সংবাদদাতা, বর্ধমান: কিশোরীকে অপহরণ করে আটকে রাখার অভিযোগে বর্ধমান থানার পুলিস এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের নাম আকাশ কর্মকার। তার বাড়ি মেমারি থানার চাঁচাই গ্রামে। শনিবার রাতে মেমারির বিশকোপার গ্রাম থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকেই উদ্ধার হয় অপহৃতা কিশোরী। দু’জনে রাস্তার পাশে দাঁড়িয়েছিল। পুলিস জানিয়েছে, বছর সতেরোর ওই কিশোরীর বাড়ি বর্ধমান থানার নতুনগ্রামে। শিবরাত্রির বিকেলে ১০৮ শিবমন্দিরে পুজো দিতে যাওয়ার নাম করে সে বাড়ি থেকে বের হয়। তারপর থেকে তার হদিশ মিলছিল না। পরে পরিবারের লোকজন জানতে পারেন, কিশোরীকে অপহরণ করে আটকে রেখেছে আকাশ। তাতে মদত দিয়েছে তার পরিবারের লোকজন। এরপরই কিশোরীর বাবা থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
Advertisement
বর্ধমানে শ্লীলতাহানির অভিযোগে ধৃত ১: গভীর রাতে জোর করে ঘরে ঢুকে মহিলাকে মারধর ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে বর্ধমান থানার পুলিস। ধৃতের নাম মোল্লা জিসানুর হোসেন ওরফে জিসান। তার বাড়ি বর্ধমান থানার সাহাচেতন এলাকায়। রবিবার সকালে তাকে বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, ওই মহিলার বাড়ি বর্ধমান থানার নতুনগ্রামে। তাঁর স্বামী কর্মসূত্রে হায়দরাবাদে থাকেন। বুধবার রাত ১টা নাগাদ ঘটনাটি ঘটে। মহিলা ঘরে তাঁর ছোট মেয়েকে নিয়ে ঘুমিয়ে ছিলেন। সেসময় জিসান জোর করে ঘরে ঢুকে চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে। বাধা দিলে মহিলাকে অভিযুক্ত মারধর করে। এমনকী, তাঁর শ্লীলতাহানিও করা হয় বলে অভিযোগ। মহিলার চিৎকারে আশপাশের লোকজন এলে জিসান পালিয়ে যায়।
মেমারিতে জমি বিবাদের জেরে মারধর: জমি বিবাদের জেরে প্রতিবেশী পরিবারের লোকজনকে বাঁশ, লাঠি ও রড দিয়ে মারধরের ঘটনায় দুই মহিলা সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মেমারি থানার পুলিস। ধৃতদের নাম আঙ্গুরা বিবি, রাজেশ খান ও তার স্ত্রী লায়লা খাতুন ওরফে গুণ্ডি বিবি। তাদের বাড়ি মেমারি থানার উলারা গ্রামের শেখপাড়ায়। শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে বুধবার ধৃতদের ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দেন সিজেএম।
পুলিস জানিয়েছে, উলারা গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ মুনতাজ আলির বাড়ির পিছনে একটি জমি আছে। জমিটি নিয়ে রাজেশের পরিবারের সঙ্গে মুনতাজের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে। শুক্রবার রাতে দুই পরিবারের মধ্যে গণ্ডগোল বাধে। সেসময় রাজেশের পরিবারের লোকজন গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ। তখনকার মতো বিষয়টি মিটে যায়। পরদিন সকালে মুনতাজের ছেলেকে পাড়ার রাস্তায় একা পেয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাতে তিনি গুরুতর জখম হন। কেন তাঁকে মারধর করা হল তা জানতে রাজেশের বাড়ি যান মুনতাজের পরিবারের লোকজন। সেসময় তাঁদের উপর রড, বাঁশ, লাঠি প্রভৃতি নিয়ে হামলা চালায় রাজেশের পরিবারের লোকজন। রডের ঘায়ে মুনতাজের ভাই মহম্মদ সামিম ও কাকা আব্দুল করিমের মাথা ফাটে। মুনতাজের আঙুল ভাঙে। তাঁর বউদি মসিদা বেগমের কান থেকে সোনার দুল ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। জখমদের মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সামিমকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। মুনতাজ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।
মেমারিতে জমি বিবাদের জেরে মারধর: জমি বিবাদের জেরে প্রতিবেশী পরিবারের লোকজনকে বাঁশ, লাঠি ও রড দিয়ে মারধরের ঘটনায় দুই মহিলা সহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে মেমারি থানার পুলিস। ধৃতদের নাম আঙ্গুরা বিবি, রাজেশ খান ও তার স্ত্রী লায়লা খাতুন ওরফে গুণ্ডি বিবি। তাদের বাড়ি মেমারি থানার উলারা গ্রামের শেখপাড়ায়। শনিবার বিকেলে বাড়ি থেকে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। ধৃতদের রবিবার বর্ধমান সিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। বিচারবিভাগীয় হেফাজতে পাঠিয়ে বুধবার ধৃতদের ফের আদালতে পেশের নির্দেশ দেন সিজেএম।
পুলিস জানিয়েছে, উলারা গ্রামের বাসিন্দা মহম্মদ মুনতাজ আলির বাড়ির পিছনে একটি জমি আছে। জমিটি নিয়ে রাজেশের পরিবারের সঙ্গে মুনতাজের পরিবারের দীর্ঘদিন ধরে বিবাদ চলছে। শুক্রবার রাতে দুই পরিবারের মধ্যে গণ্ডগোল বাধে। সেসময় রাজেশের পরিবারের লোকজন গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ। তখনকার মতো বিষয়টি মিটে যায়। পরদিন সকালে মুনতাজের ছেলেকে পাড়ার রাস্তায় একা পেয়ে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। তাতে তিনি গুরুতর জখম হন। কেন তাঁকে মারধর করা হল তা জানতে রাজেশের বাড়ি যান মুনতাজের পরিবারের লোকজন। সেসময় তাঁদের উপর রড, বাঁশ, লাঠি প্রভৃতি নিয়ে হামলা চালায় রাজেশের পরিবারের লোকজন। রডের ঘায়ে মুনতাজের ভাই মহম্মদ সামিম ও কাকা আব্দুল করিমের মাথা ফাটে। মুনতাজের আঙুল ভাঙে। তাঁর বউদি মসিদা বেগমের কান থেকে সোনার দুল ছিনিয়ে নেওয়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। জখমদের মেমারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে সামিমকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়। মুনতাজ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।



