Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

মানি মার্কেটিংয়ের অভিযোগ দলের ব্লক সভাপতির, ভরতপুর-১ ব্লক তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি রওশন অপসারিত

মানি মার্কেটিংয়ের অভিযোগ দলের ব্লক সভাপতির, ভরতপুর-১ ব্লক তৃণমূল সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি রওশন অপসারিত
  • ৯ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, কান্দি: পদ খোয়ালেন তৃণমূলের ভরতপুর-১ ব্লক সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি রওশন শেখ। আর তারপরেই তাঁর বিরুদ্ধে অবৈধভাবে মানি মার্কেটিং ব্যবসা করার অভিযোগ তুললেন দলেরই ভরতপুর-১ ব্লক সভাপতি নজরুল ইসলাম। তাঁর বিরুদ্ধে পুলিসের দ্বারস্থ হওয়ার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন তিনি। এই ঘটনায় এলাকায় শোরগোল পড়েছে। যদিও পাল্টা সংখ্যালঘু সেলের অপসারিত সভাপতির প্রশ্ন, ব্যবসা শুরুর ১৯ বছর পর কেন এই দাবি করা হচ্ছে?
Advertisement
প্রসঙ্গত, ২০২১ সালে ভরতপুরের বাসিন্দা রওশন শেখকে তৃণমূলের ভরতপুর-১ ব্লক সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি মনোনীত করা হয়। তিনি স্থানীয় বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের ঘনিষ্ঠ বলেই পরিচিত। বারবার তাঁকে বিধায়কের সঙ্গে মিটিং মিছিল করতে দেখা গিয়েছে। শুক্রবার রাতে তাঁকে পদ থেকে সরানো হয়। ব্লকের সংখ্যালঘু সেলের নতুন সভাপতি মনোনীত করা হয় নিরোজ শেখকে। এরপরই শনিবার রাতে দলের ভরতপুর-১ ব্লক সভাপতি সাংবাদিক বৈঠক করেন। তিনি বলেন, অপসারিত সংখ্যালঘু সেলের সভাপতি অবৈধভাবে বহুবছর ধরে মানি মার্কেটিংয়ের ব্যবসা করছেন।  দল যাতে কালিমালিপ্ত হয়ে না পড়ে তার জন্য তাঁকে পদ থেকে সরানো হয়েছে।
ব্লক সভাপতি আরও বলেন, তাঁর অবৈধ মানি মার্কেটিংয়ের ব্যবসার বিরুদ্ধে খুব তাড়াতাড়ি থানায় অভিযোগ করা হবে। এই এলাকায় অনেকেই মানি মার্কেটিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত। প্রশাসনকে জানানো হবে যাতে প্রত্যেকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়। এই ব্যবসার ফলে বহু পরিবার সর্বস্বান্ত হচ্ছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, রওশন সাহেব ২০০৫ সাল থেকেই মানি মার্কেটিংয়ের ব্যবসা করছেন। তাঁর কোম্পানিতে প্রায় ৫০জন কর্মী রয়েছেন। কোটি টাকার বেশি লেনদেন রয়েছে ব্যবসায়। তিনি ব্যক্তিগতভাবে ভরতপুর বাস স্টপেজে একটি সূলভ শৌচাগার তৈরি করেছেন। ওই শৌচাগারের সামনে ভরতপুর বিধায়ক সহ নেতৃত্বের ছবি দেওয়া রয়েছে। এছাড়াও তাঁর একটি সাফাই কর্মীদের টিম প্রতিদিন এলাকায় ঘুরে আবর্জনা পরিষ্কার করে। রওশন সাহেব বলেন, আমি ১৯বছর ধরে মানি মার্কেটিংয়ের ব্যবসা চালাচ্ছি। তাহলে এত বছর পর এই প্রশ্ন উঠছে কেন? অথচ আমি ব্যবসার লভ্যাংশের অর্ধেক টাকা দল ও দুঃস্থদের জন্য খরচ করি। দলের মিটিং মিছিলে প্রচুর খরচ করি। এরপরেও আমাকে সক্রিয় বলা হচ্ছে না। আসলে আমি বিধায়ক ঘনিষ্ঠ হওয়ায় ব্লক সভাপতি চক্রান্ত করে আমাকে পদ থেকে সরিয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধেও তো প্রচুর অনিয়মের অভিযোগ রয়েছে।
সম্পর্কিত সংবাদ