Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মঙ্গলকোটে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, অভিযুক্ত অস্থায়ী কর্মী, বিক্ষোভ

মঙ্গলকোটে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের গ্রাহকদের লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাৎ, অভিযুক্ত অস্থায়ী কর্মী, বিক্ষোভ
  • ১৭ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
সংবাদদাতা, কাটোয়া: কেউ কৃষিঋণ শোধ করতে ব্যাঙ্কে টাকা জমা দিয়েছিলেন। আবার কেউ পলিসির কিস্তির টাকা জমা দিয়েছিলেন। ব্যাঙ্কের ভিতরে টেবিলে বসে থাকা অস্থায়ী কর্মীর হাতে দেওয়া টাকা অ্যাকাউন্টে জমা করেনি। এমন অভিযোগে শোরগোল পড়েছে মঙ্গলকোটে। বৃহস্পতিবার মঙ্গলকোটের নতুনহাটে রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখায় বিক্ষোভ দেখালেন গ্রাহকরা। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই কর্মী বেপাত্তা। তার বিরুদ্ধে সবমিলিয়ে ১০লক্ষের বেশি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। তবে ব্যাঙ্কের তরফে কেন থানায় অভিযোগ করা হচ্ছে না, সেই প্রশ্ন উঠেছে। নতুনহাটের ওই ব্যাঙ্কের শাখার ম্যানেজার বরুণকুমার ঘোষ এবিষয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি। নতুনহাটে ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের শাখা থেকে ৩৫০জন কৃষিঋণ নিয়েছিলেন। ওই শাখায় একজন চুক্তি ভিত্তিক কর্মী ছিল। অভিযোগ, সেই কর্মী ঋণপ্রাপকদের টাকা মেটানোর জন্য ফোন করত। ব্যাঙ্কে গ্রাহকদের থেকে সেই টাকা জমাও নিত সে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে মোবাইলে ঋণ পরিশোধের মেসেজ না আসায় গ্রাহকদের সন্দেহ হয়। এদিন গ্রাহকরা ব্যাঙ্কে এসে জানতে পারেন, আদৌ ঋণ পরিশোধ হয়নি। অভিযোগ, পলিসির কিস্তি জমা নেওয়ার ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটাত ওই কর্মী। এছাড়া, ঋণ দেওয়ার সময়েও অর্ধেক টাকা সে গ্রাহকদের দিত না। এদিন গ্রাহকরা ব্যাঙ্কের ম্যানেজারের কাছে এসে ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তাঁরা ওই কর্মীর নামে লিখিত অভিযোগ জমা দেন। ব্যাঙ্ক কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ওই কর্মীর নামে ১৭জন গ্রাহক লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন। সব মিলিয়ে, প্রায় ১০লক্ষ টাকার বেশি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে। ওই কর্মী বেশ কয়েকদিন ধরে ব্যাঙ্কে আসছে না। তার সঙ্গে যোগাযোগও সম্ভব হচ্ছে না। মঙ্গলকোটের দেউলিয়া গ্রামের বাসিন্দা হাসানুর জামান বলেন, ওই কর্মী কৃষিঋণ পরিশোধের জন্য আমার কাছ থেকে ২৭হাজার টাকা নিয়েছে। অপর গ্রাহক অভয়কুমার পাল বলেন, আমার কাছ থেকে ৩১হাজার টাকা নিয়েছে। এখনও আমার অ্যাকাউন্টে ওই টাকা জমা পড়েনি। দাসগড় গ্রামের বাসিন্দা কাশীনাথ দাস বলেন, আমার সঙ্গেও একই ঘটনা ঘটেছে। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ