নিজস্ব প্রতিনিধি, রায়গঞ্জ: সারের গুণগত মান যাচাইয়ে ফের ময়দানে জেলা কৃষিদপ্তর। শনিবার অভিযানে নেমে রায়গঞ্জ ও ইসলামপুর মহকুমার দশটি দোকান থেকে সারের নমুনা সংগ্রহ করলেন কৃষি আধিকারিকরা। সেগুলি যাচাইয়ের জন্য পাঠানো হল ফরিদাবাদের কেন্দ্রীয় ল্যাবে।
Advertisement
রবি মরশুমের শুরু থেকে সার নিয়ে নানা ধরনের অনিয়ম ইতিমধ্যে কৃষিদপ্তরের আতস কাঁচের নীচে। চলতি মাসের শুরুতেই পরিদর্শনে বেরিয়ে চোপড়ার একটি সারের দোকানে অসঙ্গতি নজরে পড়ে কৃষি আধিকারিকদের। দেখা যায়, একটি দোকানের খ্যাতনামা কোম্পানির সুপার ফসফেট সারের গুণমান যথেষ্টই নিম্নমানের। সন্দেহ হতেই দোকান থেকে ওই সারের নমুনা সংগ্রহ করেন খোদ জেলা কৃষি আধিকারিক। যেটি এখনও বিবেচনাধীন।
জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, এমনিতেই চলতি মরশুমে সারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। চাষিদের মধ্যে ডিএপি সহ বিভিন্ন সার সংগ্রহের প্রবণতা থাকে। ভুট্টা, আলু, গম, ধান ইত্যাদি চাষের প্রস্তুতি চলে খেতে। এই অবস্থায় একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী একদিকে যেমন এমআরপির থেকে বেশি দাম নেওয়া, অন্যদিকে ভেজাল সার বিক্রির চেষ্টা চালায়। অজ্ঞানতাবশত সেই ছল ধরতে পারেন না কৃষকদের অনেকেই। তবে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লাগাতার চেষ্টা চালানোয় চাষিরা এখন সেই সমস্যা মেটাতে নিজেরাই উদ্যোগী। জেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে খবর, দেশজুড়ে সারের গুণমান যাচাইয়ের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয়স্তরে। যার মধ্যে এই রাজ্যের ৫ জেলার এই কর্মসূচি চলেছে এদিন। উত্তরবঙ্গে একমাত্র উত্তর দিনাজপুর জেলায় এই কর্মসূচি চলেছে। যার ভিত্তিতেই এই অভিযান।
জেলা কৃষি আধিকারিক প্রিয়নাথ দাস বলেন, রায়গঞ্জ ও ইসলামপুর মহকুমার বেশ কিছু এলাকায় এদিন কৃষিদপ্তর হানা দিয়েছে। এর মধ্যে ইসলামপুর মহকুমা এলাকার ৫ টি ও রায়গঞ্জ এলাকার ৫ টি দোকানের সারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। যেসব নমুনা এদিনই ফরিদাবাদের উদ্দেশে কেন্দ্রীয় ল্যাবে পাঠানো হয়। যাতে সারের গুণমান সহজে যাচাই করা যায়। চাষের জমি ও কৃষকের সার্বিক ক্ষতি আটকানো যায়।
জেলা কৃষিদপ্তর সূত্রে খবর, এমনিতেই চলতি মরশুমে সারের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। চাষিদের মধ্যে ডিএপি সহ বিভিন্ন সার সংগ্রহের প্রবণতা থাকে। ভুট্টা, আলু, গম, ধান ইত্যাদি চাষের প্রস্তুতি চলে খেতে। এই অবস্থায় একশ্রেণির অসাধু ব্যবসায়ী একদিকে যেমন এমআরপির থেকে বেশি দাম নেওয়া, অন্যদিকে ভেজাল সার বিক্রির চেষ্টা চালায়। অজ্ঞানতাবশত সেই ছল ধরতে পারেন না কৃষকদের অনেকেই। তবে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য লাগাতার চেষ্টা চালানোয় চাষিরা এখন সেই সমস্যা মেটাতে নিজেরাই উদ্যোগী। জেলা কৃষি দপ্তর সূত্রে খবর, দেশজুড়ে সারের গুণমান যাচাইয়ের কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে কেন্দ্রীয়স্তরে। যার মধ্যে এই রাজ্যের ৫ জেলার এই কর্মসূচি চলেছে এদিন। উত্তরবঙ্গে একমাত্র উত্তর দিনাজপুর জেলায় এই কর্মসূচি চলেছে। যার ভিত্তিতেই এই অভিযান।
জেলা কৃষি আধিকারিক প্রিয়নাথ দাস বলেন, রায়গঞ্জ ও ইসলামপুর মহকুমার বেশ কিছু এলাকায় এদিন কৃষিদপ্তর হানা দিয়েছে। এর মধ্যে ইসলামপুর মহকুমা এলাকার ৫ টি ও রায়গঞ্জ এলাকার ৫ টি দোকানের সারের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। যেসব নমুনা এদিনই ফরিদাবাদের উদ্দেশে কেন্দ্রীয় ল্যাবে পাঠানো হয়। যাতে সারের গুণমান সহজে যাচাই করা যায়। চাষের জমি ও কৃষকের সার্বিক ক্ষতি আটকানো যায়।



