সংবাদদাতা, ময়নাগুড়ি: ময়নাগুড়ি শহরের কৃষক বাজারে যত্রতত্র ফেলা দেওয়া থার্মোকল জড়ো করে ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুন। যার ফলে কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যাচ্ছে বাজার ও সংলগ্ন এলাকা। এতে শ্বাসকষ্ট হচ্ছে শিশু সহ বৃদ্ধ-বৃদ্ধাদের। এমনটা বন্ধ করার দাবি জানিয়ে মঙ্গলবার ময়নাগুড়ির পুরসভা ও থানায় স্মারকলিপি দেয় ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের মহিলারা।
Advertisement
ওই মহিলাদের অভিযোগ, প্রায় দিন বিকেল থেকে শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। কৃষক বাজারের মাছ ব্যবসায়ীদের একাধিকবার জানানোর পরেও কোনও সুরাহা হচ্ছে না। তাঁরা যত্রতত্র থার্মোকলের বাক্স ফেলে দিচ্ছেন। আর ওসব কে বা কারা জ্বালিয়ে দিচ্ছে।
ময়নাগুড়ি শহরের ১৫ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝে কৃষক বাজার। এখানেই আছে মাছের আড়ত। অভিযোগ, মৎস্য ব্যবসায়ীদের ফেলে দেওয়া থার্মোকলের বাক্সগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে কালো ধোঁয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘসময় ধরে বাজারে একই পরিস্থিতি হয়ে রয়েছে। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুচিত্রা রায়, বাবলি সাহা প্রমুখ বলেন, প্রত্যেকের বাড়িতেই ধোঁয়া যাচ্ছে। আমাদের পরিবারের লোকজন ধোঁয়ার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। ব্যবসায়ীদের এ বিষয়ে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা থার্মোকলের বাক্স যত্রতত্র ফেলেই দিচ্ছেন। সমস্যা থেকে বের হতেই ময়নাগুড়ি পুরসভা ও থানার দ্বারস্থ আমরা হয়েছি। এদিন লিখিতভাবে আমাদের সমস্যার কথা তাদের জানিয়েছি।
ময়নাগুড়ি থানার আইসি সুবল ঘোষ বলেন, থার্মোকলের বাক্সে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার একটি অভিযোগ এসেছে। আমরা খতিয়ে দেখব। এদিকে, বিষয়টি নিয়ে মাছ ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক সুভাষ দাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানিয়েছেন, কে বা কারা আগুন ধরাচ্ছে জানা নেই। তবে বাজার পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করার জন্য সাফাই কর্মী রয়েছেন। থার্মোকলে ব্যবসায়ীরা কেউ আগুন ধরান না। ময়নাগুড়ি শহরের ১৫ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের মাঝে কৃষক বাজার। এখানেই আছে মাছের আড়ত। অভিযোগ, মৎস্য ব্যবসায়ীদের ফেলে দেওয়া থার্মোকলের বাক্সগুলিতে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হচ্ছে। ফলে কালো ধোঁয়ায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ তৈরি হচ্ছে। দীর্ঘসময় ধরে বাজারে একই পরিস্থিতি হয়ে রয়েছে। ১৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা সুচিত্রা রায়, বাবলি সাহা প্রমুখ বলেন, প্রত্যেকের বাড়িতেই ধোঁয়া যাচ্ছে। আমাদের পরিবারের লোকজন ধোঁয়ার জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ছে। শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। ব্যবসায়ীদের এ বিষয়ে মৌখিকভাবে জানানো হয়েছিল। কিন্তু তাঁরা থার্মোকলের বাক্স যত্রতত্র ফেলেই দিচ্ছেন। সমস্যা থেকে বের হতেই ময়নাগুড়ি পুরসভা ও থানার দ্বারস্থ আমরা হয়েছি। এদিন লিখিতভাবে আমাদের সমস্যার কথা তাদের জানিয়েছি।
অন্যদিকে, ময়নাগুড়ি পুরসভার চেয়ারম্যান অনন্তদেব অধিকারী বলেন, কিছু মহিলা পুরসভায় এসে তাদের সমস্যার কথা জানিয়ে গিয়েছে। ব্যবসায়ীদের বহুবার বলার পরেও তাঁরা যেখানে সেখানে থার্মোকলের বাক্স ফেলে দিচ্ছেন। তাতে কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দিচ্ছে। ময়নাগুড়ি থানাকে বিষয়টিতে নজর দিতে বলব। নিজস্ব চিত্র।



