সংবাদদাতা, কাটোয়া: একমাস আগে মঙ্গলকোটের ন’পাড়া গ্রামের কাছে ক্যানেলের জল থেকে অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের দেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য পেয়েছে পুলিস। যুবককে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। তথ্যপ্রমাণ লোপাটের জন্য দেহটি ক্যানেলের জলে ডোবানো হয়েছিল। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই স্বতঃপ্রণোদিত খুনের মামলা রুজু করেছে মঙ্গলকোট থানার পুলিস। মৃতদেহের হাতে একটি ত্রিশূল ও ‘রাহুল’ লেখা ট্যাটু ছিল। সেই সূত্র ধরে যুবকের পরিচয় জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
Advertisement
উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর মঙ্গলকোটের ন’পাড়া গ্রামের সেচ নালা থেকে ওই অজ্ঞাত পরিচয় যুবকের দেহ উদ্ধার হয়। স্থানীয়রাই পুলিসে খবর দেয়। পরে মঙ্গলকোট থানার পুলিস গিয়ে দেহ উদ্ধার করে। ওই যুবকের বাঁ হাতের বাহুতে ওই ট্যাটু ছিল। তার বয়স আনুমানিক ২৭ বছর। দেহটি সেচখালের জলে নগ্ন অবস্থায় চিত হয়ে পড়েছিল। ওই যুবকের ডান চোখের কাছে রক্ত দেখতে পাওয়া যায়।
ময়নাতদন্তের রিপোর্টে পুলিস জানতে পেরেছে, ওই যুবককে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। তাছাড়া তাঁর দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবক কাছাকাছি এলাকার বাসিন্দা নন। মৃতদেহের ছবি আশেপাশের গ্রামেও দেখানো হয়েছে। কিন্তু তাকে কেউ চিনতে পারছে না। তদন্তকারীদের অনুমান, কেউ বা কারা বাইরে থেকে এনে খুন করে জলে দেহ ফেলে দিতে পারে। ২০ ডিসেম্বর ওই যুবকের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেয়েছে তদন্তকারীরা। তারপরেই মামলা রুজু করা হয়েছে। থানাতেও এখনও ওই যুবকের নামে কোনও নিখোঁজের খবর আসেনি।
ময়নাতদন্তের রিপোর্টে পুলিস জানতে পেরেছে, ওই যুবককে শ্বাসরোধ করে খুন করা হয়েছে। তাছাড়া তাঁর দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই যুবক কাছাকাছি এলাকার বাসিন্দা নন। মৃতদেহের ছবি আশেপাশের গ্রামেও দেখানো হয়েছে। কিন্তু তাকে কেউ চিনতে পারছে না। তদন্তকারীদের অনুমান, কেউ বা কারা বাইরে থেকে এনে খুন করে জলে দেহ ফেলে দিতে পারে। ২০ ডিসেম্বর ওই যুবকের ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেয়েছে তদন্তকারীরা। তারপরেই মামলা রুজু করা হয়েছে। থানাতেও এখনও ওই যুবকের নামে কোনও নিখোঁজের খবর আসেনি।



