সংবাদদাতা, কাটোয়া: মঙ্গলকোটে জারভর্তি বোমা উদ্ধার করল পুলিস। শুক্রবার রাতে ওই বোমাগুলি উদ্ধার হয়। শনিবার বম্ব স্কোয়াড সেগুলি নিষ্ক্রিয় করে। একটি প্লাস্টিকের জারে ২৯টি তাজা বোমা রাখা ছিল। আর এই বিপুল পরিমাণ বোমা উদ্ধারের ঘটনায় মঙ্গলকোট আবার উত্তপ্ত হচ্ছে বলে অনেকেই মনে করছেন। এখন প্রায়ই শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর বিবাদ প্রকাশ্যে আসছে। ওই বিপুল পরিমাণ বোমা কারা মজুত করেছিল তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিস।
Advertisement
শুক্রবার রাতে মঙ্গলকোট থানার পুলিস খবর পায় কুনুর নদীর ধারে মঙ্গলকোট গ্রামে পুরানো থানার কাছে বোমা রাখা আছে। পুলিস গিয়ে নদীর ধারে মাটিতে পুঁতে রাখা বোমা ভর্তি জার দেখতে পায়। রাতেই সিআইডির বম্ব স্কোয়াডকে খবর দেওয়া হয়। শনিবার চিকিৎসক, দমকল বাহিনীকে প্রস্তুত রেখে লালডাঙা মাঠ সংলগ্ন এলাকায় বোমাগুলি নিষ্ক্রিয় করা হয়।
সম্প্রতি মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরীর বিরুদ্ধ গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। আর দুই গোষ্ঠীর কাজিয়ায় প্রায়ই মঙ্গলকোটের বেশ কয়েকটি গ্রামে অশান্তি ও বোমাবাজি হচ্ছে। বাড়ি ভাঙচুর, খড়ের পালুইয়ে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এদিন বিপুল পরিমাণ বোমা উদ্ধারের ঘটনায় শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারা বোমা মজুত রেখেছিল সে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে অনেকে মনে করছেন, এখনই তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব হস্তক্ষেপ না করলে বড় অশান্তির সৃষ্টি হতে পারে মঙ্গলকোটে।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে মঙ্গলকোটের বেবুচা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর কাজিয়ায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিস এই ঘটনায় দু’পক্ষের ছ’জনকে গ্রেপ্তার করে। এদিন মঙ্গলকোট গ্রামেও অশান্তি হয় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। এর আগে পার্টি অফিস বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে ধারসোনা ও নতুনহাটে অশান্তি হয়। বিধায়ক বলেন, আমাদের দলে কোনও দ্বন্দ্ব নেই। যারা গোলমাল পাকাবে পুলিস তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
বোমা উদ্ধারের ঘটনায় মঙ্গলকোট থানার আইসি মধুসূদন ঘোষ বলেন, প্রাথমিক ভাবে দেখে মনে হচ্ছে এগুলি পুরনো বোমা। তবে আমরা তদন্ত করে দেখছি।
সম্প্রতি মঙ্গলকোটের বিধায়ক অপূর্ব চৌধুরীর বিরুদ্ধ গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে। আর দুই গোষ্ঠীর কাজিয়ায় প্রায়ই মঙ্গলকোটের বেশ কয়েকটি গ্রামে অশান্তি ও বোমাবাজি হচ্ছে। বাড়ি ভাঙচুর, খড়ের পালুইয়ে আগুনও ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। এদিন বিপুল পরিমাণ বোমা উদ্ধারের ঘটনায় শঙ্কা তৈরি হয়েছে। কারা বোমা মজুত রেখেছিল সে নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে অনেকে মনে করছেন, এখনই তৃণমূলের রাজ্য নেতৃত্ব হস্তক্ষেপ না করলে বড় অশান্তির সৃষ্টি হতে পারে মঙ্গলকোটে।
প্রসঙ্গত, কয়েকদিন আগে মঙ্গলকোটের বেবুচা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর কাজিয়ায় বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। পুলিস এই ঘটনায় দু’পক্ষের ছ’জনকে গ্রেপ্তার করে। এদিন মঙ্গলকোট গ্রামেও অশান্তি হয় দুই গোষ্ঠীর মধ্যে। এর আগে পার্টি অফিস বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে ধারসোনা ও নতুনহাটে অশান্তি হয়। বিধায়ক বলেন, আমাদের দলে কোনও দ্বন্দ্ব নেই। যারা গোলমাল পাকাবে পুলিস তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
বোমা উদ্ধারের ঘটনায় মঙ্গলকোট থানার আইসি মধুসূদন ঘোষ বলেন, প্রাথমিক ভাবে দেখে মনে হচ্ছে এগুলি পুরনো বোমা। তবে আমরা তদন্ত করে দেখছি।



