সংবাদদাতা, কাটোয়া: বারো বছরে মিলল বিচার। মঙ্গলকোটে ঘরে ঢুকে বধূকে ধর্ষণের দায়ে দোষী সাব্যস্ত জয়দেব দাসকে শুক্রবার সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিলেন কাটোয়ার ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারক।
Advertisement
ধর্ষণের আগে গৃহবধূর ঘরে ঢুকে মারধরের দায়ে আরও ছ’ মাসের অতিরিক্ত কারাদণ্ড সহ ১০ হাজার টাকা জরিমানারও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক সুব্রত মুখোপাধ্যায়। পাশাপাশি ধর্ষিতাকে পঞ্চাশ হাজার টাকা আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দেন তিনি। মামলার সরকারি আইনজীবি শ্রীধর বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ধর্ষণের অভিযোগে ওই যুবককে ৭ বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। পাশাপাশি নির্যাতিতা যাতে আর্থিক ক্ষতিপূরণ পান, সেজন্যও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলকোটের একটি গ্রামের গৃহবধূ ২০১৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি অভিযোগে জানান, ওইদিন সকাল ন’টা নাগাদ তাঁর বাড়িতে কেউ ছিল না। সে সময়ে তাঁর বাড়িতে আচমকা ঢুকে যায় প্রতিবেশী যুবক জয়দেব দাস। বধূ বাড়ির দোতলার ঘরে ছিলেন। অভিযোগ, জয়দেব তাঁকে ধর্ষণ করতে যায়। বাধা দিলে বধূকে মারধর করে দোষী। তারপর তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। শেষে বধূর মোবাইলটি নিয়ে পালিয়ে যায়। অসুস্থ ধর্ষিতাকে পাড়ার লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বধূর স্বামী তখন বাড়িতে ছিলেন না। অভিযোগ পেয়ে সেদিন রাতেই জয়দেবকে গ্রেপ্তার করেছিল মঙ্গলকোট থানার পুলিস। তার মেডিক্যাল পরীক্ষাও করানো হয়। ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর মামলার চার্জশিট জমা দেয় পুলিস। ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে কাটোয়া ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট।
আদালত সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলকোটের একটি গ্রামের গৃহবধূ ২০১৩ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ধর্ষণের লিখিত অভিযোগ করেন। তিনি অভিযোগে জানান, ওইদিন সকাল ন’টা নাগাদ তাঁর বাড়িতে কেউ ছিল না। সে সময়ে তাঁর বাড়িতে আচমকা ঢুকে যায় প্রতিবেশী যুবক জয়দেব দাস। বধূ বাড়ির দোতলার ঘরে ছিলেন। অভিযোগ, জয়দেব তাঁকে ধর্ষণ করতে যায়। বাধা দিলে বধূকে মারধর করে দোষী। তারপর তাঁকে ধর্ষণ করা হয়। শেষে বধূর মোবাইলটি নিয়ে পালিয়ে যায়। অসুস্থ ধর্ষিতাকে পাড়ার লোকজন উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। বধূর স্বামী তখন বাড়িতে ছিলেন না। অভিযোগ পেয়ে সেদিন রাতেই জয়দেবকে গ্রেপ্তার করেছিল মঙ্গলকোট থানার পুলিস। তার মেডিক্যাল পরীক্ষাও করানো হয়। ২০১৩ সালের ৩১ অক্টোবর মামলার চার্জশিট জমা দেয় পুলিস। ২২ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করে কাটোয়া ফাস্ট ট্র্যাক কোর্ট।



