা গ্রেপ্তার হলেও চক্রের মস্টারমাইন্ডদের তারা এখনও নাগাল পায়নি।
গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, ক্যারিয়াররা রেলপথও ব্যবহার করছে। জিআরপিকেও সতর্ক করা হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি রাজ্যে আনসারুল্লাহ বাংলা টিমের বড় নেটওয়ার্কের হদিশ পাওয়া গিয়েছে। তারা প্রতিটি জেলাতেই সংগঠন বিস্তারের টার্গেট নিয়েছে। এই ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র তাদের হাতে গেলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হতে পারে। সেই কারণেই গোয়েন্দাদের নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আর এক আধিকারিক বলেন, শুধু মুঙ্গের নয়, ভাগলপুর থেকেও প্রচুর সংখ্যায় আগ্নেয়াস্ত্র এরাজ্যে ঢুকছে। সম্প্রতি গোয়েন্দাদের কাছে ইনপুট এসেছে মুঙ্গেরে মাটির নীচে আন্ডারগ্রাউন্ড করে বিভিন্ন ধরনের পিস্তল তৈরি করা হচ্ছে। আগ্নেয়াস্ত্রর চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় মুঙ্গেরের কারবারিদের রমরমা বেড়ে গিয়েছে। ক্যারিয়ারা কখনও বাসে, আবার কখনও ছোট গাড়িতে চড়ে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসছে। তারা পিস্তলের বিভিন্ন অংশ আলাদা করে আনছে। সেই কারণে পাশের সহযাত্রীরা অনেক সময় টের পাচ্ছেন না।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, সব জেলাতেই দুষ্কৃতীদের ধরপাকড় চলছে। বাংলাদেশ থেকে সম্প্রতি কারা এসে ডেরা বাঁধছে সেদিকেও নজরদারি চলছে। পাশাপাশি রাজ্যের সীমানাতেও গোয়েন্দারা ডেরা বেঁধেছে। অস্ত্র কারবারিরাও আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আসার মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে। নাইন এমএম এবং সেভেন এমএম পিস্তলের দাম আগের তুলনায় অনেক বেড়েছে। কিন্তু, চাহিদা কমেনি। অস্ত্র কারবারিদের পাকড়াও করায় গোয়েন্দাদের কাছে চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। ক্যারিয়াররা গ্রেপ্তার হলেও চক্রের মস্টারমাইন্ডদের তারা এখনও নাগাল পায়নি।



