নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: দলীয় তহবিলে গরমিল, সংগঠনে নিজের পছন্দের লোককে গুরুত্ব সহ ন’দফা অভিযোগে বিজেপির মণ্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে জেলা সভাপতিকে চিঠি দিলেন দলের একঝাঁক নেতা। চণ্ডীপুর ব্লকের বিজেপির ১ নম্বর মণ্ডল কমিটিতে ওই ঘটনায় দলের ভিতর ব্যাপক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। বিজেপি পরিচালিত দিবাকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, একঝাঁক গ্রাম পঞ্চায়েত ও পঞ্চায়েত সমিতির মেম্বার সহ সাংগঠনিক পদাধিকারীরা তাঁর বিরুদ্ধে জেলা সভাপতি অরূপকুমার দাসের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন। শুক্রবার জেলা সভাপতিকে চিঠি পাঠানোর পাশাপাশি অভিযোগের কপি দেওয়া হয়েছে বিরোধী দলনেতা এবং কাঁথি লোকসভার সদস্যকেও। গোটা ঘটনায় দলের খেয়োখেয়ি সামনে এসেছে। দলের একাংশ মণ্ডল সভাপতিকে ‘তৃণমূলের দালাল’ বলেও আক্রমণ করছেন।
Advertisement
এনিয়ে বিজেপির ওই মণ্ডল সভাপতি বলেন, পার্টি নেতৃত্ব সব বিষয়টি দেখছে। আমি কোথাও ভুল করলে সেটাও নেতৃত্বের নজরে অবশ্যই থাকবে। প্রধান সহ অন্যান্য সাংগঠনিক নেতৃত্ব কেন চিঠি দিয়েছেন সেটা তাঁরাই বলতে পারবেন। আমি এনিয়ে মন্তব্য করব না।
এই মুহূর্তে বিজেপির বুথ ও মণ্ডলস্তরে সাংগঠনিক নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে। তারমধ্যেই চণ্ডীপুর-১ মণ্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে একঝাঁক অভিযোগ এনে তাঁকে সরানোর জন্য জেলা সভাপতিকে চিঠি দিয়েছেন পার্টির একটা বড় অংশ। তাতে দলের মধ্যে অস্বস্তি বেড়েছে। ওই অভিযোগ কপিতে দিবাকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সুস্মিতা মণ্ডল, উপপ্রধান বিমলকুমার বেরা, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা সুতৃষ্ণা বেরা, মণ্ডল কমিটির সহ সভাপতি মুকুল মণ্ডল, শক্তি কেন্দ্রের প্রমুখ বিশ্বনাথ মাঝি সহ আরও অনেকে আছেন। তাঁদের অভিযোগ, মণ্ডল সভাপতি মুষ্টিমেয় কিছু লোকজন নামমাত্র কর্মসূচি নেন। তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে নিশ্চিন্ত হয়ে যান। ওই মণ্ডলের অধীন পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যেই সাংগঠনিক জটিলতা রয়েছে। সেই জট কাটানোর চেষ্টা করেন না। দলের কর্মসূচি গ্রহণের জন্য জেলা পার্টি থেকে যে অর্থ দেওয়া হয় তার হিসেব নিকেশে গরমিল ধরা পড়েছে। নিজের বুথ সহ আশপাশ এলাকায় ভোটের ফলাফল খুবই খারাপ। এই ঘটনায় তাঁর সাংগঠনিক অদক্ষতার পরিচয় মেলে। এই অবস্থায় দলের ভালো পারফরম্যান্সের জন্য তাঁর জায়গায় অন্য কোনও সক্রিয় নেতাকে আনার দাবি তোলা হয়েছে।২০২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটের দু’মাস পর প্রশান্ত দাস চণ্ডীপুর-১ মণ্ডল কমিটির সভাপতি হন। ওই মণ্ডলের মধ্যে দিবাকরপুর, নন্দপুর-বরাঘুনি, বৃন্দাবনপুর-১ ও ২ এবং জালপাই পঞ্চায়েত পড়ে। এর মধ্যে দিবাকরপুর ও বৃন্দাবনপুর-১ পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে। ওই মণ্ডল সভাপতির নিজের বুথে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে হেরে যান দলের প্রার্থী সৌভিক দাস। ওই বুথের তৎকালীন বিজেপির বুথ সভাপতি দিব্যেন্দু দাস বলেন, প্রশান্ত দাস নিজে দলের প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন। এনিয়ে প্রশ্ন তোলায় আমাকে বুথ সভাপতির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। আসলে তিনি তৃণমূলের দালাল হিসেবে কাজ করেন। ২০২৬ সালে বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর জায়গায় একজন দক্ষ নেতাকে মণ্ডল সভাপতি না করলে দলকে খেসারত দিতে হবে।দিবাকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান বিমলকুমার বেরা বলেন, ২০২৬ সালের আগে মণ্ডল সভাপতি পদে রদবদল প্রয়োজন। দলের জেলা নেতৃত্বকে সেটাই জানানো হয়েছে। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরূপকুমার দাস বলেন, আমার বিষয়টি জানা নেই। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।
এই মুহূর্তে বিজেপির বুথ ও মণ্ডলস্তরে সাংগঠনিক নির্বাচন প্রক্রিয়া চলছে। তারমধ্যেই চণ্ডীপুর-১ মণ্ডল সভাপতির বিরুদ্ধে একঝাঁক অভিযোগ এনে তাঁকে সরানোর জন্য জেলা সভাপতিকে চিঠি দিয়েছেন পার্টির একটা বড় অংশ। তাতে দলের মধ্যে অস্বস্তি বেড়েছে। ওই অভিযোগ কপিতে দিবাকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সুস্মিতা মণ্ডল, উপপ্রধান বিমলকুমার বেরা, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্যা সুতৃষ্ণা বেরা, মণ্ডল কমিটির সহ সভাপতি মুকুল মণ্ডল, শক্তি কেন্দ্রের প্রমুখ বিশ্বনাথ মাঝি সহ আরও অনেকে আছেন। তাঁদের অভিযোগ, মণ্ডল সভাপতি মুষ্টিমেয় কিছু লোকজন নামমাত্র কর্মসূচি নেন। তারপর সোশ্যাল মিডিয়ায় ছবি পোস্ট করে নিশ্চিন্ত হয়ে যান। ওই মণ্ডলের অধীন পাঁচটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যেই সাংগঠনিক জটিলতা রয়েছে। সেই জট কাটানোর চেষ্টা করেন না। দলের কর্মসূচি গ্রহণের জন্য জেলা পার্টি থেকে যে অর্থ দেওয়া হয় তার হিসেব নিকেশে গরমিল ধরা পড়েছে। নিজের বুথ সহ আশপাশ এলাকায় ভোটের ফলাফল খুবই খারাপ। এই ঘটনায় তাঁর সাংগঠনিক অদক্ষতার পরিচয় মেলে। এই অবস্থায় দলের ভালো পারফরম্যান্সের জন্য তাঁর জায়গায় অন্য কোনও সক্রিয় নেতাকে আনার দাবি তোলা হয়েছে।২০২৩ সালে পঞ্চায়েত ভোটের দু’মাস পর প্রশান্ত দাস চণ্ডীপুর-১ মণ্ডল কমিটির সভাপতি হন। ওই মণ্ডলের মধ্যে দিবাকরপুর, নন্দপুর-বরাঘুনি, বৃন্দাবনপুর-১ ও ২ এবং জালপাই পঞ্চায়েত পড়ে। এর মধ্যে দিবাকরপুর ও বৃন্দাবনপুর-১ পঞ্চায়েত বিজেপির দখলে। ওই মণ্ডল সভাপতির নিজের বুথে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে হেরে যান দলের প্রার্থী সৌভিক দাস। ওই বুথের তৎকালীন বিজেপির বুথ সভাপতি দিব্যেন্দু দাস বলেন, প্রশান্ত দাস নিজে দলের প্রার্থীকে পরাজিত করেছেন। এনিয়ে প্রশ্ন তোলায় আমাকে বুথ সভাপতির দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দিয়েছেন। আসলে তিনি তৃণমূলের দালাল হিসেবে কাজ করেন। ২০২৬ সালে বিধানসভা ভোটের আগে তাঁর জায়গায় একজন দক্ষ নেতাকে মণ্ডল সভাপতি না করলে দলকে খেসারত দিতে হবে।দিবাকরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের উপ প্রধান বিমলকুমার বেরা বলেন, ২০২৬ সালের আগে মণ্ডল সভাপতি পদে রদবদল প্রয়োজন। দলের জেলা নেতৃত্বকে সেটাই জানানো হয়েছে। বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরূপকুমার দাস বলেন, আমার বিষয়টি জানা নেই। আমি খোঁজ নিয়ে দেখছি।



