নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: ফের পুলিসের জালে আন্তর্জাতিক মানব পাচারচক্রের এক দালাল। ধৃতের নাম রাজু দফাদার। সে হাঁসখালির উমরপুর গ্রামের বাসিন্দা। মঙ্গলবার গভীর রাতে হাঁসখালি থানার পুলিসের বিশেষ অভিযানের সময় সে গ্রেপ্তার হয়। গত কয়েক মাসে পুলিসের লাগাতার অভিযানে প্রায় শতাধিক দালাল ধরা পড়েছে। তাতেও মানব পাচার চক্রে রাশ টানা যায়নি। এই চক্রকে ব্যবহার করে অনুপ্রবেশকারীরা এদেশে ঢোকার চেষ্টা করছে। আগামীতেও একইভাবে দালালদের খোঁজে সীমান্ত এলাকার গতিবিধির উপর আতশকাচ দিয়ে নজর রাখছে পুলিস।
Advertisement
রানাঘাট জেলা পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মাঝে অনুপ্রবেশের গ্রাফ কিছুটা নীচের দিকে নামলেও, ফের ঊর্ধ্বমুখী। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীরা এই দেশে ঢোকার চেষ্টা করছে। কারও লক্ষ্য ভারতে আত্মগোপন করা, আবার কেউ কাজের খোঁজে চলে আসছে এই দেশে। সম্প্রতি মোটা টাকার বিনিময়ে এমন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের এদেশে আনার কাজে এক দালাল সক্রিয় রয়েছে বলে গোপন সূত্রে খবর পায় পুলিস। এরপর মঙ্গলবার গভীর রাতে হাঁসখালি থানার পুলিস অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে। দীর্ঘদিন ধরেই হাসখালি ব্লক লাগোয়া ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অনুপ্রবেশকারীদের পাচারে সক্রিয় হয়েছিল সে।
২০২৪ সাল থেকেই আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত দালাল এবং বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে সক্রিয় হয় রানাঘাট জেলা পুলিস। এখনও পর্যন্ত তারা প্রায় চার শতাধিক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং ১০০ জনের কাছাকাছি দালালকে গ্রেপ্তার করেছে। সংখ্যাটা নেহাত কম না হলেও সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলগুলিতে দালাল চক্রকে দমিয়ে দেওয়া যায়নি। ধৃত রাজুকে জেরা করে আর বাকি সক্রিয় দালাল চক্রগুলির হদিশ পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। কারণ চলতি বছর এই বেআইনি চক্র নির্মূল করাই লক্ষ্য পুলিসের।
রানাঘাট জেলা পুলিশের সুপার কুমার সানি রাজ বলেন, আমরা বাংলাদেশি এবং আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের দালাল মিলিয়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক পুরুষ ও মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সক্রিয় চক্রগুলির খোঁজ করা হয়েছে। লাগাতার গ্রেপ্তারির ফলে কাঁটাতারবিহীন সীমান্তের অনেক জায়গা দিয়েই মানব পাচার খানিকটা কমেছে। দালাল চক্র নির্মূল করাই আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু মানব পাচারের দালালদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কি অন্যান্য পাচার চক্রের হদিশ মিলছে? প্রশ্নের উত্তরে সরাসরি পুলিস সুপার জানান, আপাতত এমন কোনও তথ্য আমাদের হাতে নেই। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই শুধুমাত্র মানব পাচারের সঙ্গেই যুক্ত।
২০২৪ সাল থেকেই আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত দালাল এবং বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ধরতে সক্রিয় হয় রানাঘাট জেলা পুলিস। এখনও পর্যন্ত তারা প্রায় চার শতাধিক বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী এবং ১০০ জনের কাছাকাছি দালালকে গ্রেপ্তার করেছে। সংখ্যাটা নেহাত কম না হলেও সীমান্ত লাগোয়া অঞ্চলগুলিতে দালাল চক্রকে দমিয়ে দেওয়া যায়নি। ধৃত রাজুকে জেরা করে আর বাকি সক্রিয় দালাল চক্রগুলির হদিশ পেতে চাইছেন তদন্তকারীরা। কারণ চলতি বছর এই বেআইনি চক্র নির্মূল করাই লক্ষ্য পুলিসের।
রানাঘাট জেলা পুলিশের সুপার কুমার সানি রাজ বলেন, আমরা বাংলাদেশি এবং আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের দালাল মিলিয়ে প্রায় পাঁচ শতাধিক পুরুষ ও মহিলাকে গ্রেপ্তার করেছি। প্রতিটি ক্ষেত্রেই সক্রিয় চক্রগুলির খোঁজ করা হয়েছে। লাগাতার গ্রেপ্তারির ফলে কাঁটাতারবিহীন সীমান্তের অনেক জায়গা দিয়েই মানব পাচার খানিকটা কমেছে। দালাল চক্র নির্মূল করাই আমাদের লক্ষ্য। কিন্তু মানব পাচারের দালালদের জিজ্ঞাসাবাদ করে কি অন্যান্য পাচার চক্রের হদিশ মিলছে? প্রশ্নের উত্তরে সরাসরি পুলিস সুপার জানান, আপাতত এমন কোনও তথ্য আমাদের হাতে নেই। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা প্রত্যেকেই শুধুমাত্র মানব পাচারের সঙ্গেই যুক্ত।



