Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬

মমতা কুলকার্নি কিন্নর আখড়া থেকে বহিষ্কৃত

মমতা কুলকার্নি কিন্নর আখড়া থেকে বহিষ্কৃত
  • ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
প্রয়াগরাজ: কিন্নর আখড়া থেকে বহিষ্কার করা হল অভিনেত্রী মমতা কুলকার্নিকে। শুধু মমতাই নন, বহিষ্কার করা হয়েছে তাঁর গুরু মহামণ্ডলেশ্বর লক্ষ্মীনারায়ণ ত্রিপাঠীকেও। কিন্নর আখড়ার প্রতিষ্ঠাতা ঋষি অজয় দাসের নির্দেশে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। যদিও এই সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দিতে চাননি লক্ষ্মীনারায়ণ ত্রিপাঠী। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘আমরা অজয় দাসকে ২০১৭ সালে বহিষ্কার করেছিলাম। উজ্জয়িনী কুম্ভের সময় আখড়ায় আর্থিক তছরুপের অভিযোগ ওঠে তাঁর বিরুদ্ধে। বর্তমানে আমরা জুনা আখড়ার মোহন্ত হরি গিরিকে আমাদের গুরু বলে মনে করি।’ অন্যদিকে, শুক্রবার একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে ঋষি অজয় দাসের তরফে। তাতে বলা হয়েছে, প্রতিষ্ঠাতার অনুমতি না নিয়েই মমতাকে মহামণ্ডলেশ্বরের পদে বসানো হয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন, মমতা কুলকার্নিকে ওই পদে বসানো সনাতন ধর্মের নীতির বিরুদ্ধাচরণ করা। চলচ্চিত্র জগতের সঙ্গে যুক্ত তিনি। পার্থিব আসক্তি ত্যাগ না করেই আখড়ায় যোগ দেওয়া অন্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগও রয়েছে। এর মাধমে সনাতম ধর্মপ্রেমী মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করা হয়েছে। ঋষি অজয় দাস আরও জানান, ২০১৯ সালে প্রয়াগরাজে অনুষ্ঠিত কুম্ভমেলায় তাঁর সম্মতি ছাড়াই জুনা আখড়ার সঙ্গে চুক্তি করেছিলেন মহামণ্ডলেশ্বর ত্রিপাঠী। কিন্তু প্রতিষ্ঠাতার সম্মতি ছাড়া দুই আখড়ার মধ্যে কোনও চুক্তি বৈধ নয়। উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগেই ‘করণ অর্জুন’, ‘বাজি’ খ্যাত অভিনেত্রী মমতাকে কিন্নর আখড়ার মহামণ্ডলেশ্বরের পদে বসানো হয়। এই সিদ্ধান্তে সমালোচনার ঝড় বয়েছিল সমাজমাধ্যমজুড়ে। তাঁর বহিষ্কারের খবর প্রকাশ্যে আসতেই ফের শুরু হয় চর্চা। যদিও মহামণ্ডলেশ্বর লক্ষ্মীনারায়ণ বলেন, ‘মমতা মহামণ্ডলেশ্বর পদে থাকবেন। তাঁর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছিল, তা এখন আর নেই। আইনজ্ঞদের দল বিষয়টি দেখছে।’
Advertisement
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ